ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বৈরী আবহাওয়ায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ


বৈরী আবহাওয়ায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতির কারণেই জেলা প্রশাসন বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য জেলায় সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) জেলা প্রশাসনের জারি করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চলমান বৈরী আবহাওয়া এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে যে সকল পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে সকলের সমর্থন ও দোয়া চান মোহাঃ সাদিকুল ইসলাম

এর আগে গত ৬ জুলাই প্রথম দফায় ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ার ফলে ৯ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ১২ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছিল। সর্বশেষ পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় তৃতীয় দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৫ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার ফলে স্বাভাবিক জনজীবন বিঘ্নিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের প্যান্ডেল খুলে ফেলা হলো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওষুধ না খেয়েও জ্বর-সর্দি থেকে সেরে ওঠা সম্ভব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ এম


ওষুধ না খেয়েও জ্বর-সর্দি থেকে সেরে ওঠা সম্ভব?

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে জ্বর, সর্দি এবং কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে অনেকেই এই ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন।

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের সংক্রমণ বেশির ভাগ সময় ভাইরাসের কারণেই হয় এবং সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এ সমস্যাগুলি নিজে থেকেই সেরে যায়। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক বা কফ সিরাপ সেবন করার পরিবর্তে সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা সবচেয়ে নিরাপদ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, জ্বর হলে প্রয়োজনে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরের তাপমাত্রা কমানোর পাশাপাশি মাথাব্যথা, হাত-পা এবং শরীরের ব্যথাও কিছুটা উপশম করতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়, কেননা ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এই সকল ওষুধ কার্যকর নয়।

সর্দির কারণে নাক যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কুসুম গরম পানির ভাপ নেওয়া প্রয়োজনীয় এবং উপকারী হতে পারে। এতে শ্বাস নেওয়াটা সহজ হয়, মাথাব্যথা কমে এবং বুকের জমে থাকা কফ বের হতে সহায়তা করে। কাশি বা গলা খুশখুশে ভাব কমাতে কুসুম গরম পানি বা লবণ মিশ্রিত গরম পানিতে কুলকুচি করাও উপকারী।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের নির্দেশানুসারে গলার লজেন্সও ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, আদা, গোলমরিচ অথবা হলুদ দিয়ে তৈরি গরম পানীয় প্রদাহ কমাতে এবং গলার অস্বস্তি দূর করতে কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

জ্বরের সময় শরীরে পানিশূন্যতার দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, স্যুপ, ডাবের পানি অথবা ইলেকট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় পানের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি যথেষ্ট বিশ্রাম নেওয়া, হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরা এবং ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল উপযোগী করার মাধ্যমেও দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব। পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে ফলমূল, শাকসবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয় অথবা শ্বাসকষ্ট, তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, বারবার বমি, অস্বাভাবিক দুর্বলতা অথবা উচ্চ তাপমাত্রা অনুভূত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিলে অধিকাংশ ভাইরাসজনিত জ্বর ও সর্দি সাধারণত কোনো জটিলতা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিয় দলের হার মানতে কষ্ট হচ্ছে? যেভাবে সামলাবেন মানসিক চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ এম


প্রিয় দলের হার মানতে কষ্ট হচ্ছে? যেভাবে সামলাবেন মানসিক চাপ

বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ বা বিপিএলের মতো বড় ক্রীড়া আসর এলেই বাংলাদেশে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে খেলা দেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-তর্ক যেন নিয়মিত দৃশ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রিয় দলের পরাজয়ের পর সেই আনন্দ অনেকের জন্য হতাশা, রাগ বা মানসিক অস্বস্তিতে পরিণত হয়।

কেউ কেউ প্রতিপক্ষের সমর্থকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন, আবার কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল বা বিদ্রূপের শিকার হন। এবারের বিশ্বকাপেও খেলা ঘিরে সহিংসতা ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা সামনে এসেছে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেছেন, প্রিয় দলের পরাজয়ের পর মন খারাপ বা হতাশা অনুভব করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই অবস্থাকে অনেক সময় 'স্পোর্টস ফ্যান ডিপ্রেশন' বা 'স্পোর্টস ফ্যান ব্লুজ' বলা হচ্ছে। সাধারণত এই অনুভূতি কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। কিন্তু যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হতাশা, বিরক্তি বা বিষণ্নতা থেকে যায় এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে, তখন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আবেগ প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রিয় দলের পরাজয়ের পর কষ্ট, হতাশা কিংবা ক্ষোভ অনুভব করা স্বাভাবিক, বিশেষ করে যদি সেটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো ম্যাচ হয়। তাই নিজের আবেগকে অস্বীকার না করে কিছুটা সময় দিন। ম্যাচ শেষ হওয়ার প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট নিজের অনুভূতি প্রকাশ করুন। সুযোগ থাকলে একই দলের অন্য সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলুন, নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করুন এবং তাদের মতামতও শুনুন। এতে পরাজয়ের ধাক্কা সামলানো সহজ হতে পারে।

তবে এই সময় পার হওয়ার পর ধীরে ধীরে অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন। একই বিষয় নিয়ে বারবার ভাবতে থাকলে হতাশা আরও বাড়তে পারে। চাইলে ম্যাচ-পরবর্তী কিছু সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও দূরে থাকতে পারেন, কারণ সেখানে ট্রল, বিদ্রূপ বা নেতিবাচক আলোচনা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

শরীরকে সক্রিয় রাখা খুব কার্যকর এক উপায় হতে পারে মনের চাপ কমাতে। নিয়মিত ব্যায়াম বা খেলাধুলা শরীরে ডোপামিনের মতো 'ভালো লাগার' হরমোনের নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১০ থেকে ৩০ মিনিটের ব্যায়ামও মন ভালো করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

প্রিয় দলের হারের পর চাইলে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন, দৌড়াতে যেতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন কিংবা ট্রেকিংয়ের মতো আউটডোর কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারেন।

নিজেকে ব্যস্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। প্রিয় দলের পরাজয়ের পর শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা মানসিক অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই সময় হাঁটাহাঁটি করা, গান বা পডকাস্ট শোনা, নাটক বা সিনেমা দেখা, বই পড়া, নিজের অনুভূতি লিখে রাখা, পাজল সমাধান করা, ছবি আঁকা বা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ব্যায়াম করার মতো কাজগুলো উপকারী হতে পারে। এসব অভ্যাস শুধু খেলার হতাশাই নয়, দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপও কমাতে সহায়ক।

খেলা উপভোগ করা আনন্দের হলেও সেটি জীবনের একমাত্র আনন্দের উৎস হওয়া উচিত নয়। তাই প্রিয় দলের হার যদি খুব বেশি প্রভাব ফেলে, তাহলে নিজের অন্য আগ্রহ ও শখের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। রান্না, বাগান করা, ছবি আঁকা, গান শোনা বা নতুন কোন দক্ষতা শেখার মতো কাজ মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে এবং পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক দল বিদায় নেবে, আর সেটিই প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলার স্বাভাবিক বাস্তবতা। তাই প্রিয় দলের পরাজয়কে জীবনের অংশ হিসেবেই গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ—এ কথা মনে রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাই মানসিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: হেলথলাইন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকাল ৯টার মধ্যে ঢাকাসহ ১৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ এম


সকাল ৯টার মধ্যে ঢাকাসহ ১৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলেছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টির বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আবহাওয়া অফিসের রাত ৯টা থেকে পরবর্তী দিন অর্থাৎ শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুদিনাপাতার বহুগুণ থাকলেও যাদের জন্য ক্ষতিকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ এম


পুদিনাপাতার বহুগুণ থাকলেও যাদের জন্য ক্ষতিকর

পুদিনাপাতা রান্নাঘরের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সহজলভ্য ভেষজ উপাদান। এটি কেবল খাবারের স্বাদ বা সুগন্ধই নয়, বরং এর নিয়মিত ব্যবহারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থেকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ এবং গবেষকরা।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পুদিনাপাতার বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতার উল্লেখ রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর অসংখ্য গুণ থাকা সত্ত্বেও এটি সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে।

পুদিনাপাতার প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাসমূহ নিম্নরূপঃ

১. হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ও আইবিএস উপশম:

পুদিনাপাতায় উপস্থিত ‘মেন্থল’ নামক কার্যকর উপাদানটি পাকস্থলী এবং অন্ত্রের পেশীগুলোকে শিথিল বা শান্ত করতে সহায়তা করে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পুদিনাপাতার তেল ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম বা আইবিএস-এর লক্ষণ যেমন—পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পাকস্থলীর মোচড়ানি দূর করতে খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস:

গবেষকদের মতে, পুদিনায় থাকা মেন্থল মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর শান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে। ২০২২ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুদিনাপাতার তেলের সুবাস গ্রহণ করার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মানসিক ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

৩. মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা ও দুর্গন্ধ দূরীকরণ:

মুখের ভেতরের জীবাণু ও দুর্গন্ধের বিরুদ্ধে পুদিনাপাতার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক উপাদান দারুণভাবে কাজ করে। কৃত্রিম ও চিনিযুক্ত মাউথ ফ্রেশনার বা ক্যান্ডির তুলনায় তাজা পুদিনা পাতা চিবিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এটি মুখের লালা উৎপাদন বাড়ায়, যা দাঁতের মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করতে এবং নিঃশ্বাসকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত পুদিনাপাতা কাদের জন্য ক্ষতিকর?

যদিও পুদিনা পাতার অসংখ্য স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে, তারপরও কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের এটি অতিরিক্ত ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত:

অ্যাসিডিটি ও বুক জ্বালাপোড়া: যাদের অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া বা হাইটাল হার্নিয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত পুদিনাপাতা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ মেন্থল পাকস্থলী এবং খাদ্যনালীর মধ্যবর্তী ভাল্বটিকে শিথিল করে দেয়, যার কারণেই ক্ষতিকর অ্যাসিড ওপরে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

পিত্তথলির সমস্যা: পিত্তথলিতে পাথর বা অন্য কোনো জটিলতা থাকলে নিয়মিত পুদিনাপাতা বা এর তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সবশেষে, পুদিনাপাতা প্রকৃতি প্রদত্ত এমন এক ভেষজ যা ঔষধ ছাড়াই অনেক ছোটখাটো সমস্যা দূর করতে সক্ষম। তবে যেকোনো উপাদান নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখার আগে অবশ্যই স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে এবং প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করাই ভালো।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%