ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী


ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদী শাসন শুধু মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয়নি বরং শিক্ষাব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে।’ রবিবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চীন মৈত্রী সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, ‘গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। সামনের সম্ভাবনা দেখলে আমাদের মনোবল আরও বেড়ে যায়। আমাদের একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি এ কথাও বলেন, ‘শুধু একাডেমিক জ্ঞান নয়, মানবিক ও নৈতিক শিক্ষাও একজন শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভরতা, দক্ষতা ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’

আরও পড়ুন: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক আদালত এগিয়ে যাচ্ছে: ডেপুটি প্রসিকিউটর

তারেক রহমান বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা শেষ করেও অনেক শিক্ষার্থী বেকার থাকছে, যার মূল কারণ ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি। এ সমস্যা সমাধানে সরকার ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি–একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির জন্য ইনোভেশন গ্রান্ট ও ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তরুণদের সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা মনোভাব কাজে লাগাতে পারলে তারা শুধু নিজেদের নয়, অন্যদেরও কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিদ্ধিরগঞ্জে আ. লীগ-যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


সিদ্ধিরগঞ্জে আ. লীগ-যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

 

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাঁচজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সদস্য। শনিবার (৬ জুন) রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- জীবন (৩৪), আলম মিয়া (৩০), সোহেল মিয়া (৪৪), আয়নাল মিয়া (৪৫), এবং জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ (৩৫)। তারা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল-ডেমরা সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি নজরে আসার পর পুলিশের অভিযান শুরু হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে পরিচালিত অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে জীবন ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী, আয়নাল মিয়া ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাহাঙ্গীর আলম বিদ্যুৎ ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য। এছাড়া মো. আলম এবং মো. সোহেল আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘শিমরাইল-ডেমরা সড়কে মিছিলের ঘটনায় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণায় বাবার প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণায় বাবার প্রতিক্রিয়া

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যা করার অভিযোগে রায় ঘোষণার পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা। তিনি বলেন, "এই রায় দ্রুত কার্যকর করা উচিত।" রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়টি ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।

রায় ঘোষণার আগে আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, হত্যার আগে রামিসার ধর্ষণ এবং বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া আসামির স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোন আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছে। এছাড়া রামিসার স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করায় স্ত্রী স্বপ্নাকেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

এর আগে রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্না খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে পুলিশ। তাদের দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত বিচার শুরুর আদেশ দেয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার এজাহার অনুসারে, গত ১৯ মে সকালে সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হয়। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানেই সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান তারা।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসার বাবা অঝোরে কাঁদছিলেন, চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন স্বপ্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


রামিসার বাবা অঝোরে কাঁদছিলেন, চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন স্বপ্না

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দুই আসামির জন্য সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টার পর আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে রায় পড়া শুরু করেন।

বিচারক রায়ের সময় রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা অঝোরে কাঁদেন। এ সময় প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না চোখ বন্ধ করে বসে ছিলেন।

বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত উল্লেখ করে বলেন, সুরতহাল রিপোর্টে প্রমাণ হয়েছে যে, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া, রামিসাকে বাঁচাতে তার স্ত্রী স্বপ্না ফ্ল্যাটে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। স্বপ্নার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রতিরোধ না করে যে অমানবিক কাজ করেছেন, তাই তিনি সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। তাদের অপরাধ সংশোধনের যোগ্য নয় এবং তাদের কাছে কোনো শিশু নিরাপদ নয়।

পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আদালত আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারী (মা-বাবা) পাবেন। আসামিরা যদি এই ক্ষতিপূরণ না দেয়, তাহলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে রামিসার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে স্বপ্নাকে এবং ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকার আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকে এজলাসে তোলা হয়েছিল।

মামলার বিবরণ অনুসারে, নিহত শিশু রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে যখন ঘর থেকে বের হয়, তখন আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর পৈশাচিক উপায়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

মেয়ের খোঁজ না পেয়ে, খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার মাতা আসামিদের ঘরের সামনে তার জুতো দেখতে পান। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।

এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে রেকর্ড গড়ে মাত্র ৫ দিনের মাথায় (২৪ মে) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছিল পুলিশ। এরপর ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনালে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ এই মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়া হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনিক্যাল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


টেকনিক্যাল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেকনিক্যাল ও কর্মমুখী শিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। রবিবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘কর্মমুখী শিক্ষা নেব, বিশ্বজুড়ে কাজ করব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে সারা দেশের ১২ হাজার কলেজ শিক্ষককে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে এ কর্মসূচিটি উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে সম্মাননা স্মারক ও গাছের চারা উপহার দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। সেই সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষকরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’—এ গানটি ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকে। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বক্তব্য রাখেন।

নতুন পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং ডাটা সায়েন্স সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। এসব বিষয়ে পাঠদান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার প্রস্তুত করা হয়েছে।

তাদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%