ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষকদের সাংবাদিকতা করার অনুমতি নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান


শিক্ষকদের সাংবাদিকতা করার অনুমতি নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষক বা অন্য কোনো পেশায় কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই।

তিনি বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তেঁতুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় এ কথা বলেন।

মতবিনিময়সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব (যুগ্ম সচিব) আব্দুস সবুর এবং তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি লাইছুর রহমান।

আরও পড়ুন: জাগপা: বিএনপি ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, ‘সাংবাদিকতা একটি স্বতন্ত্র ও দায়িত্বশীল পেশা। অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে একই সময়ে সাংবাদিকতা করা পেশাগত শৃঙ্খলা ও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষকরা সরকারের বেতনভুক্ত, তাই তাদের অন্য পেশা বা সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতার পরিচয় শুধু একটি পদবি বা পরিচয়পত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, সত্যতা নিশ্চিত করা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সাংবাদিকদের পালন করতে হয়। তাই সাংবাদিকতায় যুক্ত ব্যক্তিদের পেশাগত আচরণবিধি ও নীতিমালা মেনে চলা জরুরি।’

বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম আরও বলেন, ‘বর্তমানে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত অনেকেই সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করছেন—এমন অভিযোগ রয়েছে। কেউ শিক্ষকতা করছেন, কেউ ব্যবসা করছেন, আবার কেউ অন্য কোনো পেশায় যুক্ত থেকেও সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করছেন। এ ধরনের দ্বৈত পেশা সাংবাদিকতার পেশাগত স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, ক্রীড়া এখন আর শুধুমাত্র বিনোদন বা শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, বরং এটি একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে স্কুল পর্যায় থেকেই ক্রীড়া শিক্ষাকে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তিনি বুধবার (২১ অক্টোবর) কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “ক্রীড়া মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ক্রীড়া শুধু প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে সুদৃঢ় করে। একটি সুস্থ, সচেতন, কর্মক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম।”

অ্যাথলেটিক্সকে খেলাধুলার মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপের মতো ইভেন্টের মাধ্যমে একজন অ্যাথলেটের গতি, শক্তি, সহনশীলতা, সমন্বয় ও মানসিক দৃঢ়তার বিকাশ ঘটে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে একটি দেশের সামগ্রিক সক্ষমতা ও ক্রীড়া উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতেও অ্যাথলেটিক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাংলাদেশের অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়ন, তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, “আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত অসংখ্য প্রতিভাবান তরুণ-তরুণী রয়েছে, যাদের মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজন তাদের প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ, আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচ, বিজ্ঞানভিত্তিক অনুশীলন, পুষ্টি ও চিকিৎসাসেবা এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ। জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার ক্ষেত্র তৈরি করে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের অ্যাথলেটদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরো শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্যমণ্ডিত করতে হলে তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রীড়া সংস্থা এবং জাতীয় ফেডারেশনগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা জরুরি। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। একজন ক্রীড়াবিদ যেন খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “ক্রীড়ার প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা, শৃঙ্খলা, সততা এবং প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মধ্যে। জয়-পরাজয় প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক অংশ। একজন প্রকৃত ক্রীড়াবিদ বিজয়ের আনন্দে যেমন সংযত থাকেন, তেমনি পরাজয় থেকেও শিক্ষাগ্রহণ করেন। আমি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সব অ্যাথলেটকে নিয়মনীতি মেনে, সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাব নিয়ে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারি বজায় রাখার অনুরোধ জানাই।”

“আমাদের তরুণ সমাজ দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাদের মেধা, শ্রম, সাহস ও সৃজনশীলতাকে ইতিবাচক কাজে নিয়োজিত করা গেলে বাংলাদেশ আরো সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে। খেলাধুলা তরুণদের মাদক, হতাশা, অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও নেতিবাচক প্রবণতা থেকে দূরে রেখে সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করতে পারে। মাঠের অনুশীলন তাদের সময়ানুবর্তিতা, দলগত দায়িত্ববোধ, অধ্যবসায় এবং প্রতিকূলতা মোকাবেলার শিক্ষা দেয়।”

“অ্যাথলেটিক্সে আমাদের মেয়েরাও যেন পিছিয়ে না থাকে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। নারী অ্যাথলেটদের প্রতিভা বিকাশ, মানসম্মত প্রশিক্ষণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রতিভা যেন ভৌগোলিক অবস্থান কিংবা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিকশিত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।”

“বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকার, ক্রীড়া ফেডারেশন, ক্লাব, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত সহযোগিতা অপরিহার্য। ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন, মাঠ সংরক্ষণ, প্রশিক্ষণের আধুনিকায়ন এবং ক্রীড়াবিদদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে একটি কার্যকর ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। আমি আশা করি, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজন, প্রতিভা অন্বেষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরির কার্যক্রম আরো গতিশীল করবে।”

“কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬' কেবল একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং এটি হয়ে উঠুক দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানোর এক পুরুত্বপূর্ণ প্রয়াস। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রতিভার বিকাশ ঘটুক, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ুক এবং জাতীয় পর্যায়ে অ্যাথলেটিক্সের ভিত্তি আরো সুদৃঢ় হোক, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

এই প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আয়োজক, অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেট, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা, বিচারক, ক্রীড়া সংগঠক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াতের দুই এমপির সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে জামায়াতের দুই এমপির সংবাদ সম্মেলন

চুয়াডাঙ্গায় নিয়োগ পাওয়া ৪৫ জন সার ডিলারের মধ্যে ৪২ জন বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং দলীয়করণের অভিযোগ করেছেন চুয়াডাঙ্গার দুই সংসদ সদস্য। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, জেলার চারটি উপজেলায় নতুন করে ৪৫ জনকে বিসিআইসি সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪২ জনকে রাজনৈতিক কারণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের অধিকাংশই স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এছাড়া, তাদের মধ্যে নেতাদের স্ত্রী এবং স্বজনরাও রয়েছেন। এমনকি, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল অভিযোগ করেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে বিগত সময়ের সমস্ত অনিয়মের রেকর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পূর্বে যারা সার ডিলার ছিলেন, তারা তৎকালীন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। অথচ, এই দলীয়করণের জন্য তড়িঘড়ি করে নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে জনপ্রতিনিধিদের বাইরে রেখে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইচ্ছামতো দলীয়করণ বা সরকারিকরণের অসদুপায় অবলম্বন করতে পারেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন বলেন, বর্তমান সার ডিলার নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে কেউ ব্যবসায়ী নন। নথিপত্র পরীক্ষা করলে দেখা যাবে, তারা নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের নেতার স্ত্রী এবং সন্তানও রয়েছেন। পুরো জেলায় এভাবে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দলীয়করণের জন্য নিয়োগ কমিটির প্রধান চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উভয়েই দায়ী। জেলা প্রশাসক দলীয় দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হক, জীবননগর উপজেলা সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা পৌর আমির হাসিবুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইনকিলাব মঞ্চের আলটিমেটাম

১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের আহ্বান

জুলাইয়ের যোদ্ধাদের প্রতি ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হলে এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারলে বিএনপির জন্য আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। আওয়ামী লীগ যে পথে হেঁটে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, বিএনপি যদি একই পথে চলে, তাহলে তাদেরও ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা কমে যাবে। শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ খালপাড় এলাকায় শহীদ রফিক চত্বরে অনুষ্ঠিত ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে সরকারকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে কীভাবে বিচারের মুখোমুখি করা হবে, তা সরকারের নিশ্চিত করতে হবে। ইনকিলাব মঞ্চের এই দায়িত্ব নয়, বরং সরকারের।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদি হত্যার পর থেকেই মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা ভারতে অবস্থান করছেন দাবি করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও ভারত কোনো জবাব দেয়নি। বরং ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে এ বিষয়ে কথা না বলার জন্য ফোন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনাকে হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হিসেবে দাবি করেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক।

উত্তরাঞ্চলের নয় জেলার ৭৩টি উপজেলায় প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে জনমত গড়ে তোলার পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারকে যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় বিচার দাবিতে আন্দোলন করলে বলা হয়েছিল, নির্বাচন বানচাল করতেই এ কর্মসূচি। এখন নির্বাচনের আট মাস পেরিয়ে গেলেও কেন হত্যার বিচার হচ্ছে না, সেই প্রশ্নের জবাব সরকারকে দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও সরকারের সমালোচনা করা হয়। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে মত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ভোট দিয়েছেন। অথচ এখন সেই রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বিএনপিকে অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে দিল্লি ও তাদের সমর্থকদের প্রত্যক্ষ মদদে শাহবাগের মতো জায়গায় বিচারব্যবস্থা ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারতের মদদের তথ্য পাওয়া গেছে দাবি করেও এ ঘটনায় বিচার না হওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।

বিগত ১৭ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রাজনৈতিক পরিচয় ও ভোট দেওয়ার কারণে মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে কারও বাবাকে তুলে নিয়ে হত্যা এবং কারও স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি যদি জুলাইয়ের যোদ্ধাদের প্রতি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে না পারে এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। তখন সরকার বিচার নিশ্চিত করতে বাধ্য হবে।

সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা যায় না। জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তামাশা করলে এবং তাদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করলে মানুষের ক্ষোভ বাড়বে। গণভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি যদি সেই গণভোটের রায়ই অগ্রাহ্য করে, তবে তা দলের জন্য বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমেশ্বরীর স্রোতে প্রাণ গেল ১৬ বছরের সিফাতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমেশ্বরীর স্রোতে প্রাণ গেল ১৬ বছরের সিফাতের

 

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতের তোড়ে ভেসে প্রাণ হারিয়েছে সিফাত মিয়া (১৬) নামে এক কিশোর। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের রানিখং এলাকার নদীঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সিফাত মিয়া একই ইউনিয়নের কাঁকড়াকান্দা গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দুর্গাপুর উপজেলার বহেরাতলী গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে আসে সিফাত। বুধবার দুপুরে খালাতো ভাই আলী হাসানকে সঙ্গে নিয়ে রানিখং এলাকার ঘাট দিয়ে সোমেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামে সে। গোসলের একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে সিফাত।

এ সময় সিফাতকে ডুবে যেতে দেখে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন আলী হাসান। দ্রুত একটি বাঁশ ছুড়ে দিয়ে তাকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

পরে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাদের সহায়তায় সিফাতকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানা পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছায়। এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, নিহত কিশোরের মরদেহ হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%