ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে বাজেটের আকার অর্থহীন: অর্থনীতিবিদরা


বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে বাজেটের আকার অর্থহীন: অর্থনীতিবিদরা

অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাজেটের আকার নয়, বরং এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক ভিত্তির দুর্বলতা মোকাবিলা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ জানিয়েছেন, সরকার পরিচালনার ব্যয় কমানো গেলে বাজেট ঘাটতি কমতে পারে। এই বিষয়ে তারা প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন।

এদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দেশীয় শিল্পের জন্য আগাম কর অব্যাহতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কর ছাড়ের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি কমানো হবে।

দীর্ঘ ২১ বছর পর বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এই বাজেট জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বাজেট ঘোষণার পর অর্থনীতিবিদরা এর বাস্তবায়ন ও বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, ‘নীতিকাঠামো নিঃসন্দেহে খুবই শক্তিশালী। কিন্তু বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল। অর্থের সংস্থান নেই। শেষ পর্যন্ত এই বাজেটের বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় বিষয়।’

অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ‘সরকারের পরিচালন ব্যয় কমানো গেলে বাজেট ঘাটতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে। সুদের হার কমানো গেলে বেসরকারি খাত এক বছরের মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা হলে সেখান থেকেও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে।’

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ জানান, ‘টার্নওভার কর শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ থেকে আবার ১ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি করছি। এছাড়া ভ্যাটের হার না বাড়িয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ, দেশীয় শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

যদিও ডিসিসিআই মনে করছে, উচ্চ রাজস্ব আদায়ের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত মহাসাগরে সন্ধান মিলল প্রাচীন তিমির বিশাল সমাধিক্ষেত্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


ভারত মহাসাগরে সন্ধান মিলল প্রাচীন তিমির বিশাল সমাধিক্ষেত্রের

দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের গভীর অংশে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে প্রাচীন ‘তিমির গোরস্তান’, যা মূলত তিমির মৃতদেহ ও জীবাশ্মের বিশাল সমাহার। এই অঞ্চলটির নাম ডায়ামেন্টিনা ফ্র্যাকচার জোন এবং এটি সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত। গবেষকদের মতে, এই অঞ্চলটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এবং এখানে অন্তত ৫৩ লাখ বছর ধরে তিমির দেহাবশেষ জমা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গবেষকদল সাবমার্সিবল ব্যবহার করে ৩২টি অভিযান পরিচালনা করে এই আবিষ্কার করেছেন। অভিযানের সময় তারা ৪৮৫টি তিমির জীবাশ্ম এবং আধুনিক তিমির দেহাবশেষের অবস্থান শনাক্ত করেন। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে বিস্তৃত তিমি-জীবাশ্ম অঞ্চল।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই অঞ্চলের কিছু জীবাশ্মের বয়স প্রায় ৫৩ লাখ বছর। এছাড়া, জীবাশ্মগুলোর মধ্যে একটি নতুন প্রজাতির ঠোঁটওয়ালা তিমির সন্ধানও পাওয়া গেছে, যার নাম রাখা হয়েছে টেরোসিটাস বেঙ্গুয়েলি।

বিজ্ঞানীদের মতে, মৃত তিমির দেহ সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থেকে এক বিশেষ বাস্তুতন্ত্র সৃষ্টি করে, যা ‘হোয়েল ফল’ হিসেবে পরিচিত। এসব দেহাবশেষকে ঘিরে বিভিন্ন প্রাণী যেমন হাড়-খেকো কৃমি, ভঙ্গুর তারামাছ, ঝিনুক ও অন্যান্য গভীর সমুদ্রের প্রাণী বাস করছে। আবিষ্কৃত অঞ্চলটিতে এমন পাঁচটি সক্রিয় হোয়েল ফল বাস্তুতন্ত্রও রয়েছে।

গবেষণাটি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের ধারণা এই এলাকার বিশেষ ভৌগোলিক গঠন এবং তিমির অভিবাসনপথের অবস্থান বিপুল সংখ্যক তিমির দেহাবশেষ জমা হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

গবেষণা দলের অন্যতম সদস্য শিয়াওতং পেং বলেন, এই আবিষ্কার গভীর সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য, তিমির বিবর্তন এবং কোটি কোটি বছর ধরে চলমান সামুদ্রিক পরিবেশগত পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য উন্মোচনের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দুর্গম এই অঞ্চল এখনও অনেকটাই অনাবিষ্কৃত, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন প্রজাতি এবং চমকপ্রদ বৈজ্ঞানিক তথ্যের আবিষ্কারের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটে কোন মেগা প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ এম


বাজেটে কোন মেগা প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে নতুন কোনো মেগা প্রকল্প নেয়নি সরকার। বরং সরকারের লক্ষ্য রয়েছে চলমান বড় প্রকল্পগুলোকে দ্রুত শেষ করে সেবায় নিয়ে আসা। এডিপির প্রায় ১৮ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ১৫টি মেগা প্রকল্পের জন্য। যেখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাত।

নতুন মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ না দেয়ার বদলে, সরকার চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে ১৫টি বৃহৎ প্রকল্পের জন্য ৫৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক বরাদ্দ পেয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প।

আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থের পরিমাণ ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের অগ্রগতি ৬৮ শতাংশের বেশি এবং সরকারের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করা।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পেয়েছে দেশের প্রথম পাতাল রেল প্রকল্প এমআরটি লাইন-১। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত যার রুটে বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলছে। ২০৩০ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে সেবা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী প্রকল্প পাচ্ছে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ, যা আগামী অর্থবছরে ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এটি চার গুণেরও বেশি। বছরের শেষ নাগাদ নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্পটির।

চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এই রুটের জন্য প্রায় পাঁচ গুণ বাড়িয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।

এদিকে, উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পেরও বরাদ্দ বেড়েছে। আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, স্বল্প সময়ে যাতায়াতকে স্বস্তিদায়ক করতে দ্রুত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সনের দক্ষিণ কোরিয়ার সামনে দুই দশক পর বিশ্বকাপে ফেরা চেক প্রজাতন্ত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ এম


সনের দক্ষিণ কোরিয়ার সামনে দুই দশক পর বিশ্বকাপে ফেরা চেক প্রজাতন্ত্র

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৮টায় মেক্সিকোর গুয়াদালাহারার এস্তাদিও চিভাসে ‘এ’ গ্রুপের এই লড়াইয়ের মাধ্যমে উভয় দলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে।

দুই দশকের বিরতির পর আবারো বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছে চেক প্রজাতন্ত্র। অন্যদিকে, হং মিয়ং-বোর অধীনে দুর্দান্ত ছন্দে বাছাইপর্ব সম্পন্ন করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। যদিও টুর্নামেন্টের শিরোপা প্রত্যাশীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নেই কোনো দলই, তবুও স্বাগতিক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে তৈরী হওয়া তুলনামূলক সহজ গ্রুপে শেষ ষোলোয় ওঠার স্বপ্ন দেখছে দুই পক্ষ।

এর আগে তিনটি প্রীতি ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল। সেখানে সাউথ কোরিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্র উভয়ই একটি করে জয় পেয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার স্কোয়াডে বিশ্বকাপের আগে বড় কোনো নতুন ইনজুরির সমস্যা নেই। তবে চোট পাওয়া ডিফেন্ডার চো ইউ-মিনের জায়গায় অনভিষিক্ত চো উই-জেকে দলে নেয়া হয়েছে। কিন্তু কোরিয়ার সব দৃষ্টি স্বাভাবিকভাবেই অধিনায়ক ও তারকা ফরোয়ার্ড হিউং-মিন সনের দিকে। ৩৩ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ডের জন্য এটি সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে থাকা সনের কাছে এবারের আসর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল যাত্রার অন্যতম নায়ক ছিলেন বর্তমান কোচ হং মিয়ং-বো। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। মিডফিল্ডে একাধিক চোটের কারণে তিনি কৌশলগতভাবে তিন ডিফেন্ডারের ফরমেশনে পরিবর্তন করে পরিকল্পনা নিয়েছেন। জার্মানিতে জন্ম নেওয়া জেন কাস্ট্রপের বহুমুখী ভূমিকা এই কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

এদিকে, ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে চেক প্রজাতন্ত্র। তারা বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ড ও ডেনমার্ককে টাইব্রেকারে পরাজিত করে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। একসময় পাভেল নেদভেদ, টমাস রসিস্কি ও কারেল পোবোরস্কির মতো তারকায় সমৃদ্ধ ছিল চেক মিডফিল্ড। এবার সেখানে সবচেয়ে বড় নাম ওয়েস্ট হ্যামের মিডফিল্ডার টমাস সউচেক।

কোচ মিরোস্লাভ কউবেকের দল হয়তো তারকাভিত্তিক নয়, তবে তারা খেলার ধরনে অত্যন্ত পরিষ্কার ও কার্যকর। উইং-ব্যাকদের মাধ্যমে একের পর এক ক্রস তুলে দেয়া এবং সেগুলোকে কাজে লাগানো তাদের প্রধান কৌশল।

চেকদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হতে পারেন তরুণ মিডফিল্ডার পাভেল সুলচ। লিঁওর হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানো এই ফুটবলার লিগ ওয়ানে ২১টি গোল অবদানের মাধ্যমে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার রয়েছে বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বড় মঞ্চে চমক দেখানোর ইতিহাস। জার্মানি ও পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। কিন্তু চেক প্রজাতন্ত্রের শারীরিক ফুটবল, পরিষ্কার খেলা এবং সেট-পিসের দক্ষতা ম্যাচটিকে সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক সুরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ এম


সামাজিক সুরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দের প্রস্তাব

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দ বেড়েছে। গেল বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এ বছর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।

দীর্ঘ ১৯ বছর পরে সংসদে জাতীয় বাজেট পেশ করলো বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বাজেট।

নতুন বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতে রেকর্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দেশের দরিদ্র, নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় আনতে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা।

বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডসহ কিছু নতুন কর্মসূচি এ খাতের আওতায় আসছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষা খাতের আওতায় ৪১ লাখ নারীর জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। এর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। মাসিক ভাতার পরিমাণ হবে ২৫০০ টাকা।

কৃষক কার্ড প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার কোটি টাকা। নতুন ৮টি কর্মসূচি যুক্ত হলেও মোট কর্মসূচির সংখ্যা কমছে।

এদিকে, প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ ১০০ টাকা বেড়ে এক হাজার টাকা হচ্ছে। বয়স্ক, বিধবা এবং মা ও শিশু সহায়তা ভাতার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকছে।

৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ট্রেনে ভ্রমণ এখন ফ্রি হবে। মেট্রোরেল ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে।

বরাবরের মতোই সবচেয়ে বড় অংশ বরাদ্দ থাকছে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর ভাতার জন্য। তাই, সরকার যে রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ বাড়িয়েছে তা ইতিবাচক মনে হলেও, সুষম বণ্টনের তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থনীতিবিদ ড. আবু ইউসুফ জানান, ‘সামাজিক সুরক্ষা খাতে ৯৫টি প্রোগ্রাম রয়েছে, আবার নতুন নতুন কর্মসূচিগুলো সরকার নিতে যাচ্ছে- এগুলোর সঙ্গে যেন ওভারলেপিং না হয়। কারণ সরকারের আর্থিক বিষয়টিও দেখতে হবে।’

সামাজিক বৈষম্য হ্রাস এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন বিবেচনায় রেখে ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%