ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও ধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই


আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও ধানমন্ডিতে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই

রাজধানীর ধানমন্ডি ও আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় হতাহত হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাত সোয়া ৮টার দিকে ধানমন্ডির রাপা প্লাজার বিপরীতে সরকারি বয়েজ স্কুলের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

রাত সোয়া ৯টার দিকে আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

আরও পড়ুন: সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা

এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানিয়ে বলেন, ঘটনাস্থল তার থানা এলাকায় নয়।

শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজিজুর রহমান জানান, একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যান। এতে কেউ আহত হয়নি। ঘটনাস্থল কাফরুল থানা এলাকায় পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ স্কুলের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কোনো আলামত পায়নি। ফলে সেখানে প্রকৃতপক্ষে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: আলমগীর হোসেনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ বায়োজেনের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিষ্ঠার এক বছরে ৩০ জেলায় এইচআরডিএস-এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪০ এম


প্রতিষ্ঠার এক বছরে ৩০ জেলায় এইচআরডিএস-এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত

মানবাধিকারভিত্তিক সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি’ (এইচআরডিএস) প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে দেশের ৩০টি জেলা এবং ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। মানবাধিকার সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং তরুণদের অধিকার আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে, সংগঠনটি প্রথম বছরেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মধুর ক্যান্টিনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেক কাটা ও আনন্দ র‍্যালির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজের ডিফেন্ডাররা।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ এবং মানবাধিকার কর্মী ইজাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামানও অংশ নেন।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর তরুণদের মানবাধিকার রক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে ‘হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি’ আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এইচআরডিএস নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার সুরক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং তরুণদের নেতৃত্বে দেশব্যাপী মানবাধিকার আন্দোলনকে আরও ত্বরান্বিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই মাসে এলপিজির দাম ৪৭৫ টাকা বেড়ে ২,০৬০ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪০ এম


দুই মাসে এলপিজির দাম ৪৭৫ টাকা বেড়ে ২,০৬০ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বৃদ্ধি করে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বে ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা।

সেপ্টেম্বর মাসে, মাত্র দুই মাস আগে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে, সেপ্টেম্বরের তুলনায় গত দুই মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৪৭৫ টাকা।

সোমবার (০২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির এই ঘোষণা দেয়। নতুন দাম সোমবার রাত আটটা থেকে কার্যকর হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে এলপিজির অন্যান্য সাইজের সিলিন্ডারের নতুন দামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯৪৪ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ২ হাজার ১৪৬ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ৫৭৫ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ কেজি ৩ হাজার ৯০ টাকা, ২০ কেজি ৩ হাজার ৪৩৪ টাকা, ২২ কেজি ৩ হাজার ৭৭৭ টাকা, ২৫ কেজি ৪ হাজার ২৯২ টাকা, ৩০ কেজি ৫ হাজার ১৫০ টাকা, ৩৩ কেজি ৫ হাজার ৬৬৫ টাকা, ৩৫ কেজি ৬ হাজার ৯ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭ হাজার ৭২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম জানুয়ারি মাসে ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে দাম ৫০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা হয়, কিন্তু মার্চে তা সামান্য কমে ১ হাজার ৩৪১ টাকায় দাঁড়ায়। এরপর এপ্রিলে এক লাফে ৩৮৭ টাকা বেড়ে দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকায় পৌঁছায় এবং মে মাসে আরও ২১২ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকায় পৌঁছায়।

তবে মে মাসের পর থেকে কয়েক মাস এলপিজির দাম কিছুটা নিম্নমুখী ছিল। জুনে দাম ৫৫ টাকা কমে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা হয় এবং জুলাইয়ে বড় পতনের পর ৩৫৭ টাকা কমে ১ হাজার ৫২৮ টাকায় নেমে আসে। এরপর আগস্টে ৭০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকায় এবং সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমে ১ হাজার ৫৮৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মারামারি, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪১ এম


কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মারামারি, আহত ১০

কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলার কারণে সৃষ্ট বিরোধের ফলস্বরূপ দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে মারামারি শুরু করে স্থানীয়রা। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রাম এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের ষোলরশি গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের লোকজন ইটপাটকেল ও ছুরি-কাঁচি নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ১০-১২ দিন আগে আতকাপাড়া ও ষোলরশি গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ঐ ম্যাচের পর দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও বিরোধ সৃষ্টি হয়। তবে গ্রামের মোড়ল-মাতবররা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তবে সোমবার আবারও এই বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে দুই গ্রামের মানুষ। ওইদিন বিকেলে আতকাপাড়া গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. হেদায়েতুল্লাহ ছয়সূতি হাইস্কুলে টেস্ট পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ষোলরশি গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করেন।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সন্ধ্যা ৭টার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই গ্রামের লোকজন ছুরি-কাঁচি ও ইটপাটকেল নিয়ে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ২ জন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকিরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা গ্রহণ করছে।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভৈরব ও কুলিয়ারচর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গ্রামের মোড়ল-মাতবরদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।

এর আগে গত সপ্তাহে (২৪ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন তারা। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ৭ জরুরি প্রশ্নের উত্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪১ এম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ৭ জরুরি প্রশ্নের উত্তর

যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় সময় ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন, যেখানে ভোটাররা এমন এক ভোটে অংশ নেবেন, যা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

মিডটার্ম বা মধ্যবর্তী নির্বাচন কী?

৩ নভেম্বর মার্কিনিরা কংগ্রেসের সদস্যদের নির্বাচিত করবে, দেশটির দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট এই আইনসভা উচ্চ কক্ষ সিনেট এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ নিয়ে গঠিত।

প্রতি দুই বছর পর পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রেসিডেন্ট পদের চার বছরের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তা অনুষ্ঠিত হলে, সেই ভোটকে মধ্যবর্তী নির্বাচন বলা হয়।

কংগ্রেসের একটি প্রধান কাজ হলো ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় আইন প্রণয়ন ও পাস করা, এমন আইন যা দেশব্যাপী প্রযোজ্য।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলই নির্ধারণ করবে কোন রাজনৈতিক দল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান নাকি বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করবে এবং প্রেসিডেন্টের পক্ষে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কতটা সহজ হবে।

কাকে নির্বাচিত করা হচ্ছে?

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটভ বা প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ জন সদস্যই নির্বাচিত হবেন। তারা দুই বছরের নির্দিষ্ট মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণত হাউজেই প্রস্তাবিত আইনগুলো উত্থাপন ও সেগুলোর ওপর বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনের জন্যও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। সিনেটররা ছয় বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন। অন্যান্য কাজের মধ্যে তারা প্রতিনিধি পরিষদ থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবিত আইন অনুমোদন বা বাতিল করেন।

একইদিনে যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ অঞ্চলের ভোটাররা অঙ্গরাজ্য-স্তরের রাজনীতিবিদদেরও বেছে নেবেন। ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া ও মিশিগানের গভর্নর নির্বাচনগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে থাকবে।

এবার মূল ইস্যুগুলো কী?

জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার মূল্য নিয়ে হিমশিম খাওয়া অনেক ভোটারের মনেই মার্কিন অর্থনীতির চিন্তা রয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি মার্কিন ফেডারাল রিজার্ভের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ওপরেই রয়েছে, যার আংশিক কারণ হলো ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের শুরু করা যুদ্ধ।

ডেমোক্র্যাটদের যুক্তি, ট্রাম্পের বাণিজ্য শুল্ক কর্মসূচি মার্কিনিদের জন্য মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছে।

অভিবাসন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রিপাবলিকানরা বলছে, সীমান্ত কঠোর করে এবং অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও প্রায়শই বিতর্কিত অভিযান শুরু করার মাধ্যমে ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণার একটি বড় প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন।

এছাড়া সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। উভয় দলের শীর্ষ রাজনীতিবিদরা এটিকে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন, এর মাধ্যমে তারা ট্রাম্পের বিরোধিতা করছেন, যিনি এই প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন প্রণয়নের ধারণাটি প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।

কী ঝুঁকির মুখে আছে?

প্রেসিডেন্ট ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি কংগ্রেস হলো সরকারের তিনটি শাখার মধ্যে অন্যতম। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে এর নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয়ই বর্তমানে রিপাবলিকান পার্টির দখলে। কিন্তু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সামান্য। প্রতিনিধি পরিষদে তাদের ২১৮টি আসন আছে, যা এটিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যা, এবং এর সঙ্গে আছেন একজন স্বতন্ত্র সদস্য যিনি তাদের পক্ষে ভোট দেন। সিনেটে তাদের ৫৩টি আসন রয়েছে।

উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ তখনই হাতবদল হবে যদি ডেমোক্র্যাটরা ৫১টি আসন জয় করতে পারে, কারণ উভয় পক্ষ ৫০টি করে আসন পেলে ভাইস প্রেসিডেন্টের (যিনি বর্তমানে একজন রিপাবলিকান) দেওয়া নির্ণায়ক ভোটটি তখন আর কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না।

যদি বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা অন্তত একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে, তবে তারা সংসদে নিজেদের আইন উত্থাপন করার ক্ষমতা পাবে।

কে জিততে পারে?

অতীতে ভোটাররা প্রেসিডেন্টের দলকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার এবং তাদের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছেন।

সাম্প্রতিক জরিপে প্রেসিডেন্টের জনসমর্থন কম দেখা যাচ্ছে। জরিপ বিষয়ক ওয়েবসাইট সিলভার বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ৫০ শতাংশের কিছু বেশি জনসমর্থন নিয়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করেছিলেন, কিন্তু অক্টোবরের শুরুতে তা কমে প্রায় ৩৭ শতাংশে নেমে আসে। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মানুষ তার প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন।

কিন্তু প্রতিটি কক্ষের সব আসনই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নয়। কিছু আসন রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ের সম্ভাবনা থাকে।

বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজ আইওয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের মতো রাজ্যগুলোতে নজর রাখার মতো দশটি সিনেট আসনের নির্বাচন এবং অ্যারিজোনা ও ওহাইওর মতো রাজ্যগুলোয় প্রতিনিধি পরিষদের ৪২টি আসনে নির্বাচন চিহ্নিত করেছে।

প্রতিনিধি পরিষদে ভোটকেন্দ্রগুলোর সীমানা নির্ধারণ পদ্ধতি নিয়ে দুই দলের মধ্যে বিরোধের কারণে এ বছরের ভোট আরও বেশি অনিশ্চিত।

রিপাবলিকানরা নির্দিষ্ট কিছু রাজ্যে আরও অনুকূল নির্বাচনী মানচিত্র তৈরি করে সুবিধা লাভের চেষ্টা করেছিল এবং ডেমোক্র্যাটরাও তাদের অনুসরণ করেছিল।

ট্রাম্পের জন্য এর অর্থ কী?

ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদ বা সেনেটের যেকোনো একটিতে জয়লাভ করে, তাহলে ট্রাম্পের পক্ষে কংগ্রেসে কোনো আইন পাস করানো কঠিন হয়ে পড়বে। সুতরাং তার অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনাগুলো ব্যর্থ হতে পারে, যদিও তিনি তার বৃহত্তর দলকে ছাড়াই ক্ষমতা প্রয়োগের উপায় খুঁজে পেয়েছেন।

যেকোনো একটি কক্ষের ওপর ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ থাকলে, তারা ট্রাম্পের ক্ষমতা প্রয়োগের বিভিন্ন দিক তদন্ত করতে কমিটি ব্যবহার করতে পারবে। দুর্নীতির অভিযোগ, হোয়াইট হাউজের নতুন বলরুম এবং আইসিই-এর (ইমিগ্রেশান অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) কার্যকলাপ তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যেও ট্রাম্পকে অভিশংসন করা হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। অভিশংসনের অর্থ হলো কংগ্রেসে এমন অভিযোগ আনা, যা একটি রাজনৈতিক বিচারের ভিত্তি তৈরি করবে, ফৌজদারি বিচারের নয়।

যদি রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে ট্রাম্প তার মেয়াদের বাকি সময়টুকুতে নিজের পরিকল্পনাগুলো নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন।

২০২৮ সালের নির্বাচনের জন্য এর অর্থ কী?

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যালটে প্রেসিডেন্টের নাম না থাকলেও, ট্রাম্প রিপাবলিকানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তার এযাবৎকালের কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন হিসেবে তাকে ভোট দিয়ে এমনটা ভান করে যে ব্যালটে তার নাম রয়েছে।

ফলাফল যেদিকেই যাক না কেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে দেশের গতিপথ নিয়ে ভোটারদের মনোভাব কেমন, তা তুলে ধরতে ভাষ্যকাররা সম্ভবত এই ফলাফলকে ব্যবহার করবেন।

ট্রাম্প তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর, ২০২৮ সালের জন্য রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে তার উত্তরসূরি কে হতে পারেন এবং ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হবে বলে আশা করা যায়।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%