ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“আইওএমের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক”


“আইওএমের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বন্দ। এ সাক্ষাৎকালে, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন।

এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত হয়।

এতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মন্তব্য করেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে ড. লরা টম্ বন্দকে বাংলাদেশে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে স্বাগত জানাই। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম-এর মধ্যকার দৃঢ় অংশীদারি আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করি।’

আরও পড়ুন: সবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ

ড. টম্ বন্দ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন বাংলাদেশ বহুমাত্রিক অভিবাসন বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।

একদিকে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে, অন্যদিকে মায়ানমারে সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ, যা বিশ্বের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুতি সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ড. টম্ বন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশের সামগ্রিক অভিবাসন পরিস্থিতি অত্যন্ত গতিশীল এবং এতে যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। আমি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং সুশাসিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিবাসন টেকসই উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখতে পারে।’

বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশসহ জলবায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকি বিদ্যমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: এনসিপির নতুন কমিটিতে ৩ নেতার পদাবনতি, কারণ অজানা

এ কারণেই সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতি ও দুর্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করে নতুন চিফ অব মিশন নিয়মিত অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণের পাশাপাশি জলবায়ুজনিত অভিবাসন মোকাবেলায় সমন্বিত সরকারি ও আঞ্চলিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আইওএম-এর সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আইওএম-এর চিফ অব মিশন অভিবাসনের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা প্রদানে সংস্থাটির অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসন জোরদার করা, স্বাস্থ্য ও প্রাক-বহির্গমন সেবা উন্নত করা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের সুরক্ষা ও পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা প্রদান।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, আইওএম রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলাকে অগ্রাধিকার হিসেবে অব্যাহত রাখবে এবং কক্সবাজারে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগণেরও সহায়তা করবে।

কানাডার নাগরিক ড. লরা টম্ বন্দ এর আগে সাড়ে ছয় বছর মোজাম্বিকে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন: ‘বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মশালা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে, শিক্ষা এবং গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের জন্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ‘একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর ঢাকা ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ কর্মশালা বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তারা।

কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদৎ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন সহ বিভিন্ন জাতীয় অর্জনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অমূল্য। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে একটি দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যাবশ্যক।

উপাচার্য এও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের মেধা, দক্ষতা এবং সম্ভাবনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এসব সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী কয়েক দশকের উন্নয়ন-পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পনাটি এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকতে সক্ষম হবে এবং ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি কর্মশালার অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও ভবিষ্যতপ্রবণ একাডেমিক রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে, যা আগামী দুই দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসলো রংপুরের ৬৬৫ নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসলো রংপুরের ৬৬৫ নারী

রংপুরের পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ৬৬৫ জন নারীরা ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজারে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে সুইচ টিপে ভার্চুয়ালি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এই সময় পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত নির্ধারিত উপকারভোগীদের মোবাইল ফোনে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা চলে আসে। এ নিয়ে তারা নিজেদের উচ্ছাস প্রকাশ করেন। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি জিবা আমিনা খান, স্থানীয় এমপি নুরুল আমিন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের নেতা কর্মীরা।

উপকারভোগী রিতা বর্মন জানান, "মোবাইলে আমি টাকা পেয়েছি। প্রতিমাসে এই টাকা পাবো। এতে আমার পরিবারের জন্য অনেক উপকার হবে। বিশেষ করে আমার ছেলেমেয়েরা পুষ্টিহীনতার শিকার। আমি বাচ্চাদের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে পারব। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।"

ফ্যামিলি কার্ডের টাকা মোবাইলে পেয়েছেন বিধবা সাহারা বানু। তিনি বলেন, "স্বামী না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই কষ্টে জীবন যাপন করি আমি। যে টাকাটি পেলাম এবং প্রতি মাসে এই টাকাটা পাব। এটা দিয়ে আমার সংসারের অনেক উপকার হলো। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। তার জন্য দোয়া করি তিনি যেন দীর্ঘায়ু হন।"

সাঁওতাল সম্প্রদায়ের এক গৃহবধূ অর্চনা রানী বলেন, "আমার দুইটা বাচ্চা স্কুলে পড়াশোনা করে। তাদের ঠিকমতো প্রাইভেট দিতে পারি না। বই জামাকাপড়ও দিতে পারি না। আমি যে টাকাটা প্রতি মাসে পাব সেখান থেকে বাচ্চাদের শিক্ষা খাতে খরচ করব। আর বাকি কিছু টাকা জমাবো। সেই টাকা দিয়ে গরু কিনব। বছর শেষে বিক্রি করব।"

অনুষ্ঠানের আয়োজক জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, "যারা বলেছিল ফ্যামিলি কার্ড দিতে পারবো না তাদের মুখে চুনকালি পরলো আজ। প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’ তাই গুপ্তরা যতই ষড়যন্ত্র করুক বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি ঠেকাতে পারবেনা।"

পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, "অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে রংপুরের নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করে আনব। যাতে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।"

অনুষ্ঠানে রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু মন্তব্য করেন, "বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে। বিএনপি যে জনগণের দল, এর মাধ্যমে সেটি প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতিমুক্তভাবে বিএনপি নারীদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবে। ফ্যামিলি কার্ডে রংপুরকে বেছে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।"

রংপুর ৬ আসনের এমপি নুরুল আমিন বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড সরকারের একটি ভালো পদক্ষেপ। আমরা চাই সবার মাঝে এই কার্ড পোঁছে যাক।"

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি (রংপুর ৬ ও ৫) জিবা আমিনা খান বলেন, "ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া টাকা নারীরা তাদের পরিবারের পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং হাইজিন খাতে ব্যয় করতে পারবে। এতে একটি পরিবার ধীরে ধীরে উন্নত হতে থাকবে। পুরুষের পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ কোটি নারীর কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড পোঁছে দেবে।"

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সমাজসেবা মন্ত্রণালয় থেকে প্রথমে চতরা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ৮৫৫ জনকে প্রাথমিকভাবে সিলেকশন দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে অতি গুরুত্ব বিবেচনায় ৬৬৫ জনকে চূড়ান্ত হিসেবে এই কার্ড দেওয়া হলো। আজ তারা এ মাসের টাকা পেলেন। এরপর থেকে প্রতি মাসে তারা নিজেদের মোবাইলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা পেয়ে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিতে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


স্বাস্থ্যখাতকে এগিয়ে নিতে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন যে, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধুমাত্র চিকিৎসকদের দ্বারা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে নার্স, মিডওয়াইফ ও ফিজিওথেরাপিস্টদের ব্যাপক সংকট রয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বর্তমানে যা আছে তার ৩ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ানো প্রয়োজন।

আজ জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এ দুটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইসরাত জামান সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

গবেষণা দুটি ছিল ‘বাংলাদেশে জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্ভাবনা : সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং নীতিগত প্রয়োজনীয়তা’ এবং ‘বিভিন্ন ধরনের মহামারি রোগ সঠিকভাবে মোকাবিলা বা ব্যবস্থাপনার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রস্তুতির মূল্যায়ন’।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে জানান, দেশে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে চিকিৎসকের সংখ্যা কম নয়। মূল সমস্যা হলো তাদের ডিস্ট্রিবিউশনে। দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করলেও মোট চিকিৎসকের ৮০ শতাংশ শহরে থাকেন। এছাড়া, চিকিৎসকদের একটি বৃহৎ অংশ সরকারি সিস্টেমের বাইরেও বেসরকারি খাতে কাজ করছেন।

স্বাস্থ্যখাতের অন্যান্য জনবলের নিয়োগ সম্পর্কে এম এ মুহিত বলেন, দেশে নার্স ও মিডওয়াইফের সংখ্যা বাড়ানো উচিত। অথচ এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হচ্ছে না। একইভাবে, ফিজিওথেরাপিস্টদের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক তবে এখনও তাদের সেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব উপেক্ষিত জনবলগুলোকে ফোকাস করে এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।

করোনা মহামারির সময় চিকিৎসকদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অতীতে এসকল ভাইরাসের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। আমরা দক্ষ জনবল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শহরমুখী চিকিৎসকদের গ্রামে নেওয়ার জন্য কাজ চলছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বার্থেই তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে জাতীয় ফল মেলা ও কৃষি মেলার উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


শেরপুরে জাতীয় ফল মেলা ও কৃষি মেলার উদ্বোধন

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারোমাস’ স্লোগান নিয়ে শেরপুরে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি ‘নিরাপদ কৃষি, নিরাপদ কৃষক, নিরাপদ খাদ্যশস্য, পরিপূর্ণ বাংলাদেশ’ স্লোগান ধারণ করে কৃষি মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় ফল মেলা ও কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। উদ্বোধনের পর অতিথিবৃন্দ ফল ও কৃষি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এর পর উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ প্রতিবেদনের সময়, শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসলিমা খানম নীলু, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল বাতেন, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল নেতা শফিকুল ইসলাম গোল্ডেনসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কৃষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%