০৭:০১ পি.এম
আজকের প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তিনি তারেক রহমান।
সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে একটি বাণী প্রদান করেন এবং এতে বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতিবছর সামগ্রিকভাবে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন এই দিবসটি পালন করে।
আরও পড়ুন: সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের
তিনি লিখেন, দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী। বর্তমান বিশ্বের চিত্রে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং এটি অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি মূল ভিত্তি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সত্যিই সময়োপযোগী।
তারেক রহমান আরো লিখেন, বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠেছেন। তারা পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের প্রতি এই উৎপাদনের সম্ভাব্য প্রভাবগুলোও বিবেচনা করেন। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার মধ্যে টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অ্যাক্রেডিটেশন হল একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, বরং এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসাবে কাজ করছে। এর মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরও গ্রহণযোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা দিচ্ছে। এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ করে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী লিখেন, আমি আশা করি, ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। আমি ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে প্রধানমন্ত্রীর আশা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন