ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুদিনাপাতার বহুগুণ থাকলেও যাদের জন্য ক্ষতিকর


পুদিনাপাতার বহুগুণ থাকলেও যাদের জন্য ক্ষতিকর

পুদিনাপাতা রান্নাঘরের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সহজলভ্য ভেষজ উপাদান। এটি কেবল খাবারের স্বাদ বা সুগন্ধই নয়, বরং এর নিয়মিত ব্যবহারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থেকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ এবং গবেষকরা।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পুদিনাপাতার বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতার উল্লেখ রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর অসংখ্য গুণ থাকা সত্ত্বেও এটি সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে।

পুদিনাপাতার প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাসমূহ নিম্নরূপঃ

আরও পড়ুন: লম্বা ছুটিতে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে ৩৫টি দেশে

১. হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ও আইবিএস উপশম:

পুদিনাপাতায় উপস্থিত ‘মেন্থল’ নামক কার্যকর উপাদানটি পাকস্থলী এবং অন্ত্রের পেশীগুলোকে শিথিল বা শান্ত করতে সহায়তা করে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পুদিনাপাতার তেল ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম বা আইবিএস-এর লক্ষণ যেমন—পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পাকস্থলীর মোচড়ানি দূর করতে খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস:

গবেষকদের মতে, পুদিনায় থাকা মেন্থল মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ওপর শান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে। ২০২২ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুদিনাপাতার তেলের সুবাস গ্রহণ করার ফলে অংশগ্রহণকারীদের মানসিক ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

আরও পড়ুন: ইলিশের নামে চন্দনা ও সুরমা বিক্রির অভিযোগ, চিনবেন যেভাবে

৩. মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা ও দুর্গন্ধ দূরীকরণ:

মুখের ভেতরের জীবাণু ও দুর্গন্ধের বিরুদ্ধে পুদিনাপাতার প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক উপাদান দারুণভাবে কাজ করে। কৃত্রিম ও চিনিযুক্ত মাউথ ফ্রেশনার বা ক্যান্ডির তুলনায় তাজা পুদিনা পাতা চিবিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এটি মুখের লালা উৎপাদন বাড়ায়, যা দাঁতের মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করতে এবং নিঃশ্বাসকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

অতিরিক্ত পুদিনাপাতা কাদের জন্য ক্ষতিকর?

যদিও পুদিনা পাতার অসংখ্য স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে, তারপরও কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের এটি অতিরিক্ত ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত:

আরও পড়ুন: স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, গিয়ে জানলেন প্রেমিকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

অ্যাসিডিটি ও বুক জ্বালাপোড়া: যাদের অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া বা হাইটাল হার্নিয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত পুদিনাপাতা খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ মেন্থল পাকস্থলী এবং খাদ্যনালীর মধ্যবর্তী ভাল্বটিকে শিথিল করে দেয়, যার কারণেই ক্ষতিকর অ্যাসিড ওপরে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

পিত্তথলির সমস্যা: পিত্তথলিতে পাথর বা অন্য কোনো জটিলতা থাকলে নিয়মিত পুদিনাপাতা বা এর তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সবশেষে, পুদিনাপাতা প্রকৃতি প্রদত্ত এমন এক ভেষজ যা ঔষধ ছাড়াই অনেক ছোটখাটো সমস্যা দূর করতে সক্ষম। তবে যেকোনো উপাদান নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখার আগে অবশ্যই স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে এবং প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করাই ভালো।

সূত্র: সামা টিভি

আরও পড়ুন: এক কাঁধে ব্যাগ ঝোলানোর অভ্যাস শরীরে কী ক্ষতি করছে, জানেন?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির দিনে বেশি ঘুম পায় কেন, বিজ্ঞান কী বলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ এম


বৃষ্টির দিনে বেশি ঘুম পায় কেন, বিজ্ঞান কী বলে

বৃষ্টি নামলেই চারপাশের পরিবেশ যেন ছড়িয়ে পড়ে এক শান্ত, স্নিগ্ধ ও আরামদায়ক আবহ। অনেকেরই তখন চোখে ভর করে ঘুম, কাজের তুলনায় বিছানাই যেন বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ‘বৃষ্টি হলেই ঘুম পায়’—এটি নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়; বরং অধিকাংশ মানুষই এই অনুভূতির সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, বৃষ্টির দিনে কেন এত বেশি ঘুমের অনুভূতি হয়? এর পিছনে রয়েছে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ।

চলুন দেখে নেওয়া যাক, বৃষ্টির দিনে কেন ঘুম বেশি আসে:

১. সূর্যালোকের অভাব

বৃষ্টির দিনে সূর্য দেখা যায় না বললেই চলে। ওই সময় আলো কমে যাওয়ায় শরীরের ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ বা দেহঘড়ি বিঘ্নিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের ঘুমানোর সময়ের সঙ্গে জাগ্রত থাকার সময় গুলিয়ে যায়, যার ফলে প্রভাব পড়ে আমাদের ঘুমে। কম আলোতে শরীর ঘুমের সংকেত পায়।

২. ঠান্ডা ও আরামদায়ক আবহাওয়া

বৃষ্টির সময় তাপমাত্রা সাধারণত কমে যায়। ঠান্ডা, স্যাঁতস্যাঁতে এবং আরামদায়ক পরিবেশ আমাদের শরীরকে শিথিল করে দেয়, যার ফলে ঘুমের অনুভূতি তৈরি হয়। বিজ্ঞান বলছে, ঠান্ডা পরিবেশে ঘুম ভালো হয়—এবং বৃষ্টি সেটাই এনে দেয়।

৩. বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ

বৃষ্টির টুপটাপ শব্দটি একটি প্রাকৃতিক হোয়াইট নয়েজ। এ ধরনের শব্দ মনকে প্রশান্ত করে, বাইরের বিরক্তিকর শব্দকে চাপা দেয় এবং ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ নিঃসরণে সাহায্য করে।

৪. বাতাসে চাপ ও অক্সিজেনের পরিবর্তন

বৃষ্টির সময় বায়ুচাপ কমে যায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ে। এসব পরিবর্তন আমাদের স্নায়ু ব্যবস্থায় ঘুমের অনুভূতি তৈরি করে। আবার অনেক সময় এ সময় বাতাসে বেশি পরিমাণ ‘নেগেটিভ আয়ন’ থাকে, যা শরীরকে আরাম দেয়।

৫. মানসিক প্রশান্তি ও অলসতা

বৃষ্টির ছন্দ, প্রকৃতির সজল রূপ এবং চারপাশের নীরবতা আমাদের মনকে শান্ত করে। কাজের তাড়া কম থাকলে অবচেতনভাবেই অলসতা ও ঘুম এসে পড়ে। বিশেষ করে ছুটির দিন বা শুয়ে বসে থাকার সময়ে এই ঘুমের অনুভূতি আরও বৃদ্ধি পায়।

বৃষ্টির দিনের ঘুম আসা প্রকৃতির এক মায়াবী ডাক। শরীর ও মন—দুটোই শান্তির খোঁজে থাকে এমন দিনে। তবে কাজ থাকলে একটু সচেতন হলে বৃষ্টির ঘুমঘুম ভাব সামলানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ এম


ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস

নরওয়ের কাছে হেরে গিয়ে বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পরপরই ভক্তদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেই প্রচণ্ড কষ্ট সইয়ে, এবার তিনি আবারও সবার কাছে ক্ষমা চাইলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। সেইসঙ্গে তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ভিনিসিয়ুস লেখেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, নানা বয়সের অনেক মানুষকে তিনি সমর্থন করতে দেখেছেন। তিনি আমাদের স্বপ্নকে লালন করতে দেখেছেন, তাই তার চুপ করে থাকা ঠিক হবে না। তবে নিজেকে সামলে নিতে এবং আত্মপলব্ধির জন্য তার কিছুদিনের দরকার ছিল।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় দলের জার্সি পরতে পারাটা তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান, এবং বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ছিটকে পড়ার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

ভোটের ব্যর্থতা ঘুচিয়ে ভবিষ্যতে ব্রাজিলকে আবারও শীর্ষে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, "আমি জানি, আমি কতটা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা লক্ষ্যে মনোযোগী ছিলাম, আপনারা এবং আমার পরিবারের জন্য আমি বিশ্বকাপে সাফল্য কতটা চেয়েছিলাম। এই হতাশার অনুভূতি অদ্ভূত। আমাদের একটি শক্তিশালী দল ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। আমি ক্ষমা চাচ্ছি এবং ফুটবলে বিশ্বের শীর্ষে ফেরার যে স্বপ্ন আমাদের, সেজন্য আমি লড়াই করে যাব।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ঘুম হচ্ছে না, তা-ও জিমে তাঁকে যেতেই হবে! মাতৃত্বকালী কোন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সমান্থা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


রাতে ঘুম হচ্ছে না, তা-ও জিমে তাঁকে যেতেই হবে! মাতৃত্বকালী কোন  অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন সমান্থা?

৯ জুলাই সমাজমাধ্যমে একটি নিজস্বী পোস্ট করেন সমান্থা। জিমে যাওয়ার পথে তোলা সেই ছবিতে তাঁকে দেখা যায় রোদচশমা এবং ‘ওয়ার্কআউট’ করার পোশাকে।

মাতৃত্বের নতুন অধ্যায়ের প্রতিটি মুহূর্তই তিনি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী সমান্থা রুথ প্রভু। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গর্ভাবস্থায় অনিদ্রার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আলোচনায় আবার আসেন নায়িকা।

৯ জুলাই সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি নিজস্বী পোস্ট করেন সমান্থা। জিমে যাওয়ার পথে তোলা সেই ছবিতে তাঁকে দেখা যায় রোদচশমা এবং ‘ওয়ার্কআউট’-এর পোশাকে। ছবির সঙ্গে অভিনেত্রী লেখেন, “অনিদ্রা তো খুব মজার, কিন্তু তার পরেও আমরা জিমে যাচ্ছি”। অর্থাৎ, ঘুম না-হওয়ার সমস্যার মধ্যেও শরীরচর্চা করতে তিনি রাজি। নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় অনিদ্রার অস্বস্তিকে হালকা করে দেখানোর প্রচেষ্টা করেছেন সমান্থা।

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা অবশ্য নতুন কোনও সমস্যা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমোনের ওঠানামা, শারীরিক অস্বস্তি, বারবার প্রস্রাবের চাপ এবং সন্তানের সঙ্গে বিভিন্ন মানসিক উদ্বেগ— সব মিলিয়ে বহু সন্তানসম্ভবা নারীর রাতের ঘুম ব্যাহত হয়। প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে দিনে ঘুমঘুম ভাব থাকলেও রাতে গভীর ঘুম আসতে নাও পারে। আবার ইস্ট্রোজেনের পরিবর্তনের ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও প্রভাব পড়ে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ হল, গর্ভাবস্থায় যথেষ্ট বিশ্রামের পাশাপাশি নিয়মিত হালকা শারীরচর্চা, আরামদায়ক ভঙ্গিতে ঘুমানো, ক্যাফিন এড়িয়ে চলা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে অনিদ্রার সমস্যা অনেকটা কমানো সম্ভব।

সম্প্রতি সমান্থা জানিয়েছেন, হাতের কাজ শেষ করার পর তিনি মাতৃত্বকালীন বিরতি নেবেন। অভিনেত্রীর এই খোলামেলা পোস্টে বহু অনুরাগী শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গর্ভাবস্থার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য তাঁর প্রশংসা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কুমিল্লার প্রবাসী জিহাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কুমিল্লার প্রবাসী জিহাদের

জীবিকার খোঁজে এবং পরিবারের জন্য স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে দুই বছর আগে সৌদি আরবে চলে গিয়েছিলেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার যুবক জিহাদ মজুমদার (২৫)। তবে তার পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি প্রাণ হারালেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টার সময় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু ঘটে। এ খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্য, স্বজন এবং পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

নিহত জিহাদ মজুমদার সদর দক্ষিণ উপজেলার দক্ষিণ রামপুর এলাকার একজন বাসিন্দা। তিনি মৃত ইসহাক মজুমদারের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জিহাদ প্রায় দুই বছর আগে জীবিকার খোঁজে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় শুক্রবার জেদ্দা শহরের একটি সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মারা যান।

স্থানীয়দের মতে, পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য জিহাদ নিরলসভাবে পরিশ্রম করে আসছিলেন। তার উপার্জনের উপর পরিবার অনেকটা নির্ভরশীল ছিল। হঠাৎ করে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ফলে পরিবারের সদস্যরা ভেঙে পড়েছেন। এর ফলে এলাকার মধ্যে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%