ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য নতুন বিধিনিষেধ জারি পাকিস্তানের


বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য নতুন বিধিনিষেধ জারি পাকিস্তানের

নতুন বিধিনিষেধ চালু করেছে পাকিস্তান বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য। এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির বাইরে যেতে হলে বাধ্যতামূলক ভাবে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিতে হবে।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্দেশিকা জারি করেছে। এতে বিদেশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিবন্ধন, স্বীকৃতি এবং যাতায়াতের জন্য বিস্তারিত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সটারনাল পাবলিসিটি (ইপি) উইংয়ে আগে থেকেই নিবন্ধিত বা স্বীকৃত সব বিদেশি সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এখন অন্য কোনো শহরে যাওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে হবে। যদি তারা সরকারি কাজের জন্য সংবাদ প্রতিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র, চলচ্চিত্র, ভিডিও বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কোনো কনটেন্ট তৈরি করতে চান, তাহলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

তবে ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির ক্ষেত্রে এনওসি লাগবে না। সাংবাদিকরা অবকাশ যাপনের জন্য অ্যাবোটাবাদ ও মুরিতে যেতে চাইলে অনুরোধের ভিত্তিতে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে পারবেন। এ ধরনের অনুমোদন দেওয়ার আশা করা হচ্ছে তিন কর্মদিবসের মধ্যে। নতুন এই নিয়ম আন্তর্জাতিক মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদ ও বিএনপি একাকার হয়ে গেছে: সাদিক কায়েম

এতে ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্দেশিকার অনুযায়ী, বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত সব সাংবাদিককে ইপি উইংয়ের নির্ধারিত অনলাইন নিবন্ধন ও স্বীকৃতি পোর্টালের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। বিদেশে বসবাসকারী ও বিদেশি গণমাধ্যমে কাজ করা পাকিস্তানি সাংবাদিকদেরও এই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তাদের আবেদন নিকটতম পাকিস্তানি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।

এছাড়া বিদেশি গণমাধ্যমকে সেবা দেওয়া প্রযোজনার প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, ফ্রিল্যান্সার, ফিক্সার এবং সাংবাদিক নয়—এমন সেবাদানকারীদেরও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে মন্ত্রণালয় বলেছে, এই নিবন্ধন শুধুমাত্র পেশাগত স্বীকৃতি দেবে। এর মাধ্যমে কোনো সরকারি মর্যাদা দেওয়া হবে না। ইপি উইং বলেছে, 'ইপি উইং যেকোনো স্বীকৃতির আবেদন অনুমোদন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আপিল করতে পারবেন।' নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে, 'ইপি উইংয়ে আগে থেকেই স্বীকৃত বা নিবন্ধিত সব বিদেশি বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীকে অন্য কোনো শহরে যেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে হবে। তবে ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তাদের যদি সরকারি ব্যবহারের জন্য সংবাদ, প্রতিবেদন, ভিডিও, চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট তৈরি করতে যেতে হয়, তাহলে এই এনওসি লাগবে।'

মন্ত্রণালয় জানায়, নিবন্ধিত সাংবাদিকদের কিউআর-সংযুক্ত পিভিসি স্বীকৃতি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তারা সরকারি অনুষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় প্রবেশের সুবিধা পাবেন। ডনের তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্ড সাত কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়া হবে। আর স্বীকৃতি কার্ড পেতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিক্ষোভ, অস্থিরতা এবং বলপ্রয়োগের অভিযোগের খবর প্রকাশের পর পাকিস্তানে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিয়ে বাড়তি নজরদারির মধ্যেই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্যমন্ত্রী

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস এশিয়াসহ মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা সাংবাদিকদের ওপর কথিত বিধিনিষেধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রাখা, গণমাধ্যমকর্মীদের জোরপূর্বক গুম এবং বিক্ষোভের খবর সংগ্রহে বিদেশি গণমাধ্যমে সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল রাওয়ালাকোটে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগের স্বাধীন তদন্তও দাবি করেছে।

ভারত জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। জম্মু ও কাশ্মীরভিত্তিক মানবাধিকারকর্মী তাসলিমা আখতার বলেছেন, ২০১৯ সালের আগস্টের পর থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর বিধিনিষেধের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঢাকায় দুই বড় উন্মুক্ত কনসার্ট, কোন মঞ্চে থাকছেন কোন শিল্পী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ এম


আজ ঢাকায় দুই বড় উন্মুক্ত কনসার্ট, কোন মঞ্চে থাকছেন কোন শিল্পী?

আজ (৫ আগস্ট) রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি বড় উন্মুক্ত কনসার্ট। এই আয়োজন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে করা হয়েছে। উন্মুক্ত কনসার্ট দুটি আয়োজন করা হয়েছে যাতে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি, গণতন্ত্র, ঐক্য ও প্রতিবাদের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া যায়। কনসার্ট দুটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই আয়োজন করেছে মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্স।

এই আয়োজনে গান পরিবেশন করবে আর্টসেল, শিরোনামহীন, আর্ক, অ্যাভয়েড রাফা, কুঁড়েঘর ও নাহিদ অ্যান্ড মিউজিশিয়ান। এছাড়া, একক শিল্পী হিসেবে মঞ্চে থাকবেন আসিফ আকবর, সেজান, পারশা মাহজাবীন এবং কাজী আহনাফ তাহমীদ।

অন্যদিকে, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ‘গণতন্ত্রের জন্য গান’ শীর্ষক আয়োজন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, এই আয়োজনটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় করা হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে গান শোনাবে মাইলস, ওয়ারফেজ, ডিফরেন্ট টাচ, লালন, হাইওয়ে, এসেইস এবং রে রে। অনুষ্ঠানটি বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। দর্শকদের জন্য প্রবেশদ্বার দুপুর ১টায় খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের চেতনা, আত্মত্যাগ ও ঐক্যের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এবং গানের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার চেতনা ছড়িয়ে দিতেই এই দুটি আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান দুটি ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকব: ইশরাক হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


জুলাই হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকব: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ঘোষণা দিয়েছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তিনি রাজপথে থাকবেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর তিনি এই কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, "জুলাই হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকব।"

তিনি আরও যোগ করেন যে, সরকার কোনোভাবেই জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের ভুলে যায়নি।

এ সময়, তিনি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য জনগণকে সাথে নিয়ে প্রস্তুত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

প্রতিমন্ত্রীর দাবি, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে, তার পিছনে ফ্যাসিবাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, এ বিষয়ে সরকারের ধারণা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ এম


জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং শহীদ ও আহতদের স্মৃতি সংরক্ষণ করতে উদঘাটিত হলো 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমানসহ আরও অনেকে।

প্রথম দিনে উদ্বোধনের পর, জাদুঘরটি শুধু শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ৬ আগস্টের পর সাধারণ দর্শনার্থীরা জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবেন।

এর আগে মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, জাদুঘরে প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিট মূল্য হবে ৫০ টাকা আর শিশুদের ২৫ টাকা। দর্শকরা অনলাইনে টিকিট কিনে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবেন।

শেখ হাসিনার প্রায় দেড় দশকের আবাসস্থল ছিল গণভবন। গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি বিজড়িত সেই গণভবনেই গড়ে তোলা হলো জাদুঘর।

নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে অবশেষে উন্মুক্ত হলো জুলাই স্মৃতি জাদুঘর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের চেতনায় রাষ্ট্র ও সমাজের স্থায়ী কাঠামো তৈরি করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


জুলাইয়ের চেতনায় রাষ্ট্র ও সমাজের স্থায়ী কাঠামো তৈরি করতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

বারবার রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ও সংঘাতের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় রাষ্ট্র ও সমাজের একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কাউন্সিল ভবনে বুয়েট শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ‘মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪’ উপলক্ষে স্মরণ-আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা ঘোষণা করেন।

জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, বারবার সংঘাত ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যাওয়া আত্মসন্তুষ্টির বিষয় নয়, বরং এটি এক নির্মম বাধ্যবাধকতা। জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে এ সংঘাতময় পরিবেশ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এজন্য রাষ্ট্র ও সমাজের কাঠামোতে একটি জনমতের পাটাতন বা কাঠামো নির্মাণ করতে হবে, যার নিচে আর কেউ যেন নামতে সক্ষম না হয়।

তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশবিরোধী যুদ্ধ, পাকিস্তান আমল, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীকালে সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন— আমাদের ইতিহাস কৃত্তিম রূপান্তর ও বিদায়ের ইতিহাস। আমরা আজও একটি স্থায়ী এবং স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি, যা মানুষের মেধা, যোগ্যতা এবং বিকাশের নিশ্চয়তা দিতে পারে।

তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে এ পর্যন্ত মোট ১৩টি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষটি ছিল সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। তবুও বর্তমান দৃষ্টিতে আমরা এখনও বলতে পারছি না যে আমাদের সংসদীয় ব্যবস্থা বা বিচার বিভাগ একটি কাঙ্ক্ষিত এবং স্থায়ী কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদি আমরা এই রক্তদানের বিনিময়ে জবাবদিহিমূলক এবং সুদৃঢ় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নির্মাণে সক্ষম না হই, তবে আমাদের সার্বিক ব্যবস্থার ডিএনএ-তে মৌলিক ত্রুটি রয়ে গেছে বলেই চিন্তা করতে হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, রাষ্ট্র ও সমাজের বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার কারণে বহুগুণী এবং মেধাবী ব্যক্তিদের দেশের সঠিক কাজে লাগাতে পারিনি। এই ত্রুটি দূর করে নতুন প্রজন্মের জন্য বৈষম্যহীন এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়াই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা শুধু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক নয়, তরুণ প্রজন্মের পথপ্রদর্শকও। পাঠ্যক্রমের বাইরে নৈতিক শিক্ষা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া আপনারা বড় সামাজিক দায়িত্ব।

বুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আনিসুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের সাবেক উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী, পুরকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জলিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি স্মরণ করেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারন করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%