প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের কুমামোটো প্রিফেকচারে ঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জাপানি সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কিউশু দ্বীপের কুমামোটো অঞ্চলে ৬.৯ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে বহু বাড়িঘর, বাণিজ্যিক ভবন ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ধসে পড়ে।
এ ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দাঁড়ায় কাশিমা শহরের ঐতিহাসিক ‘এওন শপিং সেন্টার’। ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পরে এই মলটির সংস্কারকৃত অংশ ধসে পড়ে এবং তীব্র গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে।
এ ছাড়াও, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার কারখানার একাংশ ধসে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
তবে বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রখর তাপদাহ। আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, কুমামোটোতে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে প্রায় ৯,০০০ আশ্রিত মানুষ ও উদ্ধারকর্মীদের হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে।
ইতোমধ্যে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন থাকার ফলে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারী মানুষের মধ্যে বড় একটি অংশ প্রবীণ নাগরিক, যাদের মধ্যে অনেকেই গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি জরুরি ভিত্তিতে ৩০০টি এয়ারকন্ডিশনার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে গাড়িতে রাত কাটাচ্ছেন। ভূকম্পন কেন্দ্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত ১০০টির বেশি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর যৌথ রেসকিউ টিম এখনও বেশ কিছু ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন