রিপোর্ট-শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি ও ডাসার প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:০৯ পি.এম
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় প্রবাসীর ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের ভাগিনা সেলিম বেপারী। তিনি অভিযোগ করেন, প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদার ২০২৪ সালে ডাসার উপজেলার দক্ষিণ ভাউতলী এলাকায় ১০১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জমিটি বালু দিয়ে ভরাট করা হয়। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৫০০টি ফলদ গাছ, দুটি টিনের পাকা বসতঘর, একটি শেড ঘর এবং পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্থানীয় নুর জাহান বেগম, দেলোয়ার বেপারী, জানে আলম বেপারী, ইব্রাহিম বেপারী, শাহ আলম বেপারী ও সাকিব বেপারীসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি জমি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান, মিথ্যা মামলা দায়ের এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।
প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের স্ত্রী মুর্শেদা বেগম বলেন, “আমার স্বামী প্রবাসে কষ্ট করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে জমিটি ক্রয় করেছেন। সেখানে আমরা একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু স্থানীয় কিছু ব্যক্তি আমাদের কাজে বাধা দিচ্ছেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী মেহেদী হাসান কুদ্দুস সরদারের বাবা নুরু সরদার, মা মনোয়ারা বেগম, স্ত্রী মুর্শেদা বেগম, ছেলে মুরাদ সরদার, ভাগিনা সেলিম বেপারী, রফিকুল ইসলাম রফি, নুর আলম ফকির, সিরাজ ফকির, ওসমান সরদারসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলামের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবগঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএসসিসির জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকার বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলাম।
অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়।
এই পরিদর্শনকালে ২টি নির্মাণাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭০ ধারা অনুযায়ী ভবনের প্রত্যক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া ডেঙ্গুর লার্ভা থাকায় লাল কালি চিহ্নিত বিশেষ সতর্কতামূলক লিফলেট ভবনের প্রবেশপথে সেঁটে দেওয়া হয়।
পরিদর্শনের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ ও ময়লা জমে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ও বাসিন্দাদের সর্তক করা হয়।
এ ছাড়া যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে পথচারী ও ব্যবসায়ীগণকে সচেতন করা হয়।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলাম বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়; জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল উদ্দেশ্য। আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।’
তিনি আরো জানান, এই টাস্কফোর্সের অভিযান জাতীয় কমিটির অধীনে রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখার বিনীত অনুরোধ করেন।
যাত্রাবাড়ির দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিককে হুইলচেয়ারে দেখা যাওয়ার পর ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অলকা ইয়াগনিককে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং চলাফেরার জন্য অন্যের সহায়তা নিতে হচ্ছে।
সম্প্রতি (২৩ জুন) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অলকা ইয়াগনিক দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণের পরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় অলকা ইয়াগনিক জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি একটি কঠিন শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন। এ সময় ভক্তদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সমর্থনই তাকে শক্তি জুগিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে অলকা বলেন, এই সম্মান শুধু তাঁর একার নয়, বরং তাঁর সব শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরও। তিনি জানান, ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার পথে এগোচ্ছেন এবং ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
এদিকে, ২০২৪ সালের জুনে অলকা ইয়াগনিক জানান, একটি বিমানযাত্রা শেষে হঠাৎ করেই তিনি শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলেন। পরে চিকিৎসকেরা তাঁর বিরল শ্রবণজনিত রোগ শনাক্ত করেন। এর পর থেকেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং সংগীতজগৎ থেকে কিছুটা দূরে আছেন।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতপ্রেমীদের হৃদয় জয় করে আসা এই কিংবদন্তি শিল্পীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে তাঁর কোটি ভক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় ফরিদ হোসেন নামে একজন যুবককে স্থানীয়রা পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। তিনি একটি রিভলভার ও ছয় রাউন্ড গুলির সাথে আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের কাবিল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তির বাড়ি হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের নদীরকুল মাঠপাড়ায়। তিনি মৃত বুড়ো মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে কাবিল মোড় এলাকায় ফরিদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। এরপর তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে একটি রিভলভার ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, ফরিদ কথিত শিপন বাহিনী’র একজন সক্রিয় সদস্য। তার কাছে আরো অস্ত্র থাকার ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। এ কারণে এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘একটি রিভলভার ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ একজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। আটকের কারণে আহত হয়ে ফরিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হওয়ার ফলে এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম পতন অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকারকদের উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও, তেলের দাম বর্তমানে ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্যে উল্লেখ করেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে, ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ০৬ ডলার বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৭২ দশমিক ৬৮ ডলারে নেমে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৭৬ সেন্ট বা ১ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৯ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমেছে।
এভাবে দুই ধরনের তেলের দামই ২৭ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রয়টার্স জানাচ্ছে, আগস্টের ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সেপ্টেম্বরের দামের তুলনায় কম ছিল। সেপ্টেম্বরে বিক্রির জন্য চুক্তিতে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ছিল ৭৩ দশমিক ৫৯ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, সেপ্টেম্বরের দামের তুলনায় আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য তেলের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি স্বল্পমেয়াদে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ইঙ্গিত ফুটিয়ে তুলছে।
আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক প্রতিবেদনে বলেন, দামের পতনের গতি অনেককে চমকে দিয়েছে। বাজারে ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
এদিকে বুধবারও ব্রেন্টের দাম ৩ ডলারের বেশি কমেছিল। একই দিনে ডব্লিউটিআইয়ের দামও প্রায় ৩ ডলার কমে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এক অনুষ্ঠানে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন এখন ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থার কাছাকাছি পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২ কোটি ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়েছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। কারণ প্রণালির কিছু অংশে এখনও মাইন অপসারণের কাজ বাকি রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে সাময়িক ছাড় পাওয়ার পর ইরানের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি পেতে পারে—এমন ধারণা বাজারে দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার শুরু হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আগামী ৬০ দিন আলোচনা চলবে।
এদিকে ট্যাংকার চলাচল সহজ করার জন্য বুধবার হরমুজ প্রণালিতে অস্থায়ী নৌপথ চালু করেছে ওমান। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) এবং ওমানের কর্তৃপক্ষ একযোগে জাহাজ চলাচল সমন্বয় করছে।
ম্যাককোয়ারি ব্যাংকের বিশ্লেষকদের ধারণা, পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে যাওয়ার পর তেলের দাম দ্রুত যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে ফিরে আসবে।
তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলার এবং ডব্লিউটিআইয়ের গড় দাম ৬২ ডলারে নেমে আসতে পারে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এই গড় দাম ছিল যথাক্রমে ৯৪ ও ৮৭ ডলার।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দেশটির মোট অপরিশোধিত তেলের মজুত ১৯৮৪ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। শোধনাগারের চাহিদা বৃদ্ধি এবং জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড় করাই এর প্রধান কারণ। তবে বাজারে এই তথ্যের তেমন প্রভাব পড়েনি, কারণ বিনিয়োগকারীদের মূল নজর ছিল হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির দিকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ