বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৮ পি.এম
চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেশে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে যে উন্মাদনা বিরাজ করছে, তা যেন নিছক আনন্দময় থাকে। ভীতি কিংবা কোনোভাবে যেন তা সহিংসতা বা প্রাণনাশের পর্যায়ে না পৌঁছায়- জাতীয় সংসদে দেশবাসীর প্রতি এমন আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ব্রাজিল সাপোর্টাররা হেরে গিয়ে হতাশ, আর্জেন্টিনারা বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বেসরকারি সংসদ সদস্যদের ওপর উত্থাপিত বিলের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে এ আহ্বান জানান তিনি।
সারাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রভাব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল ঝড়ে আক্রান্ত। দেশের প্রত্যেকটা মানুষ, বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ বা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম- তাদের মধ্যে আমেজটা বেশি। বিভিন্ন মাধ্যমে সবাই ফুটবল উপভোগ করছেন।’
ফুটবল উন্মাদনাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও প্রাণহানির খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশবাসীর কাছে একটা আহ্বান জানাতে চাই, আমরা দেখেছি এই বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু সহিংসতা ঘটেছে। বেশ কিছু জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। আমার কাছে যে তথ্য আছে, তাতে ১০ জন মারা গেছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।’
আমিনুল হক আরও বলেন, ‘খেলা একটা আনন্দদায়ক বিষয়, এটা নিয়ে উন্মাদনা থাকবে, উৎসাহ থাকবে। ঘরে ঘরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যুদ্ধ চলমান রয়েছে। ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, তাদের টিম হেরে গেছে। দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যে পরিবেশ, তা যেন আনন্দময় থাকে। এটাকে কেন্দ্র করে দেশে যেন প্রাণনাশের ঘটনা না ঘটে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে পিটিআই অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আরেফিন বাদল।
সভায় বাংলাদেশের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইসমাইল হোসেন প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়াও, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আহমেদ হোসেন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হোসেন রেজা, গাজীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সায়েম মোর্শেদসহ আরও অনেক অতিথি বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শেষ অংশে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছে সুইজারল্যান্ড। এবার তাদের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
তবে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তার পাশাপাশি লিওনেল মেসির বিপক্ষে প্রথমবার মাঠে নামার সুযোগকেও সুইস ফুটবলাররা ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে মুরাত ইয়াকিনের দল। অন্যদিকে মিশরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। টানা আট ম্যাচ অপরাজিত থাকা সুইজারল্যান্ড এবার টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। সুইস অধিনায়ক গ্রানিত জাকা বলেছেন, কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে দল আরও ক্ষুধার্ত হয়ে উঠেছে। তার ভাষায়, লক্ষ্য যত কাছে আসে, সাফল্যের আকাঙ্ক্ষাও তত বাড়ে। দলের ওপর থাকা চাপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি। মেসির বিপক্ষে খেলার সুযোগ নিয়ে জাকা বলেন, "মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর যুগে ফুটবল খেলতে পারাটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে এখনও পুরো বিশ্লেষণ শুরু করিনি, তবে শিগগিরই তাদের নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তুতি নেব।" স্ট্রাইকার সেড্রিক ইটেনও মেসির বিপক্ষে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, "মেসির বিপক্ষে খেলার চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। তিনি দারুণ ছন্দে আছেন। তাই আমাদের শতভাগ প্রস্তুত থাকতে হবে।" মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়লার জানান, ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম মেসির বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। তাহলে ম্যাচটি তার জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তবে শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেই সন্তুষ্ট নন, তিনি দলকে আরও এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানিয়েছেন। তরুণ মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রিডারও নিজের আবেগ লুকাননি। তিনি বলেন, "ছোটবেলায় কখনো ভাবিনি বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে মেসির সঙ্গে একই মাঠে খেলব। স্বপ্নটা সত্যি হতে যাচ্ছে, অনুভূতিটা দারুণ।" তবে ইতিহাস সুইজারল্যান্ডের পক্ষে কথা বলছে না। দুই দলের সাতটি দেখায় পাঁচবারই জিতেছে আর্জেন্টিনা, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বশেষ লড়াই ২০১৪ সালে, যেখানে অতিরিক্ত সময়ে অ্যাঞ্জেল দি মারিয়ার গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
এবার সেই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বেলাল হোসেন ওরফে সুমন (৩৫) নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের মেফেয়ার এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তিনি।
নিহত সুমন উপজেলার ৯ নম্বর মিরওয়াারীশপুর ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের মনির উদ্দিন মহাজন বাড়ির আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে এবং সুমন দুই সন্তানের জনক ছিলেন ।
স্থানীয়রা জানায়, সুমন গত ১৫ বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করে আসছে । গত ১ বছর আগে দেশ থেকে এসে ঘুরে যান তিনি । বুধবার বিকেলের দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার দোকানে এসে তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালায় । এতে মাথায় ও গাড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সুমন মারা যায়। প্রবাসী ব্যবসায়ীর মৃত্যুতে তার গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শামসুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মিদের থেকে শুনেছি। নিহতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার বিকালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর শহরের মুক্তমঞ্চে উপজেলা এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ নেতারা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপি ইশতেহারে ঘোষনা দিয়েছিল নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
কিন্তু কোন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি।
তিনি বললেন, যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হয়, তবে বেকারদের দ্বারা আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর শহরের মুক্তমঞ্চে উপজেলা এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আদালতের রায়ে তত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট ফিরিয়ে নিয়ে আসায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘গণভোট, তত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনলেন, কিন্তু যে গণভোটের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় আসলেন সেটি বাস্তবায়ন না করলেন না।’
সারজিস বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিবেক বিসর্জন দেওয়া মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, তারা ১০ হাজার পুশইন করেছে, আরো পুশইন হবে।
আমাদের সীমান্তে আর একটা পুশ ইন ও হত্যা আমরা দেখতে চাই না।’
একই সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরেক যুগ্ন আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘যারা বলতো শেখ হাসিনা পালায় না, তারা গাট্টি-বস্তা নিয়ে পুরো দলসহ পালিয়ে গেছে।
যেখানে তাদের হেডকোয়ার্টার সেই ভারতে চলে গেছে। ওই ভারতের গর্তে বসে থেকে বাংলাদেশের মানুষকে উদ্দেশ্য করে হুমকি দেয়।
আমরা বলতে চাই, শেখ হাসিনা আপনার জন্য ফাঁসির মঞ্চ অপেক্ষা করছে, আপনি বাংলাদেশে আসেন আমরা আপনাকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দিয়ে ফাঁসির মঞ্চে পৌছে দিতে চাই।’
এর আগে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে পৌর শহরের শহরের বিজ্ঞান মোড় থেকে র্যালী বের করা হয়।
র্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষ শেষে পৌর মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
পদযাত্রায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির(এনসিপি) যুগ্ন সদস্য সচিব সাইফ মুস্তাফিজ ও মাহিন সরকার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ