০৭:১১ এম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে নতুন কোনো মেগা প্রকল্প নেয়নি সরকার। বরং সরকারের লক্ষ্য রয়েছে চলমান বড় প্রকল্পগুলোকে দ্রুত শেষ করে সেবায় নিয়ে আসা। এডিপির প্রায় ১৮ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ১৫টি মেগা প্রকল্পের জন্য। যেখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাত।
নতুন মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ না দেয়ার বদলে, সরকার চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে। আগামী অর্থবছরের এডিপিতে ১৫টি বৃহৎ প্রকল্পের জন্য ৫৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক বরাদ্দ পেয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প।
আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থের পরিমাণ ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নের অগ্রগতি ৬৮ শতাংশের বেশি এবং সরকারের লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করা।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পেয়েছে দেশের প্রথম পাতাল রেল প্রকল্প এমআরটি লাইন-১। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত যার রুটে বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলছে। ২০৩০ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে সেবা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী প্রকল্প পাচ্ছে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ, যা আগামী অর্থবছরে ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এটি চার গুণেরও বেশি। বছরের শেষ নাগাদ নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্পটির।
চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে। হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এই রুটের জন্য প্রায় পাঁচ গুণ বাড়িয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।
এদিকে, উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পেরও বরাদ্দ বেড়েছে। আগামী অর্থবছরে এই প্রকল্পের জন্য রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, স্বল্প সময়ে যাতায়াতকে স্বস্তিদায়ক করতে দ্রুত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন