বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:১২ পি.এম
শ্রমিকদের ধর্মঘট এবং কর্মস্থলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকার উত্তরায় পাঁচটি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জারি করা একটি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬-এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী কারখানাগুলোর নিরাপত্তা বিভাগ ছাড়া অন্যান্য সব বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
যে পাঁচটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলো হলো ভার্সেটাইল ফ্যাশনস (প্রা.) লিমিটেড, এমব্রেলা লিমিটেড, নাইস অ্যাপারেলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ড্যাজলিং ড্রেসেস লিমিটেড এবং ওলিও অ্যাপারেলস লিমিটেড।
নোটিশে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন কিছু শ্রমিক বিভিন্ন দাবির ভিত্তিতে কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ না করে ধর্মঘট পালন করেন। এ সময় কর্তৃপক্ষের কাজে ফেরার অনুরোধ উপেক্ষা করে উত্তেজনাপূর্ণ ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতির কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পদের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ায় কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা বিভাগ ছাড়া কারখানাগুলোর অন্যান্য সব বিভাগের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পুনরায় চালুর তারিখ ও সময় পরে নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলা মহানগরী ও সদর উপজেলার এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় এই বরাদ্দ প্রদান করা হয়। বরাদ্দের মধ্যে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে এবং ৪টি বিদ্যালয়ের ভবন মেরামত ও সংস্কার করা হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে কাউনিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, শহীদ জিয়াউর রহমান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং বেগম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান তিনটিতে ছয়তলা ভবন নির্মাণের উপযোগী ভিত্তির ওপর একতলা করে একাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবন সম্প্রসারণের সুযোগ থাকবে। নতুন ভবন নির্মাণ হলে শ্রেণিকক্ষের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং পাঠদান কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
এদিকে, চারটি বিদ্যালয়ের ভবন মেরামত ও সংস্কারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে আব্দুল মজিদ খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পঞ্চগ্রাম সম্মেলনী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রামকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শায়েস্তাবাদ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রত্যেকটি ১৫ লাখ টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি পুরোনো ভবন সংস্কার করা হলে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করবে। তবে অবকাঠামো উন্নয়নের সুফল নিশ্চিত করতে নির্মাণকাজের গুণগত মান বজায় রাখা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা এবং ভবনগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
বেগম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোকলেসুর রহমান বাসসকে জানান, নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ হলে কলেজের শ্রেণিকক্ষের সংকট অনেকটাই দূর হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং আরও উন্নত পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বাসসকে জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ ও বিদ্যমান ভবন সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা, রোপণ করা চারা বেঁচে আছে কিনা, তা নিজস্ব লোক পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির মাঝে যাওয়ার জায়গা কম। এ ধরনের জায়গা বাড়াতে হবে। তিনি ছাদবাগান, স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সরকার প্রধান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ যত বেশি সচেতন হবে, কাজ তত সহজ হবে।
পরিবেশ ও বন রক্ষায় গৃহীত সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পৃথক পরিকল্পনা রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে। এটি দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি আপনার যেটা ডিউটি, তার থেকে আপনি কিন্তু একটু বেশি করার সক্ষমতা আপনার রয়েছে।’
তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যারা আজ দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছেন, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে। তিনি সতর্ক করেন, শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করেই থেমে গেলে হবে না। দেশের মানুষের জন্য আরও কিছু করার চেষ্টা থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আমাদের একটা সুযোগ দিয়েছেন এই দেশের জন্য, এই দেশের মানুষের জন্য কিছুটা করার। আপনি নয়টা-পাঁচটা অফিস করতেই পারেন। এরপরে যদি আপনি কিছু না করেন, কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু পরিবেশটা যদি খারাপ হয়ে যায়, ভবিষৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, আপনার পরবর্তী প্রজন্ম তো দেশেই থাকবে।’
তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ ভালো রাখতে হলে সবাইকে দায়িত্বের বাইরে গিয়ে কিছুটা বেশি কাজ করতে হবে। পরিবর্তন চাইলে নিজের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ঠিকভাবে কাজ করতে পারলে এর সুফল দেশের সব মানুষ পাবে। তিনি বলেন, সবাই এগিয়ে এলে দেশের মানুষের জন্য সম্মিলিতভাবে ভালো কিছু করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলার পাইকগাছা উপজেলার ১৫১টি মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে মোট ১০ লাখ ৫৭ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। সভাপতিত্ব করেন পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাহমিদা হক এমপি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী সকল পূজা মন্দিরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির পর্যবেক্ষক টিম এবং মন্দির ভিত্তিক ভলেন্টিয়াররা ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করবে।
তিনি বলেন, "আমাদের সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এই বন্ধন যেন অটুট থাকে। কোনো অবস্থাতেই যেন সুযোগ-সন্ধানীরা এই সম্প্রীতির বন্ধনকে ধুলিসাৎ করতে না পারে, এজন্য আমাদের সকলকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।"
এমপি ফাহমিদা হক আরও বলেন, "কয়রা-পাইকগাছার আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন রাস্তা-ঘাট, কালভার্ট নির্মাণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে ইতোমধ্যেই তালিকা জমা দিয়েছি। আজ মন্দির অনুযায়ী সরকারি বরাদ্দের ডিও লেটার মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে তুলে দেওয়া হলো। এর বাইরেও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আরও ৪৭টি পূজা মন্দিরে ৫ হাজার টাকা করে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।"
তিনি আরো বলেন, "এই অঞ্চলের উন্নয়নের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। অবহেলিত এই অঞ্চলকে আধুনিকায়নে দৃশ্যমান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষার পাশাপাশি জনসাধারণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।"
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
তিনি বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকেই এখানে সব ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করে আসছে। দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হতে পারে, এজন্য বর্তমান সরকার সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করছে।"
প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, পাইকগাছা থানার ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ এ্যাড. আবু সাঈদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন, শেখ রুহুল কুদ্দুস, সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, তুষার কান্তি মন্ডল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রাণকৃষ্ণ দাশ, সদস্য সচিব হিমাদ্রি শেখর দে, পৌর সভাপতি বাবুরাম মন্ডল, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পৌর সভাপতি সন্তোষ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম রেজা লাকি, সাজ্জাদ হোসেন মানিক, আনোয়ারুল ইসলাম, বেনজির আহমেদ লাল, মোস্তফা মোড়ল, মিজান জোয়ার্দার, প্রভাষক সুজিত, প্রভাষক ইকবাল, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মেছের আলী সানা, মহিলা দলের সভাপতি লক্ষ্মী রানী গোলদার, যুবদলের সদস্য সচিব ইমরান সরদার, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক জি এম রুস্তম, সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। নতুন করে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩০৬ জন শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে, নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ জন। তবে, এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১৫ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা, খুলনা, কুষ্টিয়া ও ভোলায় একজন করে মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭ জনে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৪ জন।
এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৯ হাজার ৮৭৬ জনে পৌঁছেছে। নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৯২৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৩ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৯ জন।
হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রমও চলছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ কোটি ১৬ শতাংশের বেশি টিকা প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ