সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৮ এম
চলতি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে লিভারপুল তাদের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ পেল। অন্যদিকে, মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ওল্ড ট্রাফোর্ডে বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে আরও বড় সংকটে পড়েছে।
লিভারপুল ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ব্রাইটনকে ২-০ গোলে পরাজিত করে প্রিমিয়ার লিগে তাদের প্রথম জয় নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের ১৭ মিনিটে ফ্লোরিয়ান উইর্টজের দূরপাল্লার শট ব্রাইটনের মিডফিল্ডার পাসকাল গ্রসের গায়ে লেগে গোলপোস্টে ঢুকে গেলে স্বাগতিকরা ভাগ্যক্রমে এগিয়ে যায়। গত ৫ সেপ্টেম্বরের পর এটি ছিল ব্রাইটনের লিগে প্রথম গোল হজম।
পাঁচ মিনিট পর আলেকজান্ডার আইজাক ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ডান দিক থেকে ব্র্যাডলি বারকোলার চমৎকার ক্রসে দুর্দান্ত ভলিতে মৌসুমে নিজের ষষ্ঠ গোলটি করেন এই সুইডিশ ফরোয়ার্ড।
এর আগে ব্রাইটনের ইয়াসিন আয়ায়ারি সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে লিভারপুল শুরুতেই পিছিয়ে পড়তে পারতো। দ্বিতীয় অর্ধেও অলরেড গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের ভুলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় ব্রাইটন; আয়ায়ারির শট বারে লেগে ফিরে আসে।
গ্রীষ্মে আর্নে স্লটের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর আন্দোনি আইরাওয়ালার অধীনে এটি লিভারপুলের প্রথম লিগ জয়। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট তালিকার পঞ্চম স্থান থেকে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে অলরেডরা। অন্যদিকে, হেরে যাওয়া ব্রাইটন তৃতীয় স্থানে বহাল রয়েছে।
অন্যদিকে, ঘরের মাঠে বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ গোলে হেরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার মাইকেল ক্যারিক তীব্র চাপে পড়েছেন। গত বুধবার কোমোর কাছে ৪-১ গোলে হারের পর ম্যানেজারের কৌশলের সমালোচনা করে অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ একাদশে জায়গা হারান। ক্যারিক এটিকে 'ফুটবলীয় সিদ্ধান্ত' বললেও ফার্নান্দেসকে পুরো ৯০ মিনিট বেঞ্চে কাটাতে হয়।
বোর্নমাউথ প্রথম লিড নেয় জাস্টিন ক্লুইভার্টের ফ্রি-কিক থেকে। দূরের পোস্টে ফাঁকায় থাকা রায়ান চমৎকার ভলিতে গোলরক্ষক সেনে লামেন্সকে পরাস্ত করেন। প্রথমার্ধের বিরতির ঠিক দুই মিনিট আগে লেনি ইয়োরোর ভুলকে কাজে লাগিয়ে মারকাস ট্যাভারনিয়ার ব্যবধান ২-০ করেন।
দ্বিতীয় অর্ধে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আত্মরক্ষামূলক ভুলের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন এভানিলসন। ব্যাকলাইন ও গোলরক্ষকের সমন্বয়হীনতার সুযোগে তিনি বল খালি পোস্টে পাঠাতে ভুল করেননি।
বোর্নমাউথ এই টানা চার জয়ে পয়েন্ট তালিকায় ১৩ নম্বরে উঠে এসেছে। বিপরীতে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টানা ৮ ম্যাচ জয়হীন হয়ে ৮ ম্যাচে মাত্র ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ১৬তম স্থানে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তথ্যটি রোববার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের এক হালনাগাদ নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গত ২৩ অক্টোবর থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবে বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং যাতায়াতব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া, দূতাবাস আরো সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান সংঘাত দ্রুত সংশ্লিষ্ট এলাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও অন্যান্য এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে হুথিরা। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর গত জুলাইয়ে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আবারও সংঘাতে জড়ায় গোষ্ঠীটি। বিমান চলাচলের পাশাপাশি সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, বিমানবন্দরটি থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং সৌদি বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে।
তবে বিমানবন্দর ব্যবহারকারী মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরো হামলা, আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সৌদি আরবের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারি কর্মীদের এখন বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।
বিমানবন্দর আংশিকভাবে চালুর পরও সেখানে হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীটির দাবি, বিমানবন্দরটি এখনো তাদের সামরিক লক্ষ্যবস্তু। গত ১০ অক্টোবর হুথিদের হামলায় ১৩ জন নিহত ও কয়েক শ মানুষ আহত হওয়ার পর বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে রোববারও হুথিদের ছোড়া অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে সৌদি আরব। ফলে বিমানবন্দর চালু হলেও দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রোববার গভীর রাতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দুই দেশের একাধিক প্রদেশে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানায়, ভূমিকম্পের ফলে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, নানগারহারসহ আশপাশের কিছু প্রদেশ কেঁপে ওঠে। সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, সেখানে এখনও পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ২ ছিল।
অন্যদিকে, পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তরের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও গভীরতা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ৪৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসাসেবার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বিভিন্ন সমস্যার কারণে রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ডাক্তারদের অভাব, ওষুধের সংকট, জরাজীর্ণ ভবন, ভাঙা দরজা-জানালা, এবং রোগীদের মলমূত্র ত্যাগের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ১২টি ইউনিয়নের পাঁচ লাখ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকার কারণে এসব ক্লিনিকের অবস্থা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ত্রিশাল উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের অবহেলা, অযত্ন এবং নিয়মিত তদারকির অভাবে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। ক্লিনিকগুলোর ভগ্নদশা দেখে মনে হচ্ছে, চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বদলে এসব জরাজীর্ণ ভবন এখন জরুরি ‘চিকিৎসা’ বা সংস্কার প্রয়োজন।
ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, ১২টি ইউনিয়নে জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০১ সালের মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ৪৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লিনিক থেকে গড় সাত হাজার মানুষ মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিকল্পনা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি বিষয়ক তথ্য ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ পাওয়ার কথা। ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ি, বৈলর, কাঁঠাল, কানিহারী ও রামপুর ইউনিয়নে ক্লিনিকের সংখ্যা বেশি। কিন্তু বহু বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে অধিকাংশ ক্লিনিক কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা হারিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়নে দেখা যায়, ৪৮টি ক্লিনিকের বেশিরভাগই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। অনেক ভবনের ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে, বৃষ্টির দিনে ছাদ চুইয়ে ভেতরে পানি পড়ে মেঝে ভেসে যায়। কিছু ভবনের দরজা-জানালা অনেক আগেই ভেঙে পড়েছে। বেশ কিছু ক্লিনিকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আবার যেখানে বিদ্যুৎ আছে, সেখানেও ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে ফ্যান ঝুলানো সম্ভব হচ্ছে না। বেশিরভাগ ক্লিনিকে রোগীদের জন্য খাবার পানির কোনো ব্যবস্থা নেই, এবং শৌচাগারগুলো নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত বসার জায়গা না থাকায় অসুস্থ মানুষ ও গর্ভবতী নারীদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। একই সঙ্গে সরকারিভাবে সরবরাহ করা ওষুধের কার্টনগুলোও জরাজীর্ণ ভবনের স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে পড়ে রয়েছে।
কানিহারি বালিদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা মারজিয়া খাতুন জানান, তিনি অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে সেবা নিতে এসেছিলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাচ্চার গায়ে খুব জ্বর, ওষুধ নিতে আসছিলাম। কিন্তু ভেতরে ঢুকতেই গা ছমছম করে। ছাদ থেকে সিমেন্টের টুকরা খসে খসে শরীরে পড়ছে। বৃষ্টি হলে তো দাঁড়িয়ে থাকার উপায় থাকে না, পানি চুইয়ে গায়ে পড়ে। আমরা গরিব মানুষ, শহরে ডাক্তার দেখানোর টাকা নাই বলে এখানে আসছি। কিন্তু এমন ভাঙা ঘরে ডাক্তার-রোগী দুজনেরই তো প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া এসেও লাভ হয় না, কারণ গ্যাস্ট্রিক আর প্যারাসিটামল ছাড়া বেশিরভাগ সময় কোনো ওষুধই পাওয়া যায় না। এসে শুনি সাপ্লাই শেষ। বাধ্য হয়ে গ্রামের ফার্মেসি থেকে ধারদেনা করে ওষুধ কিনে নিতে হয়।
মঠবাড়ি ইউনিয়নে চিকিৎসা নিতে আসা মুস্তাফিজ বলেন, আমি চেকআপ করানোর জন্য এসেছিলাম। ভেতরে গিয়ে দেখি বসার কোনো ভালো জায়গা নাই, শৌচাগার এত নোংরা যে, ব্যবহার করার উপায় নেই। ডাক্তার নেই, প্রতি সপ্তাহে ডাক্তার একদিন আসেন। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী জানান, প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে জেনেও তারা সেবা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সেই সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এবং সঠিক সময়ে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় রোগীদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় আমাদের। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য কেউ নেই। ক্লিনিকে তালা খোলা থেকে শুরু করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ সবকিছু স্বাস্থ্যকর্মীদের করতে হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউল বারী বলেন, ক্লিনিকগুলোর ওষুধ মূলত ট্রাস্ট থেকে সরবরাহ করা হয়। কার্টন আকারে যা বরাদ্দ পাওয়া যায়, তা শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী বরাদ্দ আসার আগ পর্যন্ত কিছুটা ঘাটতি দেখা দেয়। বর্তমানে ত্রিশালের ৪৮টি ক্লিনিকের মধ্যে প্রায় ৩০-৩২টি ভবনই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব জীর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে চাহিদা ও তালিকা পাঠিয়েছি। সংস্কারের জন্য কোনো বরাদ্দ আসে কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে আসে না। সরাসরি স্বাস্থ্য হেলথ প্রকৌশল বিভাগে এলে সিলেক্ট করে তারা কাজগুলো করে থাকে। এ বিষয়ে চার-পাঁচবার প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেছেন তার পুত্রবধূ। শ্বশুরের মৃত্যুর খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্যের দাবি, শোক সইতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে মারা যান মো. মফিজুর রহমান মফিজ মিয়া। তার মৃত্যুর খবর শুনে ছেলে আলমগীর হোসেনের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মফিজ মিয়া সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া গ্রামের মরহুম হাজী হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় আজিজিয়া কচ্ছপ মার্কেট জামে মসজিদ মাঠে মফিজ মিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, তার পুত্রবধূর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বাবার বাড়িতে।
চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মফিজ মিয়া খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে পুত্রবধূ স্ট্রোক করে মারা গেছেন। একই পরিবারের এক দিনের ব্যবধানে দুজনের মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ