ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কচুয়ায় বুধুন্ডা ইউনিয়ন গঠনের দাবিতে মানববন্ধন


কচুয়ায় বুধুন্ডা ইউনিয়ন গঠনের দাবিতে মানববন্ধন

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নকে বিভক্ত করে নতুন পশ্চিম ইউনিয়নের নাম ‘বুধুন্ডা ইউনিয়ন’ করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এলাকাবাসী রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বুধুন্ডা-বাতাপুকুরিয়া সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্থানীয় জনগণ অবহেলিত রয়েছেন। বৃহত্তর বিতারা ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তবে তারা আশা করছেন, এর ফলে স্থানীয় জনগণের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: বরিশালে ডিএইচএমএস ভর্তি পরীক্ষা: সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দিল বিএমপি

এলাকাবাসীর দাবি, নতুন পশ্চিম ইউনিয়নের নাম ‘বুধুন্ডা ইউনিয়ন’ হতে হবে। তাদের মতামত হলো, বুধুন্ডা এলাকার নামেই নতুন ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হলে স্থানীয় ঐতিহ্য, পরিচয় এবং জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মনির হোসেন, শহীদ ভূঁইয়া, ওয়াদুদ মেম্বার, আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন, ইউসুফ বকাউল, চন্দু মুন্সী, জহির মোল্লা, আনোয়ার মোল্লা, কামাল প্রধান, রিহান প্রধান কুদ্দুস, আরিফ হোসেন, নেছার আহমেদ, সোহেল মুন্সী, রবিউল, বাসার প্রধান, রমিজ উদ্দিন পাটোয়ারী, জাকির হোসেন, সৈয়দ শাহিন এবং আবু তাহের বাবু প্রমুখ।

বক্তারা মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বুধুন্ডা ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা এবং নতুন ইউনিয়নের নাম ‘বুধুন্ডা ইউনিয়ন’ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: দুমকিতে লটারির মাধ্যমে কর্মী নির্বাচন, উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুথিদের বিরুদ্ধে সউদী আরবকে সাহায্য করতে মিশরের সামরিক সহায়তার অনুমোদন চান সিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


হুথিদের বিরুদ্ধে সউদী আরবকে সাহায্য করতে মিশরের সামরিক সহায়তার অনুমোদন চান সিসি

সউদী আরব যদি ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করতে চায়, তাহলে প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির জরুরি আবেদনের পর রবিবার মিশরের পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদ, সেখানকার বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোতে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির হামলার প্রেক্ষাপটে আল-সিসির এই সিদ্ধান্ত এসেছে।

শনিবার আল-সিসি এক ভাষণে জানান যে, মিশর সউদী আরবকে রক্ষা করতে "যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে"। তবে তিনি "আশা প্রকাশ করেন" যে পার্লামেন্ট তাকে এ বিষয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রশাসনিক অনুমোদন দেবে।

রবিবার মিশর জানিয়েছে, তারা সউদী আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় "সকল প্রয়োজনীয় ও সম্ভাব্য সহায়তা" প্রদান করবে। প্রেসিডেন্ট আল-সিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিশরের 'ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিল' জানিয়েছে, সউদী আরবের সম্পদ, ভূখণ্ড এবং ইসলামিক পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় মিশর সম্পূর্ণরূপে সৌদির পাশে রয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—মিশরের এই সহায়তার ধরণ কেমন হতে পারে? আর হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সউদী আরবকে রক্ষা করার জন্য মিশরের কতটা সক্ষমতা রয়েছে?

সউদী আরবকে সহায়তার পেছনে আল-সিসির সিদ্ধান্তের কারণ কী? সউদী আরব দীর্ঘদিন ধরে মিশরের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদার। গত মাসে আল-সিসি বলেছিলেন, সউদীর নিরাপত্তা মিশরের নিরাপত্তারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও পারস্য উপসাগরীয় বিষয়ক বিশেষজ্ঞ থমাস বনি জেমস আল জাজিরাকে জানান, সউদী আরবের ওপর হুথিদের এই নিরাপত্তা হুমকিই মিশরের এমন সিদ্ধান্তের একমাত্র কারণ নয়, এর পেছনে বড় একটি অর্থনৈতিক কারণও রয়েছে।

গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে ২০২৩ সাল থেকে লোহিত সাগরে ইসরাইল-সংযুক্ত জাহাজগুলোতে হুথি আক্রমণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে হুথিদের এই চাপের কারণে সুয়েজ খাল মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।" মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এই হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে সুয়েজ খাল প্রায় ১,১০০ কোটি ডলারের রাজস্ব হারিয়েছে।

জেমস আরও উল্লেখ করেন, কায়রোর কাছে এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, কারণ লাখ লাখ মিশরীয় নাগরিক সউদী আরবে বসবাস ও কাজ করেন, যা মিশরের বৈদেশিক মুদ্রার (রেমিট্যান্স) সবচেয়ে বড় একক উৎস। সম্প্রতি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় এক মিশরীয় নাগরিক নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অবনতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে গত আগস্টে স্বাক্ষরিত 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি' সক্রিয় করে তুরস্ক ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে সউদী আরবকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এমন অবস্থায় আঞ্চলিক মিত্র হিসেবে মিশর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে চায় না।

ইয়েমেন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি

ইয়েমেনে সংঘর্ষের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। রবিবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় হোদেইদাহে সউদী নেতৃত্বাধীন জোট দুটি বিমান হামলা চালিয়েছে। একই দিনে রিয়াদ এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের কাছে হুথিদের ছোড়া বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস করেছে সউদী বাহিনী। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এবং হুথিদের (আনসারুল্লাহ) মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রিয়াদের বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অন্তত ২০ বার হামলার শিকার হয়েছে।

সউদী-সমর্থিত বাহিনীগুলো তাইজ ও মারিবসহ একাধিক ফ্রন্টে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, গ্রীষ্মকালীন অভিযানের পর হুথিরা কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে। তবে জেমস আল জাজিরাকে সতর্ক করে বলেন, "হুথিদের পুরোপুরি পরাস্ত করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ। বিমান বাহিনীর সহায়তায় পদাতিক বাহিনী হয়তো উপকূলীয় এলাকাগুলো পুনরুদ্ধার করতে পারবে, কিন্তু পাহাড়ের খাঁজ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ করা বহুগুণ কঠিন।"

মিশরের পার্লামেন্টের ভূমিকা

মিশরের স্থানীয় সময় রবিবার দুপুর ১টায় (১০:০০ জিএমটি) এই অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মিশরের সংবিধান অনুযায়ী, পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন না কিংবা বিদেশে সেনা পাঠাতে পারেন না। এই প্রস্তাবটি পাশ হতে হলে 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস'-এর অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।

সউদী আরবের সাথে মিশরের নিরাপত্তা সহযোগিতা কেমন? মিশর ও সউদী আরবের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তবে রিয়াদের সাথে কায়রোর সামরিক সহযোগিতার একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গত জুলাই মাসে সউদী আরবের উদ্যোগে গঠিত 'মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স জোট'-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলো মিশর। লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীর সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই জোটের মূল লক্ষ্য।

এর আগে ২০২৪ সালেও সউদী আরবের সাথে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছিল মিশর। এছাড়া ২০১৫ সালেও যখন হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল দখল করে, তখনও সউদী জোটে ছিল কায়রো। সেসময় লোহিত সাগরের কৌশলগত নৌপথ সুরক্ষিত রাখতে মিশর তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী পাঠিয়ে সাহায্য করেছিল।

তবে বিশেষজ্ঞ জেমস মনে করেন, আল-সিসি এখন যে প্রস্তাবটি দিচ্ছেন তা সাম্প্রতিক সামুদ্রিক জোটের চেয়ে আলাদা। তিনি বলেন, "তিনি সরাসরি সউদী ভূখণ্ড রক্ষার জন্য মিশরীয় সেনা ও সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রশাসনিক অনুমতি চাইছেন। এটি মিশরকে একটি বহুপাক্ষিক সামুদ্রিক কাঠামোর গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক সামরিক প্রতিশ্রুতিতে যুক্ত করবে।"

সউদী আরবকে মিশরের সহায়তার প্রকৃতি কেমন হবে? প্রেসিডেন্ট আল-সিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি কেবল "আত্মরক্ষা ও সুরক্ষার" কথা বলছেন এবং "কারো সাথে যুদ্ধ বা কাউকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নয়।" সামরিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, পার্লামেন্টের অনুমতি মিললে মিশর মূলত ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র রোধী প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করবে। এই মুহূর্তে সউদী আরবের আকাশসীমা সুরক্ষিত করাই প্রধান অগ্রাধিকার।

একই সাথে বিশ্লেষকরা একে একটি কৌশলগত মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরোধ হিসেবেও দেখছেন। কারণ সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে সউদী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও, তাদের বিশাল সীমানা রক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত প্রযুক্তির প্রয়োজন।

জেমস আল জাজিরাকে জানান, মিশরের যেকোনো সহায়তা সউদী ভূখণ্ডের সুরক্ষাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে—যার মধ্যে রয়েছে সংবেদনশীল স্থাপনার চারপাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বসানো, ড্রোন ধ্বংস করা, নৌ-এস্কোর্ট এবং গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করা।

তবে মিশর কোনো অবস্থাতেই ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি সেনা পাঠাবে না। ১৯৬০-এর দশকে তৎকালীন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার সেনা পাঠিয়েছিলেন, যেখানে সউদী আরব ছিল বিপরীত পক্ষে। সেসময় মিশর বিপুল সৈন্য হারিয়েছিল এবং দুই দেশের সম্পর্ক চরম তিক্ত হয়ে উঠেছিল।

জেমস বলেন, "মিশর কখনোই ইয়েমেনের মাটিতে নিজেদের সেনা পাঠাতে চাইবে না। নাসেরের সেই ঐতিহাসিক তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে মিশর শিক্ষা নিয়েছে: সউদীকে রক্ষা করো, কিন্তু ইয়েমেনের যুদ্ধের দায় নিজের কাঁধে নিও না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, যা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, খেলাধুলা হচ্ছে মাদকের বিরুদ্ধে একটি নীরব ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

এছাড়া, হাজং সম্প্রদায়ের মাতৃভাষা রক্ষায় তিনি নিজ উদ্যোগে একটি বই প্রকাশের পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘হাজং সম্প্রদায়ের মাতৃভাষা রক্ষায় আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি বই প্রকাশ করেছি। আপনারা যে যার জায়গা থেকে বইটি সংগ্রহ করে শিশু-সন্তানদের পড়তে দেবেন, যাতে কালের বিবর্তনে হাজং ভাষা আমাদের সমাজ ও দেশ থেকে হারিয়ে না যায়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রমিত বাংলায় কথা বলব, কিন্তু নিজস্ব মাতৃভাষা যেন বিলুপ্ত না হয়, সে জন্যই আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বইটি প্রকাশ করেছি। হাজং সম্প্রদায়ের মাতৃভাষা রক্ষায় বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি চেষ্টা করছি সবার বাড়ি বাড়ি বইটি পৌঁছে দিতে।’

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মঙ্গল সরকার স্মৃতি জাতীয় হাজং ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে টঙ্গী একাদশ ও গিলাগড়া একাদশ মুখোমুখি হয়।

হাজং স্টুডেন্ট কাউন্সিল (হাসুক) এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এন. এম. আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফ, কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক, আয়োজক কমিটির সভাপতি তপন হাজং এবং সাধারণ সম্পাদক নাঈম হাজংসহ অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ই-জিপি ২.০ বাস্তবায়নের তাগিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ই-জিপি ২.০ বাস্তবায়নের তাগিদ

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) নতুন সংস্করণ ২.০ বাস্তবায়নের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। এ লক্ষ্যে বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং (বিপিআর) কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

রোববার ঢাকায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে বিপিপিএর সম্মেলন কক্ষে পরিচালনা পর্ষদের পঞ্চম সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যিনি পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি।

১০ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সভায় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণ করেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব এবং পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি সিরাজুন নূর চৌধুরী।

বৈঠকে বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানসহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ই-জিপি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ক্রয় প্রক্রিয়া আরো সহজ করার লক্ষ্যে বিদ্যমান প্ল্যাটফর্মকে ২.০ সংস্করণে উন্নীত করার চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। নতুন সংস্করণ বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

এছাড়া বিপিপিএর সম্প্রতি অনুমোদিত ১১০ জনবলবিশিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা আলোচনা করেন। সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চাকরি প্রবিধানমালা প্রণয়নের অগ্রগতিও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০০২ সালে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের অধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটিতে (বিপিপিএ) রূপান্তর করা হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৯ জুলাই সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সচিব পদে ১০ জন কর্মকর্তার বড় রদবদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


সচিব পদে ১০ জন কর্মকর্তার বড় রদবদল

প্রশাসনে সচিব পদে বড় রদবদল ঘটানো হয়েছে। ১০ জন কর্মকর্তার দপ্তর বদল, পদোন্নতি ও সংযুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়াকে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারকে পদোন্নতি দিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) রেক্টর ড. মো. কামরুজ্জামানকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে এই মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলামকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) রেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%