প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি বিমান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই দাবি একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেটি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয় যে, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই ব্যক্তি ও তাদের এক সন্তান নিহত হওয়ার ঘটনার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, তারা মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটের মাধ্যমে জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র্যাম্প এবং যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, হামলায় ‘শত্রুপক্ষের’ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নিহত হওয়ার দাবি করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে ‘শিশুহত্যাকারী বাহিনী’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে যে তারা গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারগুলোর ওপর নির্মম হামলা চালাচ্ছে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন দখলদারকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত’ তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এই হামলার পর আইআরজিসি জর্ডানের উদ্দেশেও বার্তা দিয়ে জানিয়েছে যে, তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
তবে আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তারা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আইআরজিসির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
এদিকে, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) বা জর্ডানের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন