ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জিয়া পরিষদ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠিত


জিয়া পরিষদ দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠিত

জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দুর্গাপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের অবঃ শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম ছানা মাষ্টার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মোক্তাদের হোসেন মন্টু, যিনি দুর্গাপুর পৌর এলাকার সিংগা গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। মোট ৬১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে, জিয়া পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার নিজস্ব প্যাডে জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন তালুকদার এই কমিটি অনুমোদন করেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে রয়েছেন নুরুল ইসলাম, মহসিন আলী, মফিজ উদ্দিন, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুল মজিদ, শামসুল ইসলাম, মনসুর রহমান এবং আবুল হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাসির উদ্দিন এবং বদিউজ্জামান বল্টু। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জালাল উদ্দীন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ মন্ডল, সিরাজ আলি (দুলাল), সায়েম আলী।

দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ওয়াজেদ আলী, অর্থ সম্পাদক হিসেবে মাসুদুর রহমান মাসুদ, প্রচার সম্পাদক হিসেবে আনারুল ইসলাম, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মাইনুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মিজানুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে হারুন অর রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মকবুল হোসেন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মাহাবুর রহমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে গোলাম মোস্তফা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে খুশি খাতুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সেলিনা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আবুল কালাম আজাদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে জিন্নাতুন নেসা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নজরুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য হিসেবে জহুরুল ইসলাম, শাহিনুর আলম, রাজিবুর রহমান, হাকিম খান, শামীম রেজা, আব্দুস সোবাহান, কফিল উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, মুহামিন খন্দকার, আনছার আলী, শহর, আশিস কুমার সরকার, মোহাম্মদ মশিউর রহমান বিদ্যুত, মতিউর রহমান, একরামুল হক, রফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, রফিকুল ইসলাম জালাল, হুমায়ুন কবির, হাসান, শাকিল, শাহাদাত হোসেন, আজিজুল হক, আব্দুল বাকি রতন, ইলিয়াস, মনোরঞ্জন মন্ডল, বেলাল উদ্দিন, সোহরাফ আলী এবং শাকিল রানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাসিরনগরে বিএনপির র‍্যালি, অংশগ্রহণের আহ্বান জামাল আহমদের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানোরে আউশ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন, কৃষকের মধ্যে হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


তানোরে আউশ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন, কৃষকের মধ্যে হতাশা

রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষি প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে কৃষির উপর নির্ভরশীল জনসাধারণের জীবনধারণের মূল ভিত্তি ধান চাষ। তবে, এবারে আউশ ধানের দাম কমে ৬০০ টাকা (২৮ কেজিতে মন) হয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে কৃষকরা ধানের চাষাবাদ করে হতাশ হয়ে পড়েছেন। উৎপাদন খরচ কোনভাবেই উঠছে না। চাষাবাদের জন্য সকল কিছুর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা নিরব দুর্ভিক্ষের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তানোর পৌর এলাকার রহিমা ডাংগা নামক স্থানে ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা আউশ ধানের চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা। তারা প্রতি বছর আউশ ধান চাষ করেন। ধান কাটার পর তারা আগাম আলু রোপন করেন। কিন্তু এবারে ধানের দাম বিগত বছরের তুলনায় নেই বললেই চলে।

বরুজ গ্রামের তরুণ কৃষক জুয়েল আক্ষেপ করে বলেন, "চাষাবাদ আমাদের জীবনে অভিশপ্ত হয়ে পড়েছে।" তিনি জানান, রহিমা ডাংগায় ৭ বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ করেছিলেন। সেভেন ও ছিয়াত্তর জাতের ধান রোপন করেছেন। ধান কাটা হয়ে গেছে, কিন্তু দাম নেই। তিনি বলেন, "কিছু কাঁচা ধানও কেউ নিতে চাচ্ছে না।" বস্তা ঠিকা বা ৬০০ টাকা মন ধান বিক্রি করতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিঘায় ১৮ থেকে ১৯ মন ধান হয়েছে এবং মেশিনে কাটা মাড়ায় করা হয়েছে। রহিমা ডাংগার বেশিরভাগ কৃষকরা লীজ নিয়ে আবাদ করেন, কারণ তারা আবার আলু চাষাবাদ করেন। এক বিঘা জমি ১২ হাজার টাকায় লীজ নিতে হয়। রোপণ থেকে কাটার আগ পর্যন্ত খরচ ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।

কাটা মাড়ায় ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। জমি থেকে রাস্তা, রাস্তা থেকে বাড়িতে আনতে বাড়তি ভাড়া। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বিঘায় খরচ ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিঘায় ১৮ মন ধানের ৬০০ টাকা মন হলে ১০ হাজার ৮০০ টাকা দাম আসে। ফলে লোকসান ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা হচ্ছে। লীজের টাকা ধরা হলে বিঘায় ১৬ হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। এইভাবে কতদিন লোকসান গোনা যায়? এক মৌসুমের লোকসান দূর করতে কয়েক মৌসুম চাষ করতে হয়। জয়নাল নামের কৃষক ৫ বিঘা, সবুজ নামের কৃষক ৯ বিঘা, ভবেশ ৫ বিঘা এবং মইনুল সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষ করে লোকসান গুনছেন।

তারা জানান, ধান চাষের জন্য সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ ধানের দাম ৬০০ টাকা মন। যা বিগত সময়ে কখনো এমন দাম হয়নি। প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়লেও ধানের দাম কমে যাচ্ছে। আবার ধান কাটার সময় সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। কৃষকরা জানান, এই উপজেলা কৃষি প্রধান হিসেবে ধরা হয়। কৃষি চাষাবাদে চলে সংসার ও জীবনযাপন। কিন্তু বর্তমানে কৃষিতে ধস নেমেছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধানের আবাদ হয় এই উপজেলায়। বর্তমানে রোপা আমন ধান মাঠে বিরাজমান। প্রায় সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। কিন্তু ধানের দাম না থাকার কারণে চাষীদের ঘরেঘরে এক প্রকার দুর্ভিক্ষ বিরাজমান। সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবৃত্ত কৃষকরা।

তারা না পারছেন চাইতে, না পারছেন সইতে। কারণ ধান তাদের সারা বছরের খোরাক জোগায়। সেই ধানের এই অবস্থা। আশি নব্বই দশকে শোনা যেত কার্তিক মাস মানে চরম অভাব অনাটন আর ঘরেঘরে দুর্ভিক্ষ। বর্তমানে কয়েক বছর ধরে সেই কার্তিক মাসের দুর্ভিক্ষ ও অভাব অনাটনে পড়েছেন কৃষকরা। তবে, চরম কষ্টে কৃষকরা দিন কাটালেও চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়তেই আছে। একদিকে কৃষক মরছে, অন্যদিকে চাকুরীজীবিরা আরামে দিন কাটাচ্ছেন। অথচ এই পা ফাটা কৃষকরা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলেছেন। কৃষকরা চাষাবাদ করে বলেই তো খাবার পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই খাদ্য যোদ্ধারা খাদ্যাভাবে দিন কাটাচ্ছেন। অথচ কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব কৃষি বিপণন বিভাগের। কিন্তু তারা উদাসীন।

তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে কৃষি বিপণন বিভাগ। কৃষি দপ্তর চাষাবাদ কিভাবে হবে, কিভাবে রোগবালা দূর হবে এসব নিয়ে কাজ করে। কৃষি পণ্যের দাম নিয়ে তাদের কিছুই করার নেই। এবছর তানোর উপজেলায় ৮ হাজার ৫শ' ৭৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


গোমস্তাপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের বার্ষিক বর্ধিত সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের বংপুর হাইস্কুল মাঠে এই সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা কৃষক দলের উদ্যোগে সভাটি পরিচালনা করেন আনারুল ইসলাম, যিনি উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক তসিকুল ইসলাম (তসি)। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসাদুল্লাহ আহমদ, যিনি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব দুরুল হোদা।

অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে কৃষক দলের নেতা মো. সেলিম রেজা, মো. আলমগীর শেখ, গোলাম মোস্তফা, বাইরুল ইসলামসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সেন্টুসহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, কৃষক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করেন। তারা কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানালেন ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানালেন ত্রাণমন্ত্রী

রংপুর, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনামূল্যে বই ও পোশাক প্রদানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট জেলা পরিষদে, শিক্ষার মানোন্নয়নে সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের সময়ের প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে বর্তমান সময়ের তুলনা করে আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেন, অতীতে অনেক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত চেয়ার-বেঞ্চ এবং উপযুক্ত অবকাঠামো ছিল না। বর্তমানে বিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।

শিশুদের বেড়ে ওঠায় পরিবারের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মায়েরা স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়ে সন্তানদের বড় করে তোলেন। শিশুদের দেখাশোনা, কুসঙ্গ থেকে দূরে রাখা এবং পড়াশোনায় সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের দায়িত্ব রয়েছে।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতির গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সেখানে পাঁচ-ছয়জন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন।

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর তিনি জোর দেন।

কারিগরি শিক্ষার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আগামী বছর কারিগরি শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যা তাদের কর্মজীবনে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিষ-আখ বিক্রি করে স্ত্রীর নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ, চাকরির পরই দূরত্বের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


মহিষ-আখ বিক্রি করে স্ত্রীর নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণ, চাকরির পরই দূরত্বের অভিযোগ


পাঞ্জাবে দিনমজুরি, নিজের জমির আখ ও মহিষ বিক্রি করে স্ত্রীর পড়াশোনার খরচ জোগানোর দাবি; ১৪ বছরের সংসারে আট বছরের সন্তান, চাকরির পর সম্পর্ক বদলের অভিযোগ

স্ত্রীর নার্স হওয়ার স্বপ্ন পূরণে দিনের পর দিন দিনমজুরি করেছেন, নিজের জমির আখ বিক্রি করেছেন, এমনকি মহিষও বিক্রি করেছেন—এমন দাবি উত্তরপ্রদেশের দিনমজুর রাজেশ কুমার বর্মার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করে স্ত্রী ANM কোর্স শেষ করে সরকারি হাসপাতালে চাকরি পাওয়ার পরই দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

রাজেশের দাবি, স্ত্রীর পড়াশোনার খরচ জোগাতে তিনি পাঞ্জাবে দিনমজুরি করার পাশাপাশি নিজের জমিতে আখ চাষ করেন। প্রয়োজনের সময় মহিষ ও আখের ফসল বিক্রি করে স্ত্রীর পড়াশোনার ব্যয় বহন করেছেন বলেও জানান তিনি।

তাঁর অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর স্ত্রী তাঁর সঙ্গে সংসার করতে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। দীর্ঘ ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁদের আট বছরের একটি সন্তান রয়েছে। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে অনেক বিষয় নীরবে সহ্য করছেন বলেও দাবি করেন রাজেশ।

রাজেশের ভাষ্য, “স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে আমি নিজের সামর্থ্যের শেষটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের পরই যদি দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়, তা একজন স্বামীর জন্য অত্যন্ত কষ্টের।”

এ ঘটনায় রাজেশ পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে তাঁর স্ত্রীর বক্তব্য বা পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্বের প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের আইনগত সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে এখন মূল প্রশ্ন—যে সংসারে একজন স্বামী স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ত্যাগের দাবি করছেন, সেই সংসারেই চাকরি পাওয়ার পর কেন দূরত্ব তৈরি হলো? উত্তর মিলবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়ায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%