প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন যে, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধুমাত্র চিকিৎসকদের দ্বারা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে নার্স, মিডওয়াইফ ও ফিজিওথেরাপিস্টদের ব্যাপক সংকট রয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বর্তমানে যা আছে তার ৩ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ানো প্রয়োজন।
আজ জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এ দুটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইসরাত জামান সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
গবেষণা দুটি ছিল ‘বাংলাদেশে জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্ভাবনা : সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং নীতিগত প্রয়োজনীয়তা’ এবং ‘বিভিন্ন ধরনের মহামারি রোগ সঠিকভাবে মোকাবিলা বা ব্যবস্থাপনার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রস্তুতির মূল্যায়ন’।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে জানান, দেশে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে চিকিৎসকের সংখ্যা কম নয়। মূল সমস্যা হলো তাদের ডিস্ট্রিবিউশনে। দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করলেও মোট চিকিৎসকের ৮০ শতাংশ শহরে থাকেন। এছাড়া, চিকিৎসকদের একটি বৃহৎ অংশ সরকারি সিস্টেমের বাইরেও বেসরকারি খাতে কাজ করছেন।
স্বাস্থ্যখাতের অন্যান্য জনবলের নিয়োগ সম্পর্কে এম এ মুহিত বলেন, দেশে নার্স ও মিডওয়াইফের সংখ্যা বাড়ানো উচিত। অথচ এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হচ্ছে না। একইভাবে, ফিজিওথেরাপিস্টদের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক তবে এখনও তাদের সেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে এসব উপেক্ষিত জনবলগুলোকে ফোকাস করে এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।
করোনা মহামারির সময় চিকিৎসকদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, অতীতে এসকল ভাইরাসের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। আমরা দক্ষ জনবল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শহরমুখী চিকিৎসকদের গ্রামে নেওয়ার জন্য কাজ চলছে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বার্থেই তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন