ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টঙ্গীতে র‍্যাবের অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার, আটক ১১


টঙ্গীতে র‍্যাবের অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার, আটক ১১

গাজীপুর জেলার টঙ্গী রেলওয়ে জংশন এবং আশপাশের এলাকা, যেখানে র‍্যাব-১ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে, সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ১১ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত পৌনে ১০টার মধ্যে, র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম এবং সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বড় সংখ্যক র‍্যাব সদস্য এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের সদস্যরাও সহযোগিতা প্রদান করেন।

সাধারণত, অভিযানের সময় টঙ্গী রেলওয়ে জংশন এলাকার আশপাশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মাদকদ্রব্যের ইনজেকশন এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়, পাশাপাশি ১১ জনকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতাকে অপহরণের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা জামাল হোসেন আটক

অভিযান শেষে, র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

এই বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম। তিনি বলেন, সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

অভিযানে অনেক ধরনের মাদকদ্রব্য এবং ১১ জনকে আটক করা হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গোপসাগরে পর্যবেক্ষণ বয় স্থাপনের পরিকল্পনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৯ এম


শিশুর নিরাপত্তায় ইসলামের শিক্ষা

শিশুরা হচ্ছে পেলব ফুলের মতো। তারা সমাজের সবচেয়ে কোমল ও স্পর্শকাতর অংশ হিসেবে পরিচিত। মা-বাবা, অভিভাবক, পরিবার ও সমাজের ভুল সিদ্ধান্ত এবং অসচেতনতার কারণে শিশুর জীবন বিপন্ন অবস্থায় পড়ে। বর্তমান বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের সমাজে শিশু হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন ও বিভিন্ন ধরনের সহিংস অপরাধের শিকার হচ্ছে, যা মোটেই কাম্য নয়। ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে শিশুর জীবন ও ভবিষ্যৎ রক্ষা করা।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, দিন দিন মানুষের সহানুভূতি, মমতা ও স্নেহ কমে যাচ্ছে শিশুদের প্রতি। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ছোটদের স্নেহ করে না, বড়কে সম্মান করে না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৯)

ইসলামের দৃষ্টিতে মানবজীবনের মূল্য অপরিসীম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ একজন মানুষের জীবনকে সমগ্র পৃথিবীর মানুষের জীবনের সমান ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘যে মানুষ হত্যা বা দুনিয়ায় ধ্বংসাত্মক কাজের কারণে ছাড়া কাউকে হত্যা করল, সে যেন দুনিয়ার সব মানুষকে হত্যা করল, আর যে কারো প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন সব মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৩২)

সুতরাং, শিশুর জীবনের নিরাপত্তা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য ইসলাম জন্মের আগেই তার জীবনের নিরাপত্তা ঘোষণা করেছে। আল্লাহর নির্দেশ হলো, ‘তোমরা নিজেদের সন্তানদের দারিদ্র্যের ভয়ে হত্যা কোরো না; আমিই তাদের রিজিক দিই এবং তোমাদেরও।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩১)

এই নির্দেশ জাহেলি যুগের কন্যাশিশু হত্যার বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হলেও এর শিক্ষা সর্বজনীন। কোনো অবস্থায়ই সন্তানের জীবন ধ্বংস করা যাবে না। আজকের যুগে শিশু হত্যা, অপহরণ বা নির্যাতন কোরআনের এই শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

আরেকটি ভয়াবহ বিষয় হলো শিশুর ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা। শিশুরা ঘরে ও বাইরে, আপনজন, প্রতিবেশী, শিক্ষক, পরিচিত-অপরিচিত, এমনকি ধর্মালয়ে নানা শ্রেণির মানুষের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। অনেক সময় তাদের প্রাণহানিও ঘটে। অথচ ইসলামী আইনে ধর্ষণ একটি বহুমাত্রিক অপরাধ, যেখানে কমপক্ষে তিনটি অপরাধ সংঘটিত হয় - ক. ব্যভিচার, খ. বল প্রয়োগ ও ভীতি প্রদর্শন, গ. সম্ভ্রম লুণ্ঠন। ইসলামী আইনে এই তিনটি বিষয়ই পৃথকভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর ধর্ষণে যেহেতু এই তিনটি অপরাধের সমন্বয় ঘটে, তাই ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। বিশেষত, যখন কোনো কোমলমতি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, তখন তা আরো বেশি গুরুতর হয়ে ওঠে।

ইসলামী আইনজ্ঞরা বলেন, যদি ধর্ষক কোনো শিশুকে ধর্ষণ করে এবং এতে শিশুর মৃত্যু হয়, তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। একইভাবে, যদি কোনো নারীকে ধর্ষণের আগে বা পরে হত্যা করা হয়, তাহলে হত্যাকারী ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। বেশির ভাগ ফকিহের মতে, এমন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড তরবারির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কেউ তোমাদের সঙ্গে সীমা লঙ্ঘন করলে তোমরাও তার সঙ্গে অনুরূপ আচরণ করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৯৪; তাফসিরে কুরতুবি : ২/৩৫৮)

শিশুর প্রতি যে সহিংস আচরণ ও নিপীড়ন হচ্ছে, এর জন্য অনেক সময় পারিবারিক অবহেলা ও সামাজিক দায়বোধের অভাব দায়ী হিসেবে প্রমাণিত হয়। ইসলাম সন্তান ও শিশুর প্রতি যত্নশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সম্পদ ও সন্তান পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য।’ (সুরা : কাহফ, আয়াত : ৪৬)

আর প্রতিটি সৌন্দর্যের দাবি হলো তা সংরক্ষণ করা, এবং সে সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাই শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হলো তাকে ঝুঁকি ও বিপদ সম্পর্কে অবহিত করা। অনেক সময় মা-বাবা ও অভিভাবক অসৎ বন্ধু, প্রতিবেশী, আত্মীয়দের সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করে না। তারা শিশুদের মন্দ স্পর্শ ও আচরণ সম্পর্কে জানান দেয় না, ফলে শিশুরা বিপদে পড়ে। কোরআন শিশুদের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সচেতন করার শিক্ষা দিয়েছে। পিতা ইয়াকুব (আ.) পুত্র ইউসুফকে বলছেন, ‘হে আমার পুত্র! তোমার স্বপ্নের কথা তোমার ভাইদের কাছে বর্ণনা কোরো না। যদি করো তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করবে। শয়তান তো মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৫)

ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী, রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়ের দায়িত্ব হলো দুর্বলদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। শিশুদের সুরক্ষার জন্য কার্যকর আইন, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা এবং সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে সমাজে শিশুদের বিরুদ্ধে যে সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা রোধে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক নৈতিকতা শিক্ষা, পারিবারিক সচেতনতা, এবং রাষ্ট্রীয় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।

সব শেষে মহানবী (সা.)-এর বাণী স্মরণ করতে চাই, যেখানে তিনি আদর্শ মুসলমানের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার হাত ও মুখ থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে। আর মুমিন সেই ব্যক্তি, যার থেকে মানুষ তাদের জীবন ও সম্পদকে নিরাপদ মনে করে।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৪৯৯৫)

আল্লাহ সব শিশুকে নিরাপদ জীবন দান করুন। আমিন। সচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩০ এম


নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে কিলিয়ান এমবাপ্পে

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে বর্তমানে দাঁড়িয়ে আছেন ইতিহাসের এক অনন্য মাইলফলকের সম্মুখে। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে যদি তিনি গোল করতে সক্ষম হন, তাহলে এককভাবে তিনি নাম লেখাবেন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়। এখন পর্যন্ত তিনি আটটি গোল করে এই তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন, তবে একই সাথে তার সাথে যৌথভাবে এই রেকর্ডের অংশীদার ব্রাজিলের দুই কিংবদন্তি লিওনিদাস দা সিলভা এবং রোনালদো নাজারিও রয়েছেন।

আগামী মঙ্গলবার সুইডেনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে যদি এমবাপ্পে জালের দেখা পান, তবে তিনি এই দুই কিংবদন্তিকে পেছনে ফেলে দেবেন এবং নিজের দখলে নেবেন রেকর্ডটি।

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে রানার্সআপ দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এমবাপ্পে ইতিমধ্যেই নিজেকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে তার ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক এবং পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোল ছিল সত্যিই অবিশ্বাস্য। এছাড়া রাশিয়ার আসরেও আর্জেন্টিনা এবং ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তার গোলগুলো ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২৭ বছর বয়সী এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের ব্যক্তিগত ঝুলিতে ইতিমধ্যেই অনেক রেকর্ড জমা হয়েছে। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে সর্বোচ্চ চারটি গোল করার রেকর্ডটি তার দখলেই রয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টি গোল করেছেন, যা তাকে সর্বকালের সেরা গোলদাতার তালিকার খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বর্তমানে এই তালিকার শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি থেকে তিনি মাত্র তিনটি গোল পিছিয়ে আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানদের মুখোমুখি প্যারাগুয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩২ এম


জার্মানদের মুখোমুখি প্যারাগুয়ে

রাউন্ড অব ১৬-এর টিকিট নিশ্চিত করতে জয় ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই দুই দলের হাতে। নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে মাঠে লড়াই করবে জার্মানি ও প্যারাগুয়ে।

জার্মানি একাদশের মধ্যে রয়েছে নয়্যার (গোলরক্ষক), কিমিখ, রুডিগার, তাহ, ব্রাউন, মেচা, পাভ্লোভিচ, সানে, উনদাভ, উইর্টজ, হাভার্টজ।

অপরদিকে, প্যারাগুয়ে একাদশে গিল (গোলরক্ষক), আলোনসো, কানালে, গোমেজ, কাকেরেস, এনসিসো, গালারজা, কুবাস, বোবাদিল্লা, আলমিরন, আভালোস।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ এম


যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, ঘরে ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে গত সপ্তাহে একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সোমবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল আবার বিমান হামলা চালিয়েছে, যা সেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি অমান্য করে করা হলো। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কান্তারা ও দেইর সেরিয়ান শহরের মাঝামাঝি এলাকায় এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।

হামলার আতঙ্ক এবং চারপাশের ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। লেবাননের মন্ত্রী হানিন এল সাইয়েদ জানিয়েছেন, অন্তত ৪ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে নিজেদের এলাকায় ফিরে গেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বাসিন্দাদের সংখ্যা ৩৭ হাজার থেকে কমে ১৩ হাজারে নেমে এসেছে। সরকার এখন দেশে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তবে অনেকেই সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া বাড়িঘরের কারণে এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে আটকা পড়ে আছেন।

লাইদিকে, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েল বড় ধরনের হামলা শুরু করে। এর ফলে অন্তত ৪ হাজার ২৪৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বহু গ্রাম ধ্বংস হয়েছে এবং ১২ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন।

এমন অবস্থায়, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন রাজধানী বৈরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। তারা সদ্য হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কীভাবে আরও ভালোভাবে বাস্তবায়িত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রেসিডেন্ট আউন জানান, দক্ষিণ সীমান্ত পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়বে।

তবে ইসরায়েলের প্রধান দাবি ছিল হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে হবে, কিন্তু লেবাননের সেনাবাহিনী এই চ্যালেঞ্জটি সত্যিই নিতে পারবে কিনা, তা নিয়ে এখনও বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%