ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্ল্যাটে থেকেও রামিসাকে বাঁচাতে পদক্ষেপ নেননি স্বপ্না: বিচারক


ফ্ল্যাটে থেকেও রামিসাকে বাঁচাতে পদক্ষেপ নেননি স্বপ্না: বিচারক

রাজধানীর পল্লবীর ঘটনা নিয়ে বিচারক জানিয়েছেন যে, রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার সময় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ফ্ল্যাটে অবস্থান করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টার সময় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় দিতে শুরু করেন। প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রমাণিত বলে জানিয়ে বিচারক বলেন, সুরতহাল রিপোর্টে ধরা পড়েছে রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। তিনি আরো বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত। ফ্ল্যাটে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও রামিসাকে বাঁচাতে স্বপ্না কোনো পদক্ষেপ নেননি। স্বপ্নার সুযোগ থাকলেও তিনি প্রতিরোধের চেষ্টা না করে এই অমানবিক কাজ করেছেন। তাই স্বপ্নাও সোহেল রানার মত একই অপরাধে অপরাধী। তাদের অপরাধ সংশোধিত করার উপযোগী নয়। তাদের কাছে কোনো শিশু নিরাপদ নয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের (মা-বাবা) দেওয়া হবে। আসামিরা যদি এই ক্ষতিপূরণ না দেন, তাতে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে রামিসার পরিবারে দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এদিন বেলা ১১টার কিছুক্ষণ পরে বিচারক এজলাসে রায় পড়া শুরু করেন। রায় পাঠের সময়ে বিচারক মাসরুর সালেকীন বলেন, ‘ধর্ষণ শুধু পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে।’ এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার সময় প্রথমে স্বপ্নাকে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকার আদালতে নিয়ে আসা হয়। রায় ঘোষণার পূর্বে দুজনকে এজলাসে তোলা হয়েছিল। মামলার বিবরণ বলছে, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। এরপর সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর পৈশাচিকভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে রেকর্ড গড়ে মাত্র ৫ দিনের মাথায় (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছিল পুলিশ। এরপর ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পরে ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে আজ এই মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়া হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংকখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


ব্যাংকখাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে ব্যাংক খাতেও স্থিতিশীলতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, এ বিষয়ে মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি উল্লেখ করেন, সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংকিং খাতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার।

রোববার (৭ জুন) রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ব্যাংকখাতে সুশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যর মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী আরো জানান, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ব্যাংক খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসঙ্গতি তুলে ধরে গণমাধ্যম জনসচেতনতা তৈরিতে অবদান রেখেছে। এটি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় হতে হবে। অতীতে ভুল পরিসংখ্যান ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক চিত্র বিকৃত করা হয়েছে। তাই অর্থনীতির টেকসই বিকাশের স্বার্থে জবাবদিহিতামূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং খাতে সরকারের সংস্কার কমিশন গঠন করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি আরো বলেন, কিন্তু রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে গণমাধ্যম একা ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবে না।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, রাষ্ট্র যদি কোনো তথ্য বিকৃতি বা ম্যানিপুলেশনের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে বাস্তব চিত্র পরিবর্তন করা সহজ হয়ে যায়। তাই কোনো তথ্য প্রকাশের আগে সেটির পেছনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে কি না, সেটাও যাচাই করা প্রয়োজন। গণমাধ্যমকে এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ও সুযোগ দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজের আয়নার মতো। সেই আয়না যদি স্বচ্ছ না হয়, তবে তা জনগণের জন্য বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই প্রকৃত পরিস্থিতির প্রতিফলন ঘটাতে গণমাধ্যমকে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সেমিনারে বক্তারা জানান, ব্যাংক খাতের সুশাসনের সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। তাই এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সক্ষম ব্যাংকগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলার রায় কার্যকর নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


রামিসা হত্যা মামলার রায় কার্যকর নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য

রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে। রোববার (৭ জুন) রায় ঘোষণার পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ আশা জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, আইনি প্রতিটি ধাপ পার করেই রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। আমরা সবাই এই রায়ে সন্তুষ্ট। আগামীতে আশা করি এই রায়ের বিষয়টি উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে। রায় কার্যকর নিয়ে আইমন্ত্রী বলেন, আইনের স্তরগুলো পার না করে রায় কার্যকর করা হলে প্রশ্ন উঠবে। যেহেতু দোষী উচ্চ আদালতে যেতে চান, সেহেতু সরকার আইনি ধাপ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। তবে, সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, এই গোটা অমানবিক ঘটনা এবং তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা বিজ্ঞ আদালত প্রদান করার খবরে দেশের জন্য একটি বিশাল মাইলফলক হবে। এসময় মন্ত্রী জানান, রামিসা, আছিয়া, রাজন, রাকিবসহ স্পর্শকাতর ও আলোচিত শিশু হত্যা ও সহিংসতার মামলাগুলো উচ্চ আদালতে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের এই সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করা হয়। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এই অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারী (মা-বাবা) পাবেন। আসামিরা এই ক্ষতিপূরণ না দিলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে রামিসার পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এদিন বেলা ১১টার পর বিচারক এজলাসে রায় পড়া শুরু করেন। রায় পাঠকালে বিচারক মাসরুর সালেকীন বলেন, ‘ধর্ষণ শুধু পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে।’ বিচারক উল্লেখ করেন, সুরতহাল রিপোর্টে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে শিশু রামিসাকে হত্যা করার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে প্রধান আসামি সোহেল রানার দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও আদালতে সম্পূর্ণরূপে প্রমাণিত হয়েছে। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সকাল সাড়ে ৮টা দিকে প্রথমে স্বপ্নাকে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকার আদালতে আনা হয়েছিল। রায় ঘোষণা করার আগে দুজনকে এজলাসে তোলা হয়েছিল। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর পৈশাচিক উপায়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন। উল্লেখ্য, এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে রেকর্ড গড়ে মাত্র ৫ দিনের মাথায় (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছিল পুলিশ। এরপর ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ এই মামলার চূড়ান্ত রায় দেয়া হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন শুধু মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়নি বরং শিক্ষাব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে।’ রবিবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চীন মৈত্রী সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ‘গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। সামনের সম্ভাবনা দেখলে আমাদের মনোবল আরও বেড়ে যায়। আমাদের একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি এ কথাও বলেন, ‘শুধু একাডেমিক জ্ঞান নয়, মানবিক ও নৈতিক শিক্ষাও একজন শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভরতা, দক্ষতা ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’

তারেক রহমান বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা শেষ করেও অনেক শিক্ষার্থী বেকার থাকছে, যার মূল কারণ ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি। এ সমস্যা সমাধানে সরকার ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি–একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির জন্য ইনোভেশন গ্রান্ট ও ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা মনোভাব কাজে লাগাতে পারলে তারা শুধু নিজেদের নয়, অন্যদেরও কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধিরগঞ্জে আ. লীগ-যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


সিদ্ধিরগঞ্জে আ. লীগ-যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

 

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সদস্য। শনিবার (৬ জুন) রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জীবন (৩৪), আলম মিয়া (৩০), সোহেল মিয়া (৪৪), আয়নাল মিয়া (৪৫), এবং জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ (৩৫)। তারা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল-ডেমরা সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি নজরে আসার পর পুলিশের অভিযান শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে পরিচালিত অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে জীবন ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী, আয়নাল মিয়া ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য। এছাড়া মো. আলম এবং মো. সোহেল আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘শিমরাইল-ডেমরা সড়কে মিছিলের ঘটনায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%