ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মিশন হাসপাতালে ভর্তি ছাত্রদল নেতা সানি


ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মিশন হাসপাতালে ভর্তি ছাত্রদল নেতা সানি
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম সানি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার সন্ধ্যার পর তাঁকে রাজশাহী মিশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের (২৪ নং) কেবিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সানি মহানগরীর ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা।

এদিকে, সানির অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি। এ সময় তিনি তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

সানির রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং মহানগর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল-সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন বোয়ালিয়া থানা (পশ্চিম) স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান হিমেল, ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা মাইনুল হক (হারু) এবং মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম মিলু।
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ মুজিবের হাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধ্বংসের সূচনা: ডা. জাহেদ উর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


শেখ মুজিবের হাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধ্বংসের সূচনা: ডা. জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চাকে ধ্বংস করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান অস্বীকার করা সম্ভব নয়, তবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ভোট কারচুপির মাধ্যমে তিনি মূলত দেশের গণতান্ত্রিক চর্চাকে ধ্বংসের সূচনা করেছিলেন।

মঙ্গলবার, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর কর্তৃক আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ সেমিনার সিরিজের ‘তিয়াত্তরের নির্বাচন : ভোটচুরির আওয়ামী মডেলের সূচনা’ শীর্ষক পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তিয়াত্তরের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের পরাজয়ের সম্ভাবনা ছিল না। তবুও তিনি নির্বাচনে কারচুপি করেছিলেন। অন্যদিকে, শেখ হাসিনা জানতেন যে, তাঁর সামনে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল রয়েছে, যাদের সঙ্গে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাঁর সরকারের পরাজয় নিশ্চিত ছিল। এই কারণে তিনি ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিলেন। অথচ শেখ মুজিব নিশ্চিতভাবে জয়ী হবেন জেনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনটাকেই তিনি নষ্ট করেছিলেন।

নির্বাচনব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস হলে সাধারণ নাগরিকের প্রতিবাদ করার বা নিজেদের অধিকার প্রকাশের কোনো সুযোগ থাকে না। অনেকেই বিএনপিকে নিয়ে সমালোচনা করে বলেন যে, দলটি কেবল নির্বাচন নির্বাচন করে। কিন্তু এ ধরনের বক্তব্য মূলত জনগণের ভোটাধিকারকে অস্বীকার করে।

জাতীয় ঐকমত্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিভিন্ন আপত্তি নিয়ে কথা হলেও জুলাই সনদ স্বাক্ষরের সময় দেখা যায়, সেখানে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা দ্বিমত পোষণকারী বিষয়গুলো রাখা হয়নি। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় আমরা তাদের স্বাগত জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাদের বিদায়ের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ছাড়া যে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল, তা মূলত পরবর্তী সময়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে বেঁধে দেওয়ার চেষ্টা ছিল।

সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ খান ও গবেষক মাহমুদা হাবীবা প্রমুখ, যাদের সভাপতিত্ব করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহ্‌সান মাহমুদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে এএসআইয়ের হারানো গুলিভর্তি পিস্তলের সন্ধানে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


গাজীপুরে এএসআইয়ের হারানো গুলিভর্তি পিস্তলের সন্ধানে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার

গাজীপুরে মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযানের সময় গুলিভর্তি পিস্তল হারিয়েছেন মহানগর পুলিশের বাসন থানার এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। অস্ত্রটি হারানোর ঘটনায় এএসআইয়ের নাম হলো পারভেজ মল্লিক।

এ ঘটনা ঘটে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে, যখন তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই ঘটনার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, হারানো পিস্তলটির সন্ধান দিতে বা উদ্ধার করতে সহায়তা করলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে তিনি অস্ত্র হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পারভেজ মল্লিক জানান, গত শনিবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে উনিশে টাওয়ারের উত্তর দিকে অভিযান চালিয়ে তিনি মদসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। তাদের গাড়িতে তোলার সময় ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে, এসময় তার কাছে পিস্তলটি ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের নিয়ে থানায় ফেরার পর তিনি বুঝতে পারেন যে, তার সঙ্গে থাকা পিস্তলটি নেই। তবে অস্ত্রটি কোথায় বা কীভাবে খোয়া গেছে, সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি।

পারভেজ মল্লিক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় তার সঙ্গে পুলিশের অন্যান্য সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। তিনি হোন্ডা মোবাইল-২-এর দায়িত্বে ছিলেন এবং নিয়ম মেনেই ডিউটিতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। হারানো পিস্তলটিতে এক রাউন্ড গুলি ছিল বলেও জানান এএসআই পারভেজ মল্লিক।

বাসন থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, ‘মাদকের আসামি ধরতে গিয়ে তাদের এক এএসআইয়ের অস্ত্র হারিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। কেউ হারানো অস্ত্রটির সন্ধান দিতে পারলে অথবা উদ্ধারে সহায়তা করলে তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাব আটকাতে চেয়েও পারল না ভারত ও ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ পি.এম


জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাব আটকাতে চেয়েও পারল না ভারত ও ইসরায়েল

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পাকিস্তান ও বেলারুশের যৌথভাবে উত্থাপিত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি খসড়া প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত ও ইসরায়েল।

সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম কমিটিতে 'সর্বাত্মক ও পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ: আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ' শীর্ষক প্রস্তাবটি ১৮০-২ ভোটে অনুমোদিত হয়। এতে কোনো দেশ ভোটদানে বিরত থাকেনি; কেবল ভারত ও ইসরায়েল প্রস্তাবটির বিরোধিতা করে বিপক্ষে ভোট দেয়।

ভারতের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যায় জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব আনমোল শের বেদি জানান, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়টি একটি বৈশ্বিক বিষয়। এটিকে মূলত আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা বা সেটির মাধ্যমে পরিচালনা করা উচিত নয়।

বেদি বলেন, "আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত নই যে এই প্রক্রিয়াটিকে প্রাথমিকভাবে আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে পরিচালনা করা উচিত।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারতের এই অবস্থান এ সংক্রান্ত তাদের পূর্ববর্তী নীতি ও অবস্থানের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

জাতিসংঘে ফের নতুন করে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভারতের প্রশ্ন

আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির জন্য সহায়ক নীতি বা রূপরেখা তৈরি করতে জাতিসংঘ নিরস্ত্রীকরণ কমিশনকে প্রস্তাবটিতে যে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, ভারত তারও বিরোধিতা করেছে। আনমোল শের বেদি উল্লেখ করেন, নিরস্ত্রীকরণ কমিশন ইতোমধ্যেই ১৯৯৩ সালে আঞ্চলিক নিরস্ত্রীকরণ, ১৯৯৯ সালে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ এবং ২০১৭ সালে প্রচলিত অস্ত্রের ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পদক্ষেপসংক্রান্ত নির্দেশিকা ও সুপারিশ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, "যে সংস্থাকে এখন আবার নতুন করে শুরু করতে বলা হচ্ছে, তারা ইতোমধ্যেই একই বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে তিনটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।" তিনি আরও যোগ করেন, "একটি বিষয় যা ইতোমধ্যে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, জাতিসংঘ নিরস্ত্রীকরণ সংস্থাকে ব্যস্ত রাখা ছাড়া সেখানে কেন আরেক দফা আলোচনার প্রয়োজন—তা আমাদের বোধগম্য নয়।"

সীমান্ত ছাড়িয়ে নিরাপত্তা শঙ্কার যুক্তি ভারতের

প্রস্তাবটিতে নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল বা উপ-আঞ্চলের ভেতরে প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর যে জোর দেওয়া হয়েছে, নতুন দিল্লি সেটিরও যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বেদি বলেন, "এই ধারণায় ধরে নেওয়া হচ্ছে যে একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগ বা শঙ্কাগুলো তাদের আঞ্চলিক সীমান্তে গিয়েই খুব ভদ্রভাবে থেমে যায়। বাস্তব বিষয় হলো—তা থামে না।"

তিনি যুক্তি দেন যে, বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা শঙ্কা কেবল সংকীর্ণভাবে সংজ্ঞায়িত আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা উপ-আঞ্চলনের মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি অবাস্তব।

অন্যদিকে, প্রস্তাবটিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ মূলত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সমঝোতার মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হওয়া উচিত। কারণ স্নায়যুদ্ধ-পরবর্তী যুগে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি অধিকাংশ হুমকি একই অঞ্চলে অবস্থিত দেশগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্ব থেকেই তৈরি হয়।

পাশাপাশি, এটি এমন সব চুক্তি সম্পাদনের আহ্বান জানায় যা সামরিক বাহিনী ও অস্ত্রাগারকে সর্বনিম্ন সম্ভাব্য স্তরে রেখে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে সুসংহত করবে।

দক্ষিণ এশীয় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাবের অনুচ্ছেদে ভারতের বিরোধিতা

প্রস্তাবটিতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে করা সনাতন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাবের একটি বিশেষ অনুচ্ছেদের ওপর আলাদা ভাবে ভোট গ্রহণ করা হলে ভারত তার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। উক্ত অনুচ্ছেদে লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের আলোচনা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সনাতন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নানা প্রস্তাবসহ বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সনাতন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রাসঙ্গিকতাকেও স্বীকার করা হয়।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, সামরিকভাবে প্রভাবশালী ও বৃহৎ সামরিক ক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলোর ওপর আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে চুক্তি ত্বরান্বিত করার বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। উল্লেখ্য, নিরস্ত্রীকরণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক খসড়া প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের প্রথম কমিটিতে পাস হয়েছে। কমিটির এই অনুমোদন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক চূড়ান্ত প্রস্তাব গ্রহণের একটি অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-রাশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে বৈঠক বৃহস্পতিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


বাংলাদেশ-রাশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে বৈঠক বৃহস্পতিবার

ঢাকা, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর ঢাকায় আন্তঃসরকার কমিশনের (আইজিসি) পঞ্চম বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ ও রাশিয়া। এই বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, ব্যাংকিং, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করা।

ঢাকাস্থ রুশ দূতাবাস থেকে আজ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ আন্তঃসরকার কমিশন’-এর এই দুই দিনব্যাপী বৈঠকে উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রুশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন কমিশনের রাশিয়ান পক্ষের চেয়ারম্যান এবং দেশটির ‘ফেডারেল এজেন্সি ফর ফিশারিজ’-এর প্রধান ইলিয়া শেস্তাকভ।

রাশিয়ার জ্বালানি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেবেন।

এই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয়াবলীর বিস্তৃত পরিসর নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষভাবে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, আর্থিক ও ব্যাংকিং সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি অংশীদারিত্ব জোরদার করা এবং শিক্ষা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে নতুন সুযোগ অন্বেষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

উভয় পক্ষ আশা করছে যে, অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা গভীর করার এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আরও বেশি পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার উপায় পর্যালোচনা করা হবে।

কমিশনের এই বৈঠকের পাশাপাশি নবগঠিত ‘রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ এবং ‘ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (এফবিসিসিআই) ব্যবসায়িক পরামর্শ সভায় বসবে, যা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ অন্বেষণের লক্ষ্যে।

এই আলোচনা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ অনুসন্ধানের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আন্তঃসরকার কমিশন বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার প্রচারের জন্য একটি প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থা হিসেবে কাজ করে আসছে।

কমিশনের আগের বৈঠকটি ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আসন্ন অধিবেশনের মাধ্যমে কমিশনের সশরীরে বৈঠক পুনরায় শুরু হবে, যা উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেবে।

রুশ পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দায়িত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি গঠনমূলক সংলাপে এই বৈঠকটি সহায়ক হবে।

এ ছাড়াও এই বৈঠক দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং দুই দেশের সরকার ও ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%