বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ ও সামরিক চাপ সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পুরো দখল ও কর্তৃত্ব এখনও অটুট রয়ে গেছে। আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন এবং পশ্চিমা হস্তক্ষেপ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই জলপথ তাদের কঠোর দখলে থাকবে।
এদিকে, টানা ১৩ দিন ধরে বোমাবর্ষণের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসে পৌঁছেছে। এই সংকট পরিস্থিতিতে ইরানের দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে। অন্যদিকে, এই সংঘাতকে কূটনীতির জন্য উপযুক্ত বা প্রস্তুত বলে মনে না করায়, একটি সমঝোতায় পৌঁছানো এখনও অধরা থেকে যাচ্ছে।
কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ‘কুয়িন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট’-এর নির্বাহী সহ-সভাপতি ত্রিতা পারসি জানিয়েছেন। পারসি বলেন, ‘প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী ও দৃঢ়। বর্তমানে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল একপ্রকার শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে।’
“১৩ দিন ধরে বোমাবর্ষণের পরও আমরা এমন কোনো অগ্রগতি দেখতে পাইনি, যা থেকে এরূপ ধারণা অঙ্কিত হতে পারে যে জাহাজগুলো প্রকৃতপক্ষে এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে সক্ষম হবে, অথবা ইরান এই জায়গায় নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে।”
পারসি জানিয়েছেন, সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য এর মূল কারণ হচ্ছে উভয় পক্ষই বিশ্বাস করে যে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান উন্নত করতে পারবে। তিনি মনে করেন, ‘একটি আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোই একমাত্র সম্ভব পথ, কিন্তু কূটনীতি সফল হওয়ার জন্য এই সংঘাতটি এখনও সঠিক অবস্থানে পৌঁছায়নি। কারণ উভয় পক্ষই ধারণা করছে যে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা নিজেদের জন্য আরও সুবিধাজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কুমামোটো প্রিফেকচারে ঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জাপানি সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কিউশু দ্বীপের কুমামোটো অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে বহু বাড়িঘর, বাণিজ্যিক ভবন ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ধসে পড়ে।
এ ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দাঁড়ায় কাশিমা শহরের ঐতিহাসিক ‘এওন শপিং সেন্টার’। ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পরে এই মলটির সংস্কারকৃত অংশ ধসে পড়ে এবং তীব্র গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে।
এ ছাড়াও, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানার একাংশ ধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
তবে বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রখর তাপদাহ। আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, কুমামোটোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে প্রায় ৯,০০০ আশ্রিত মানুষ ও উদ্ধারকর্মীদের হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে।
ইতোমধ্যে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন থাকার ফলে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারী মানুষের মধ্যে বড় একটি অংশ প্রবীণ নাগরিক, যাদের মধ্যে অনেকেই গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জরুরি ভিত্তিতে ৩০০টি এয়ারকন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে গাড়িতে রাত কাটাচ্ছেন। ভূকম্পন কেন্দ্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত ১০০টির বেশি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর যৌথ রেসকিউ টিম এখনও বেশ কিছু ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি বিমান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই দাবি একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেটি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয় যে, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই ব্যক্তি ও তাদের এক সন্তান নিহত হওয়ার ঘটনার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, তারা মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের মাধ্যমে জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র্যাম্প এবং যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, হামলায় ‘শত্রুপক্ষের’ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নিহত হওয়ার দাবি করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে ‘শিশুহত্যাকারী বাহিনী’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে যে তারা গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারগুলোর ওপর নির্মম হামলা চালাচ্ছে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন দখলদারকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত’ তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এই হামলার পর আইআরজিসি জর্ডানের উদ্দেশেও বার্তা দিয়ে জানিয়েছে যে, তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
তবে আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তারা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আইআরজিসির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
এদিকে, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) বা জর্ডানের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চোরাই মালামাল, ওয়্যারলেস সেট ও হ্যান্ডকাফসহ শাহিন (২৫) নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এর পর, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার জালালাবাদ থানা এলাকা থেকেও বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।
৩০ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ১২:৪৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা তথা সদরের বরপাড়া নদীর পাড় এলাকার আব্দুল আলীর ছেলে শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, দুই দফার অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকৃত সর্বমোট মালমালের আনুমানিক মূল্য হচ্ছে ৩,৬২,৬০০/- (তিন লক্ষ বাষট্টি হাজার ছয়শত) টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের সঙ্গে ‘বিক্রি’ বিষয়ক একটি বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একাধিক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাঁর পরিকল্পনা বিশ্বকাপ বিক্রি করে দেওয়ার দিকে।
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে বিশ্বফুটবলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফিফার এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে উয়েফা সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছে। এমনকি প্রয়োজন হলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি ইউরোপীয় ফুটবলমহলে শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি প্রথমবার মন্তব্য করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং গোটা বিষয়টি আলোচনার স্তরেই রয়েছে। ইনফান্তিনো ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস একটি প্রস্তাব মাত্র। কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একটি সুযোগ। কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না।’
সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার পরিকল্পনায় ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস’ নামে একটি বিশেষ সংস্থা তৈরি করার প্রস্তাব রয়েছে, যা বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক পরিচালনার দায়িত্ব নেবে।
সেই সংস্থার অন্তত ২১ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।
ফিফার আশা, এতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই অর্থ ‘ফিফা ফাস্ট ফরোয়ার্ড প্রোগ্রামে’র মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংঘগুলোকে উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
এই পরিকল্পনার সমর্থনে ইনফান্তিনো বলেন, ‘গোটা বিশ্বে ফুটবলের উন্নতির বিশাল সুযোগ রয়েছে। তবে আবারও বলছি, এটি এখনো প্রস্তাব। শুধুমাত্র ফিফার উদ্যোগেই হবে না। ২১১টি সদস্য দেশের মতামত প্রয়োজন। পরিকল্পনা কার্যকর হলে ফুটবলে আরো বেশি আর্থিক বিনিয়োগ আসবে, যার সুফল পাবে পুরো বিশ্বফুটবল।’
জানা গেছে, এই প্রকল্পের জন্য ফিফাকে পরামর্শ দিচ্ছে জেপি মর্গ্যান। নতুন সংস্থার শীর্ষপদে জোশুয়া কুশনার বসতে পারেন, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনারের ভাই।
অন্যদিকে, ফিফার এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে উয়েফা। তাদের বক্তব্য, যদি বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক মালিকানার অংশ বিক্রি হয়ে যায়, তবে ফুটবলের মৌলিক চরিত্র বদলে যাবে। উয়েফা তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ফিফা এমন একটি সীমারেখা পার করতে চায়, যা পার হওয়া উচিত নয়। ফুটবলের আত্মা বিক্রি করা যায় না। আমরা কেউ ফুটবলের মালিক নই। ফুটবল ফিফার সম্পত্তি নয়। তাই ওরা কিছুই বিক্রি করতে পারে না।’
অন্যদিকে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ফুটবল বিনিয়োগকারীদের সম্পত্তি নয়।’
এখনই ৫৫টি সদস্য দেশের ফুটবল সংস্থাকে নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে উয়েফা। ‘ইএসপিএনে’র দাবি, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে পরবর্তী বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ইউরোপীয় দেশগুলো।
ঘটনাচক্রে, আগামী বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো হচ্ছে স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো। এর মধ্যে স্পেন ও পর্তুগাল উয়েফার সদস্য। তাই ফিফা ও উয়েফার এই টানাপড়েন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ