ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লোকালয়ে কুমিরের দেখা, ভয়ে নদীপাড়ের মানুষ


লোকালয়ে কুমিরের দেখা, ভয়ে নদীপাড়ের মানুষ

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি পাড়া মসজিদঘাট এলাকার মেঘনা নদী থেকে একটি কুমির লোকালয়ে চলে আসার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত সাত দিনে অন্তত চারবার কুমিরটিকে নদীর তীর এবং জনবসতির কাছাকাছি দেখা গেছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার প্রথম কুমিরটিকে মাছ ধরার সময় দেখতে পান জেলেরা। এরপর শুক্রবার এবং সর্বশেষ সোমবার বিকেলে একই এলাকায় কুমিরটিকে রোদ পোহাতে দেখা যায়। সোমবার যখন এটি লোকালয়ের আরও কাছে চলে আসে, তখন স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বৃদ্ধি পায়।

স্থানীয় বাসিন্দা রহমত আলী বলেন, "ঘাটের পাশে বাঁশঝাড়ের নিচে কুমিরটিকে শুয়ে থাকতে দেখেছি। আকার অনেক বড় হওয়ায় কেউ কাছে যাওয়ার সাহস পাইনি।"

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

এই ঘটনার পর স্থানীয়রা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নদীতে নামা, সাঁতার কাটা এবং মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। অনেকেই নদীর তীরে পাহারা দিচ্ছেন যেন কেউ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যায়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জেসমীন আক্তার বলেন, নদীতে পলি জমে নাব্যতা কমে যাওয়া, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন, পরিবেশ দূষণ এবং আবাসস্থলের পরিবর্তনের কারণে কুমিরটি খাবারের সন্ধানে বা দিকভ্রান্ত হয়ে লোকালয়ের কাছে চলে এসে থাকতে পারে।

আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুর রহমান জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ইউনিটকে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল না আসা পর্যন্ত সবাইকে নদীর তীর থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, মেঘনা নদীর পরিবেশ রক্ষা, অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত কুমিরটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি করলেন বাবা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমির খানের স্ত্রী গৌরীর সম্পদের পরিমাণ কত জানেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


আমির খানের স্ত্রী গৌরীর সম্পদের পরিমাণ কত জানেন?

সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল রোববার (৫ জুলাই) বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান তৃতীয় বিয়ে সারলেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায়, নিজের বাড়িতে খুব সামান্য পরিবেশে সম্পন্ন হয় আমির ও গৌরীর আইনি বিয়ের অনুষ্ঠান।

বিয়ের পর, সবার আগ্রহ এখন আমির খানের তৃতীয় স্ত্রী গৌরীর ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পদের পরিমাণ নিয়ে। ফ্যাশন স্টাইলিস্ট ও উদ্যোক্তা গৌরী স্প্র্যাটের ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পদের পরিমাণ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাজিকব্রিক্সের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গৌরী স্প্র্যাটের মোট সম্পদের পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ২৪ থেকে ৪০ কোটি রুপি। তিনি ফ্যাশন স্টাইলিং, বিউটি সেলুন ব্যবসা এবং বিভিন্ন বিনিয়োগের মাধ্যমে এই সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

গৌরী স্প্র্যাট বর্তমানে ৪৭ বছর বয়সী। তিনি ভারতের বেঙ্গালুরুতে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা সেখানে একটি জনপ্রিয় বিউটি সেন্টারের পরিচালনা করেন। এই পারিবারিক পরিবেশ থেকেই সৌন্দর্য এবং ফ্যাশন শিল্পের প্রতি তার উৎসাহ তৈরি হয়েছে। বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি পোশাক ডিজাইন এবং টেক্সটাইল ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

২০০৭ সালে গৌরী ভারতের পরিচিত বিউটি সেলুন চেইন 'বিব্লান্ট' এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বর্তমানে তিনি মুম্বাইয়ে এই প্রতিষ্ঠানের একটি শাখা পরিচালনা করছেন। এছাড়া, আমির খান প্রোডাকশনের বিভিন্ন সৃজনশীল প্রকল্পেও তিনি পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন।

গৌরীর শিক্ষাজীবন শুরু হয় ভারতের উটির ব্লু মাউন্টেন স্কুলে এবং পরে তিনি যুক্তরাজ্যে যান। ২০০৪ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অব দ্য আর্টস লন্ডন থেকে ফ্যাশন স্টাইলিং এবং ফটোগ্রাফিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

পারিবারিক দিক থেকেও গৌরীর পরিচিতি বৈচিত্র্যময়। তার বাবা রবার্ট স্প্র্যাট তামিল-ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত এবং তার মা রীতা স্প্র্যাট পাঞ্জাবি-আইরিশ বংশোদ্ভূত।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ৬১ বছর বয়সী আমির খান মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে গৌরী স্প্র্যাটকে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে করেন। তারা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে একে অপরের সঙ্গে ছিলেন। গত বছর, নিজের ৬০তম জন্মদিনে, আমির প্রথমবারের মতো গৌরীকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশনের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


১০ লাখ মানুষের ছানি অপারেশনের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে ছানি অপারেশনের অভাবে দৃষ্টিহীন হয়ে পড়া প্রায় ১০ লাখ মানুষের অন্ধত্ব দূর করার লক্ষ্যে এক বিশাল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার।

আজকের দিন, সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অন্ধত্ব প্রতিরোধ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহী পিটার হল্যান্ডের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

তিনি জানিয়েছেন, ‘একই সময়ে সরকার আগামী নভেম্বর মাসে অ্যান্টিগায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এ আয়োজক দেশ অ্যান্টিগার সঙ্গে বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘কো-হোস্ট’ হিসেবে অংশগ্রহণ করবে, যেটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছেন।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এই সময়ে প্রায় ১০ লাখ মানুষ চোখের ছানি অপারেশনের অভাবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বা অন্ধত্ব ভোগ করছেন। এই বিশাল জনগণের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সরকার কর্তৃক গৃহীত প্রধান লক্ষ্য।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই ১০ লাখ মানুষের জন্য আমরা দেশব্যাপী সুলভ মূল্য এবং বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের উদ্যোগ নিচ্ছি। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার ইতোমধ্যে বাজেটে চোখের ছানি অপারেশনের জন্য লেন্সের ওপর থেকে কর (ট্যাক্স) কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে চোখের ছানি অপারেশনের খরচ নির্ধারিতভাবে অনেক কমে যাবে, যা দরিদ্র মানুষের চিকিৎসায় বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে।’

নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল সামিটের প্রসঙ্গে, প্রতিমন্ত্রী জানান যে, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীদের নিয়ে এই প্রথমবারের মতো একটি বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলন হতে যাচ্ছে এবং এই সম্মেলনে বাংলাদেশ কো-হোস্ট হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেবে।’

এছাড়া, গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলপড়ুয়া শিশুদের চোখের সুরক্ষার বিষয়েও সরকারের নতুন পরিকল্পনার খবর জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলে অনেক শিশু চশমা ও চোখ পরীক্ষার অভাবে সঠিকভাবে দেখতে পাচ্ছে না, যা তাদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে। প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে বিশেষ উদ্বেগ রয়েছে এবং তিনি আইএপিবি-কে শিশুদের চোখ পরীক্ষা ও চশমা বিতরণে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন। আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটিও আমাদের পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছে।’

আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহী পিটার হল্যান্ড বলেন, ‘২ নভেম্বর অ্যান্টিগায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই গ্লোবাল সামিট, যা বিশ্বনেতাদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের নিজ নিজ দেশের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে উপস্থিত হবেন।’

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকে বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার অগ্রণী হিসেবে উল্লেখ করে, পিটার হল্যান্ড জানান, ‘বিশ্বজুড়ে চোখের দৃষ্টি সুরক্ষায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং জাতিসংঘে দৃষ্টিশক্তি বিষয়ক প্রথম ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি বাংলাদেশ স্পন্সর করেছে। দশকের পর দশক ধরে এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসনীয়।’

আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহী এই বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন যে, ‘বাংলাদেশে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার আমূল পরিবর্তনে সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। বিশেষত, দেশের ছানি অপারেশন সেবার মান উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কাছে চশমা পৌঁছানোর মত প্রোগ্রামে গুরুত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চলমান রয়েছে।’

আগামী নভেম্বরের গ্লোবাল সামিটে বাংলাদেশের শক্তিশালী অংশীদারিত্ব ও সহ-আয়োজকের ভূমিকা দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পিটার হল্যান্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুর পৌরসভা দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


পিরোজপুর পৌরসভা দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

দুর্নীতি, অনিয়ম এবং দলীয় কোন্দলের কারণে বিগত কয়েক বছরে পিরোজপুর পৌরসভার সড়কগুলোতে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও এখানে অধিকাংশ সড়ককে দেখে মনে হবে গ্রামের কোনো কাদা-মাটির রাস্তা। বড় বড় খানাখন্দে পানি জমে রাস্তাগুলো এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভার মোট ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ২৬০ কিলোমিটার সড়কই বর্তমানে ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে চরম ভোগান্তির মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে লক্ষাধিক পৌরবাসীকে, এবং সড়কে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায় যে, ১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয় পিরোজপুর পৌরসভা। তবে সময় অনেক গড়ালেও নাগরিক সুবিধা এখানে একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে আছে। পৌরসভায় মোট ৩৫০ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে, যার ৯০ শতাংশ রাস্তাই ভাঙা এবং বেহাল। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগ আর ভোগান্তি এখন নিত্যদিনের সঙ্গী পৌর এলাকায় বসবাস করা লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে।

বর্তমানে এই ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে কাঁচা সড়ক রয়েছে ৩৫-৪০ কিলোমিটার এবং চলাচলের উপযোগী মাত্র ৯০ কিলোমিটার রয়েছে। বাকি ২৬০ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

পৌরসভার রায়েরকাঠি এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফজলুল হক সিকদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'পৌরসভার ভিতরে যতগুলি রাস্তা রয়েছে, অধিকাংশ রাস্তা ভাঙা এবং খানাখন্দে ভরা। আমরা পৌরবাসী বছরের পর বছর দুর্ভোগ নিয়ে চলাফেরা করি। ভাঙা রাস্তায় রিকশা কিংবা অটোতে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। কবে নাগাদ রাস্তাগুলি ভালো হবে, তা হয়তো আমরা দেখে যেতে পারব না।'

একই ধরনের ভুক্তভোগী পৌরসভার পালপাড়া এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ডিম ব্যবসায়ী সিরাজুল। তিনি কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, 'আমি দীর্ঘদিন ধরে দোকানে পাইকারিভাবে ডিম সরবরাহ করে থাকি। কিন্তু ভ্যানে করে ডিম নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভাঙার কারণে ঝাঁকিতে ঝাঁকিতে প্রতিদিন ৮-১০টা ডিম ভেঙে যায়। যার ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই। পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তা খারাপ থাকায় প্রতিনিয়ত ভ্যানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়। ফলে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখছি না।'

পৌরসভার এই বেহাল দশার জন্য কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন সাধারণ পৌরবাসী। তবে এই বিষয়ে পিরোজপুর পৌর প্রশাসক মাহামুদুর রহমান মামুন জানান, পর্যাপ্ত ফান্ড কিংবা বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি নাগরিক সুবিধা কিছুটা ব্যাহত হওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, 'বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সুবিধা। নতুন বরাদ্দ পেলে দ্রুত সড়ক মেরামত করে পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিনেমা নিষিদ্ধের পর ডাউনলোড কপি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান দিলেন দিলজিৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


সিনেমা নিষিদ্ধের পর ডাউনলোড কপি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান দিলেন দিলজিৎ

চার বছরের প্রচেষ্টার পর সিনেমাটি বানিয়েছেন দিলজিৎ। তিন বছর সেন্সরে আটকে থাকার পর, মুক্তি দিতে লাগল সাত বছর। কিন্তু এত সময় অপেক্ষার পর মুক্তির পর সিনেমাটি সাত দিন চলল না। তিন দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধ করা হলো পাঞ্জাবী গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জের সিনেমা ‘সাতলুজ’। এর ফলে এই সিনেমার ডাউনলোড কপি ভক্তদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বললেন দিলজিৎ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, গত ৩ জুলাই ওটিটি মাধ্যম জি ফাইভে মুক্তি পায় দিলজিতের ‘সাতলুজ’। মাত্র তিন দিন না যেতেই রবিবার ভারতে ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ওটিটি মাধ্যম একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতি’র কথা মাথায় রেখে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ‘সাতলুজ’ প্রদর্শন করতে পারছে না।

এদিকে, দিলজিৎ এই বিষয়টি নিয়ে হতাশ নয়। তিনি মনে করেন, ইতোমধ্যে অনেক দর্শকের কাছে পৌঁছে গেছে ‘সাতলুজ’। অনেকেই সিনেমাটি ডাউনলোড করে রেখেছেন। তাদের উদ্দেশ্যে এই গায়ক ও অভিনেতা সিনেমাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে হতাশ না হলেও দিলজিৎ ক্ষুব্ধ। তার অভিযোগ, ১৯৯৫ সাল থেকে পাঞ্জাবের কণ্ঠ রোধের প্রচেষ্টা চলছে। ২০২৬ সালে এসেও চিত্র বদলাল না। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন ‘সাতলুজ’ সরিয়েও কণ্ঠ থামানো যাবে না। কারণ, সিনেমার গল্প অনেকের কাছে পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, ‘গত তিন-চার বছর ধরেই এই ছবি মুক্তির জন্য লড়াই করছি। আমি কারও কাছে গিয়ে সমর্থন চাইনি। পঞ্জাবি ইন্ডাস্ট্রি বা বলিউডের কাউকেই বলিনি, আমাদের সিনেমার মুক্তিতে সাহায্য করুন। এই লড়াই আমরা নিজেরাই লড়েছি।

মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিংহ খালরার জীবন নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে এই সিনেমা। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন দিলজিৎ। এছাড়া আরও আছেন অর্জুন রামপাল, সুবিন্দর ভিকি, কানওয়ালজিৎ সিং প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%