০৬:৩৯ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে, শিক্ষা এবং গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের জন্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে ‘একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর ঢাকা ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মশালা বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী
কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদৎ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন সহ বিভিন্ন জাতীয় অর্জনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অমূল্য। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে একটি দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যাবশ্যক।
উপাচার্য এও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের মেধা, দক্ষতা এবং সম্ভাবনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এসব সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী কয়েক দশকের উন্নয়ন-পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পনাটি এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যা সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকতে সক্ষম হবে এবং ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তিনি কর্মশালার অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও ভবিষ্যতপ্রবণ একাডেমিক রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে, যা আগামী দুই দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন