প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আইনের খসড়া প্রণয়নের জন্য বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ প্রয়োজন। এর পর তা সংশোধন করে বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত এআই গভার্ন্যান্স সামারি স্কুল শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো না থাকার কারণে বিচার বিভাগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বিচারকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার ও উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতন থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মিথ্যা জবানবন্দি তৈরি করা এবং ছবি বা অন্যান্য মাধ্যমে ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব।
এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত বিচারপ্রার্থীরা। পাশাপাশি, প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও নতুন সামাজিক ও আইনি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। কোনো রায় অপ্রতিকূল হলে বিচারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে এআইভিত্তিক অপপ্রচার চালানোর আশঙ্কা রয়েছে।
সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড এআই (এসজেএআই) এবং লিগ্যালাইজড এডুকেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী সামার স্কুলটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এতে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার, অর্থসেবা, স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসনে এআই গভর্ন্যান্স নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিচারক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রযুক্তিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন