ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চাটমোহরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত


চাটমোহরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পাবনার চাটমোহরে গতকাল শনিবার (৩ অক্টোবর) বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এ অভিযানে মশক নিধনে ওষুধ স্প্রে করা হয়।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চাটমোহর পৌর সভার উদ্যোগে এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) অ্যাডভোকেট অরিফা সুলতানা রুমা।

এ সময় পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ, পৌরসভার নির্বাহী প্রধান ও সহকারি প্রকৌশলী রাফিউল রাবী, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি হেলালুর রহমান জুয়েল, প্রেসক্লাবের সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ দুলাল, লাইসেন্স পরিদর্শক মোঃ বাকিবিল্লাহ, প্রধান শিক্ষক খুরশিদ আলম মিলন, প্রধান শিক্ষক আরকেএম আঃ রব মিঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নিষিদ্ধ আ.লীগের সভাপতি নাসিরসহ ৩০ জন আটক

পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে চাটমোহর সরকারি আরসিএন এন্ড বিএসএন মডেল পাইলট হাইস্কুল, চাটমোহর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উপজেলা ভূমি অফিস চত্বর ও পৌর ভবন চত্বরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপাহারে জরাজীর্ণ মসজিদে যুগ যুগ ধরে চলছে নামাজ আদায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


সাপাহারে জরাজীর্ণ মসজিদে যুগ যুগ ধরে চলছে নামাজ আদায়

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম পুলেরপাড় এলাকায় একটি পুরোনো মাটির মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই মসজিদে গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে মসজিদের টিনের ছাউনি মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই মসজিদের ভেতরে পানি পড়তে শুরু করে, যা মুসল্লিদের জন্য নামাজ আদায়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করে।

স্থানীয়দের মতে, মাটির তৈরি এই ছোট্ট মসজিদটির অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। কোনো রকমে টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটি ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে ছাউনির অধিকাংশ টিনে মরিচা ধরে ফুটো হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় মসজিদের ভেতরে পানি পড়ে যাওয়ার কারণে মুসল্লিদের নামাজ আদায় করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এদিকে, মসজিদটিতে আজান দেওয়ার জন্য কোনো মাইকের ব্যবস্থা নেই। ফলে স্থানীয় মুসল্লিদের নিজেদের উদ্যোগেই আজান দিতে হয়। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ আদায় করে আসছেন গ্রামের মানুষ।

একরামুল হোসেন এবং শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। নিজেদের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতেই তাদের হিমশিম খেতে হয়। এই কারণে সম্মিলিতভাবে অর্থ সংগ্রহ করে মসজিদটির সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

তারা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি সংস্কারের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত মসজিদটির টিনের ছাউনি সংস্কার, প্রয়োজনীয় মাইক স্থাপন এবং ভবনটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদটির জরাজীর্ণ অবস্থা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সরকারি বা ব্যক্তিগত সহায়তায় মসজিদটি সংস্কার করে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে কৃষক হত্যার মামলায় ৭ আসামী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


ধামইরহাটে কৃষক হত্যার মামলায় ৭ আসামী গ্রেফতার

নওগাঁর ধামইরহাটের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) এলাকায় জমিজমার বিরোধ এবং করলা খেতে ছাগল প্রবেশের কারণে কৃষক হত্যার মামলায় ৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ। হত্যার ঘটনার মাত্র ৫ ঘন্টার মধ্যে এই ৭ আসামীকে আটক করা হয়। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত চাকুটিও উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকান্ডের পর আসামীরা গাঁ ঢাকা দিলে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থেকে সিআইডি ডিপার্টমেন্টের দক্ষ অফিসার এবং ধামইরহাট থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে ৫ ঘন্টার সাড়াশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে প্রধান আসামীসহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। দ্রুত সময়ে আসামীদের গ্রেফতারে ভুক্তভোগীর পরিবার কিছুটা সান্ত্বনা প্রকাশ করেছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি, মৃত আ. গফুরের ছেলে আব্দুল হাকিম, কফিল উদ্দিন, ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম, মৃত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী হামিদা বেগম, আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন।

এজাহার থেকে জানা যায়, ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫ টায় করলা খেতে ছাগল যাওয়ার কারণে আবুল কাশেম এবং রনিদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আবুল কাশেম পক্ষের ৫ জন গুরুতর আহত হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে আহত আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। অন্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনার পর ভিকটিমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওসি মিন্টু রহমান জানান, আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ধামইরহাটে আমবাগানে হত্যার ঘটনা এবং লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো বিভিন্ন ক্লু লেস মামলার সফল তদন্তের জন্য ওসি মিন্টু রহমানকে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে পুলিশ সুপার নওগাঁ কর্তৃক সংবর্ধিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়া পরিষদ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


জিয়া পরিষদ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠিত

জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দুর্গাপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের অবঃ শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম ছানা মাষ্টার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মোক্তাদের হোসেন মন্টু, যিনি দুর্গাপুর পৌর এলাকার সিংগা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। মোট ৬১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে, জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার নিজস্ব প্যাডে জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন তালুকদার এই কমিটি অনুমোদন করেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে রয়েছেন নুরুল ইসলাম, মহসিন আলী, মফিজ উদ্দিন, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুল মজিদ, শামসুল ইসলাম, মনসুর রহমান এবং আবুল হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাসির উদ্দিন এবং বদিউজ্জামান বল্টু। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জালাল উদ্দীন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ মন্ডল, সিরাজ আলি (দুলাল), সায়েম আলী।

দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ওয়াজেদ আলী, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মাসুদুর রহমান মাসুদ, প্রচার সম্পাদক হিসেবে আনারুল ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মাইনুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মিজানুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে হারুন অর রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মকবুল হোসেন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মাহাবুর রহমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে গোলাম মোস্তফা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে খুশি খাতুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সেলিনা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আবুল কালাম আজাদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে জিন্নাতুন নেসা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নজরুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য হিসেবে জহুরুল ইসলাম, শাহিনুর আলম, রাজিবুর রহমান, হাকিম খান, শামীম রেজা, আব্দুস সোবাহান, কফিল উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, মুহামিন খন্দকার, আনছার আলী, শহর, আশিস কুমার সরকার, মোহাম্মদ মশিউর রহমান বিদ্যুত, মতিউর রহমান, একরামুল হক, রফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম জালাল, হুমায়ুন কবির, হাসান, শাকিল, শাহাদাত হোসেন, আজিজুল হক, আব্দুল বাকি রতন, ইলিয়াস, মনোরঞ্জন মন্ডল, বেলাল উদ্দিন, সোহরাফ আলী এবং শাকিল রানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানোরে আউশ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন, কৃষকের মধ্যে হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


তানোরে আউশ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন, কৃষকের মধ্যে হতাশা

রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষি প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে কৃষির উপর নির্ভরশীল জনসাধারণের জীবনধারণের মূল ভিত্তি ধান চাষ। তবে, এবারে আউশ ধানের দাম কমে ৬০০ টাকা (২৮ কেজিতে মন) হয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে কৃষকরা ধানের চাষাবাদ করে হতাশ হয়ে পড়েছেন। উৎপাদন খরচ কোনভাবেই উঠছে না। চাষাবাদের জন্য সকল কিছুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা নিরব দুর্ভিক্ষের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তানোর পৌর এলাকার রহিমা ডাংগা নামক স্থানে ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা আউশ ধানের চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা। তারা প্রতি বছর আউশ ধান চাষ করেন। ধান কাটার পর তারা আগাম আলু রোপন করেন। কিন্তু এবারে ধানের দাম বিগত বছরের তুলনায় নেই বললেই চলে।

বরুজ গ্রামের তরুণ কৃষক জুয়েল আক্ষেপ করে বলেন, "চাষাবাদ আমাদের জীবনে অভিশপ্ত হয়ে পড়েছে।" তিনি জানান, রহিমা ডাংগায় ৭ বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ করেছিলেন। সেভেন ও ছিয়াত্তর জাতের ধান রোপন করেছেন। ধান কাটা হয়ে গেছে, কিন্তু দাম নেই। তিনি বলেন, "কিছু কাঁচা ধানও কেউ নিতে চাচ্ছে না।" বস্তা ঠিকা বা ৬০০ টাকা মন ধান বিক্রি করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিঘায় ১৮ থেকে ১৯ মন ধান হয়েছে এবং মেশিনে কাটা মাড়ায় করা হয়েছে। রহিমা ডাংগার বেশিরভাগ কৃষকরা লীজ নিয়ে আবাদ করেন, কারণ তারা আবার আলু চাষাবাদ করেন। এক বিঘা জমি ১২ হাজার টাকায় লীজ নিতে হয়। রোপণ থেকে কাটার আগ পর্যন্ত খরচ ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।

কাটা মাড়ায় ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। জমি থেকে রাস্তা, রাস্তা থেকে বাড়িতে আনতে বাড়তি ভাড়া। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বিঘায় খরচ ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিঘায় ১৮ মন ধানের ৬০০ টাকা মন হলে ১০ হাজার ৮০০ টাকা দাম আসে। ফলে লোকসান ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা হচ্ছে। লীজের টাকা ধরা হলে বিঘায় ১৬ হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এইভাবে কতদিন লোকসান গোনা যায়? এক মৌসুমের লোকসান দূর করতে কয়েক মৌসুম চাষ করতে হয়। জয়নাল নামের কৃষক ৫ বিঘা, সবুজ নামের কৃষক ৯ বিঘা, ভবেশ ৫ বিঘা এবং মইনুল সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষ করে লোকসান গুনছেন।

তারা জানান, ধান চাষের জন্য সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন। যা বিগত সময়ে কখনো এমন দাম হয়নি। প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়লেও ধানের দাম কমে যাচ্ছে। আবার ধান কাটার সময় সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। কৃষকরা জানান, এই উপজেলা কৃষি প্রধান হিসেবে ধরা হয়। কৃষি চাষাবাদে চলে সংসার ও জীবনযাপন। কিন্তু বর্তমানে কৃষিতে ধস নেমেছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধানের আবাদ হয় এই উপজেলায়। বর্তমানে রোপা আমন ধান মাঠে বিরাজমান। প্রায় সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। কিন্তু ধানের দাম না থাকার কারণে চাষীদের ঘরেঘরে এক প্রকার দুর্ভিক্ষ বিরাজমান। সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবৃত্ত কৃষকরা।

তারা না পারছেন চাইতে, না পারছেন সইতে। কারণ ধান তাদের সারা বছরের খোরাক জোগায়। সেই ধানের এই অবস্থা। আশি নব্বই দশকে শোনা যেত কার্তিক মাস মানে চরম অভাব অনাটন আর ঘরেঘরে দুর্ভিক্ষ। বর্তমানে কয়েক বছর ধরে সেই কার্তিক মাসের দুর্ভিক্ষ ও অভাব অনাটনে পড়েছেন কৃষকরা। তবে, চরম কষ্টে কৃষকরা দিন কাটালেও চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়তেই আছে। একদিকে কৃষক মরছে, অন্যদিকে চাকুরীজীবিরা আরামে দিন কাটাচ্ছেন। অথচ এই পা ফাটা কৃষকরা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলেছেন। কৃষকরা চাষাবাদ করে বলেই তো খাবার পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই খাদ্য যোদ্ধারা খাদ্যাভাবে দিন কাটাচ্ছেন। অথচ কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব কৃষি বিপণন বিভাগের। কিন্তু তারা উদাসীন।

তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে কৃষি বিপণন বিভাগ। কৃষি দপ্তর চাষাবাদ কিভাবে হবে, কিভাবে রোগবালা দূর হবে এসব নিয়ে কাজ করে। কৃষি পণ্যের দাম নিয়ে তাদের কিছুই করার নেই। এবছর তানোর উপজেলায় ৮ হাজার ৫শ' ৭৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%