বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:০৬ পি.এম
অংশারিক্ত জমি নামজারি করেই বিক্রির জন্য তোরজোর করার অভিযোগ উঠেছে আবুল কালাম পাটোয়ারী নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
এবিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমির কাছে লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন এক সহঅংশীদার এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছে অভিযোগকারী।
অভিযোগ ও কাগজপত্র পর্যালোচনায় জানাযায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নায়েরগাও উত্তর ইউনিয়নের কাচিয়ারা মৌজার বিএস ২৬ নং খতিয়ানের ৪৯৯১ নং দাগসহ অন্যান্য দাগে আইয়ুব আলী পাটোয়ারীসহ একাদিক ব্যাক্তির নাম রয়েছে। তবে ছাদেক পাটোয়ারীর নিকট হতে কিছু সম্পত্তি ১৯৮৪ইং সালে হনুফা বেগম ও পরে হনুফা বেগম থেকে ২০১৫ইং সালে একই সম্পত্তি আবুল কালাম পাটোয়ারী দলিল মূলে সাবেক ১৫৫৫নং দাগে মালিক হয়। তবে বিএস খতিয়ান সৃষ্টি কালে সাবেক ১৫৫৫ দাগে ৩.৯৪০০ শকত সম্পত্তি বিএস কয়েকটি দাগ ও খতিয়ানে ছাদেকসহ একাদিক ব্যাক্তির নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এরইমধ্যে আবুল কালাম পাটোয়ারী ছাদেক আলীর অংশ নামজারি খতিয়ান করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের মাধ্যমে একটি দাগ হতে নামজারি ৮০৩৭/২৬ইং খতিয়ান সৃজন করে নেন। কোনরকম আপোষ বন্টন কাগজ বা অংশীদারদের নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করন ছাড়াই। যা বিএস ২৬ নং খতিয়ানভুক্ত ৪৯৯১নং দাগের সমুদ্বয় সম্পত্তি। পরবর্তীতে সহঅংশীদার জসিমউদদীন পাটোয়ারী জানতে পারে এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট লিখিত আপত্তি দাখিল করেন। এদিকে আবুল কালাম পাটোয়ারী নাম জারির কপি হাতে পেয়েই জমি বিক্রির জন্য তোরজোর শুরু করেছে বলে জানায় অভিযোগকারী।
অভিযুক্ত আবুল কালাম পাটোয়ারী বলেন, সাবেক দাগের চৌহুদ্দি এবং অন্যান্য অংশীদারগন অন্য দাগ খতিয়ানে দখলে থাকা কোন আপত্তি না থাকার কারণেই আমি একটি দাগের সমুদ্বয় সম্পত্তি খারিজ নিয়েছি। এছাড়াও আপত্তিকারী নিজেও এইদাগের সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে।
জসিমউদদীন পাটোয়ারী বলেন, আপত্তির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না আসার আগে পূর্বে জমি হস্তান্তর হলে আরোও আইনি জটিলতাসহ অপৃতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তাই প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দায়িত্ব পালন করে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে বিনীত কুমার দুবে (৪৬) নামের একজন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সদস্য নিহত হয়েছেন।
এটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) গভীর রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকায়। এই স্থানটি বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমানার কাছে অবস্থিত।
নিহত বিনীত কুমার দুবে (৪৬) বিএসএফের ৭১ ব্যাটালিয়নের হেড কনস্টেবল ছিলেন। তিনি উত্তরপ্রদেশের কনৌজ জেলার বাসিন্দা এবং মুর্শিদাবাদের বাবুরা ঘাট সীমান্ত চৌকিতে (বিওপি) কাজ করছিলেন। ঘটনাকালীন তিনি সীমান্ত টহল দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে মিথিপুর এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন একটি অরক্ষিত অংশে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এ সময় সেখানে প্রবল বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন ঘন বজ্রপাত শুরু হয়। সীমান্তের ‘জিরো লাইন’-এর কাছাকাছি দাঁড়িয়ে নজরদারি করার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি আহত হন। ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে মিথিপুর ক্যাম্পে নিয়ে যান। এরপর দ্রুত জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় প্রবাসীর ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের ভাগিনা সেলিম বেপারী। তিনি অভিযোগ করেন, প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদার ২০২৪ সালে ডাসার উপজেলার দক্ষিণ ভাউতলী এলাকায় ১০১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জমিটি বালু দিয়ে ভরাট করা হয়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৫০০টি ফলদ গাছ, দুটি টিনের পাকা বসতঘর, একটি শেড ঘর এবং পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্থানীয় নুর জাহান বেগম, দেলোয়ার বেপারী, জানে আলম বেপারী, ইব্রাহিম বেপারী, শাহ আলম বেপারী ও সাকিব বেপারীসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান, মিথ্যা মামলা দায়ের এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।
প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের স্ত্রী মুর্শেদা বেগম বলেন, “আমার স্বামী প্রবাসে কষ্ট করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে জমিটি ক্রয় করেছেন। সেখানে আমরা একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু স্থানীয় কিছু ব্যক্তি আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের বাবা নুরু সরদার, মা মনোয়ারা বেগম, স্ত্রী মুর্শেদা বেগম, ছেলে মুরাদ সরদার, ভাগিনা সেলিম বেপারী, রফিকুল ইসলাম রফি, নুর আলম ফকির, সিরাজ ফকির, ওসমান সরদারসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলামের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবগঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএসসিসির জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকার বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলাম।
অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়।
এই পরিদর্শনকালে ২টি নির্মাণাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭০ ধারা অনুযায়ী ভবনের প্রত্যক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া ডেঙ্গুর লার্ভা থাকায় লাল কালি চিহ্নিত বিশেষ সতর্কতামূলক লিফলেট ভবনের প্রবেশপথে সেঁটে দেওয়া হয়।
পরিদর্শনের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ ও ময়লা জমে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ও বাসিন্দাদের সর্তক করা হয়।
এ ছাড়া যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে পথচারী ও ব্যবসায়ীগণকে সচেতন করা হয়।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলাম বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়; জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল উদ্দেশ্য। আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।’
তিনি আরো জানান, এই টাস্কফোর্সের অভিযান জাতীয় কমিটির অধীনে রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখার বিনীত অনুরোধ করেন।
যাত্রাবাড়ির দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিককে হুইলচেয়ারে দেখা যাওয়ার পর ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অলকা ইয়াগনিককে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং চলাফেরার জন্য অন্যের সহায়তা নিতে হচ্ছে।
সম্প্রতি (২৩ জুন) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অলকা ইয়াগনিক দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণের পরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় অলকা ইয়াগনিক জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি একটি কঠিন শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন। এ সময় ভক্তদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সমর্থনই তাকে শক্তি জুগিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে অলকা বলেন, এই সম্মান শুধু তাঁর একার নয়, বরং তাঁর সব শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরও। তিনি জানান, ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার পথে এগোচ্ছেন এবং ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
এদিকে, ২০২৪ সালের জুনে অলকা ইয়াগনিক জানান, একটি বিমানযাত্রা শেষে হঠাৎ করেই তিনি শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলেন। পরে চিকিৎসকেরা তাঁর বিরল শ্রবণজনিত রোগ শনাক্ত করেন। এর পর থেকেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং সংগীতজগৎ থেকে কিছুটা দূরে আছেন।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয় জয় করে আসা এই কিংবদন্তি শিল্পীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে তাঁর কোটি ভক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ