০৬:২৩ পি.এম
ড. আসিফ নজরুল, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, মনে করেন যে সংবিধানে পরিবর্তনের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে দেশের প্রথিতযশা সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক শেষে ড. আসিফ নজরুল মন্তব্য করেন, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকলেই মুক্তভাবে তাদের মতামত প্রদান করেছেন।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সংসদের স্থায়ী কমিটিকে ক্ষমতায়িত করা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, আর্টিকেল ৭০ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেটি মনে রাখতে বলা হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা মাথায় রাখতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ আইন এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন বাদ দেওয়ার বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, এগুলো একবারে বাদ হয়নি; পরে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে নাকি সংবিধান সংশোধন কমিটি হবে, এই রাজনৈতিক বিরোধে তিনি যেতে চান না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন, সংবিধানে যেকোনো পরিবর্তন ইতিবাচক হলে সেটিই সংস্কার। লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে কি না, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ধরনের বিরোধ তিনি কাঙ্ক্ষিত মনে করছেন না।
এর আগে শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিদের সঙ্গে ৮টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে সব আলোচনা ও খসড়া তৈরির কাজ শেষ করা হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন