প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার বছরের প্রচেষ্টার পর সিনেমাটি বানিয়েছেন দিলজিৎ। তিন বছর সেন্সরে আটকে থাকার পর, মুক্তি দিতে লাগল সাত বছর। কিন্তু এত সময় অপেক্ষার পর মুক্তির পর সিনেমাটি সাত দিন চলল না। তিন দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধ করা হলো পাঞ্জাবী গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জের সিনেমা ‘সাতলুজ’। এর ফলে এই সিনেমার ডাউনলোড কপি ভক্তদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে বললেন দিলজিৎ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, গত ৩ জুলাই ওটিটি মাধ্যম জি ফাইভে মুক্তি পায় দিলজিতের ‘সাতলুজ’। মাত্র তিন দিন না যেতেই রবিবার ভারতে ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ওটিটি মাধ্যম একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, ‘বর্তমান পরিস্থিতি’র কথা মাথায় রেখে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ‘সাতলুজ’ প্রদর্শন করতে পারছে না।
এদিকে, দিলজিৎ এই বিষয়টি নিয়ে হতাশ নয়। তিনি মনে করেন, ইতোমধ্যে অনেক দর্শকের কাছে পৌঁছে গেছে ‘সাতলুজ’। অনেকেই সিনেমাটি ডাউনলোড করে রেখেছেন। তাদের উদ্দেশ্যে এই গায়ক ও অভিনেতা সিনেমাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে হতাশ না হলেও দিলজিৎ ক্ষুব্ধ। তার অভিযোগ, ১৯৯৫ সাল থেকে পাঞ্জাবের কণ্ঠ রোধের প্রচেষ্টা চলছে। ২০২৬ সালে এসেও চিত্র বদলাল না। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন ‘সাতলুজ’ সরিয়েও কণ্ঠ থামানো যাবে না। কারণ, সিনেমার গল্প অনেকের কাছে পৌঁছে গেছে।
তিনি বলেন, ‘গত তিন-চার বছর ধরেই এই ছবি মুক্তির জন্য লড়াই করছি। আমি কারও কাছে গিয়ে সমর্থন চাইনি। পঞ্জাবি ইন্ডাস্ট্রি বা বলিউডের কাউকেই বলিনি, আমাদের সিনেমার মুক্তিতে সাহায্য করুন। এই লড়াই আমরা নিজেরাই লড়েছি।
মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিংহ খালরার জীবন নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে এই সিনেমা। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন দিলজিৎ। এছাড়া আরও আছেন অর্জুন রামপাল, সুবিন্দর ভিকি, কানওয়ালজিৎ সিং প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন