বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৭:৩৬ পি.এম
বাংলাদেশ পুলিশের পাঁচজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং একজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সংযুক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রাজিবুল হাসানকে সুনামগঞ্জের ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে এপিবিএনে, নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকারকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদর দফতরে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাওয়াত হোসেনকে পাবনায়, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হামায়ুন কবিরকে সুনামগঞ্জের দিরাই সার্কেলে এবং পুলিশ সদর দফতর ঢাকায় সংযুক্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসানকে র্যাবে বদলি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ দুই বছরের বিরতির পর বলিউডে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। নতুন সিনেমা ‘ইথা’র টিজারে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় ও নতুন লুক নিয়ে আলোচনা চলছে। নেটদুনিয়ায় টিজার মুক্তির পর শ্রদ্ধার জাদুতে দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে পড়েছেন।
ভারতের কিংবদন্তি ‘তামাশা’ ও 'লাবণী' শিল্পী বিথাবাই ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকরের জীবন নিয়ে তৈরি বায়োপিক ‘ইথা’। এই সিনেমায় ১৯৪০ থেকে ১৯৯০ সালের দশক পর্যন্ত বিথার অসাধারণ জীবনযাত্রা তুলে ধরা হয়েছে। তার খ্যাতির শীর্ষে ওঠার পাশাপাশি জীবনের নানান প্রতিকূলতার কথা পর্দায় স্থান পেয়েছে। ২০২৪ সালের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘স্ত্রী ২’ এর পর এ সিনেমা দিয়েই প্রেক্ষাগৃহে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নায়িকা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে ‘ইথা’ সিনেমার টিজার। টিজারে দেখা যাচ্ছে, নৃত্যশিল্পী বিথাবাই চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রদ্ধা। মঞ্চের পেছনে তিনি সন্তান জন্ম দেন এবং এরপর তিনি নৃত্য প্রদর্শনের জন্য ভরা মঞ্চে ওঠেন।
টিজারে আরও দেখা যায়, নাচের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সদ্য মা হওয়া বিথা অবিচল থাকেন। এমন পরিস্থিতিতেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা করেন, "বারবার পড়ে গিয়ে মারা গেলে লোকে আমাকে অসহায় নারী হিসেবে মনে রাখবে ৷ কিন্তু নাচতে নাচতে মারা গেলে আমি এক কিংবদন্তি হয়ে উঠবো।"
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেটদুনিয়ায় টিজার প্রকাশের পর পরই সিনেমাটি সিনেপ্রেমীদের মাঝে কৌতূহল তৈরি করেছে। সিনেমায় শ্রদ্ধার নতুন লুক দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়াচ্ছে। ভক্ত ও সমালোচক মহলেও তিনি প্রশংসা কুড়াচ্ছেন।
এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধাকে উদ্দেশ্য করে এক ভক্ত লেখেন, "এটি শ্রদ্ধার জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার মতো একটি কাজ। কী অসাধারণ স্ক্রিন প্রেজেন্স, আভা এবং অভিনয়! তিনি সত্যিই বাজিমাত করেছেন।" আরেকজন লেখেন, "শ্রদ্ধা দুর্দান্তভাবে ফিরে এসেছেন। গা শিউরে ওঠার মতো অনুভূতি! এই চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্যই যেন আপনার জন্ম!"
‘ইথা’য় প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে শ্রদ্ধা কাপুরকে। ম্যাডক ফিল্মসের ব্যানারে ও দীনেশ ভিজানের প্রযোজনায় নির্মাণ করা হয়েছে এ সিনেমা। এতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণদীপ হুডা ও মোহাম্মদ জিশান আইয়ুব। সিনেমাটি চলতি বছরের আগামী ২৮ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সরকার দেশের নদ-নদীর অবৈধ দখল ও দূষণরোধে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী জানান, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) মোট ২৮ হাজার ৩২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ফেলেছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে ১ হাজার ২৪৪ দশমিক ২২ একর তীরভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, উচ্ছেদ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
আজ সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন-এর তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নদীবন্দরগুলোর ফোরশোর জরিপ করে সীমানা নির্ধারণ করা হচ্ছে এবং চিহ্নিত ফোরশোর এলাকায় সীমানা পিলার স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নদীবন্দরের সীমানাভুক্ত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা শনাক্ত ও উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ দখল ও দূষণরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে অবৈধ দখলদার ও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে এবং ফোরশোর এলাকায় পাওয়া অবৈধ মালামাল জব্দ বা নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ভরাট অপসারণের পর পুনরায় দখল ঠেকাতে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে উচ্ছেদকৃত স্থানে নান্দনিক ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক, আরসিসি জেটি ও স্টেপস নির্মাণের পাশাপাশি বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যা নদীর পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন জেলা ও উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতায় সারা দেশে নদ-নদীর অবৈধ দখল ও দূষণরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মন্ত্রী জানান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা হালনাগাদ করেছে।
২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে নদ-নদীর মোট ২১ হাজার ৯৮৮ জন অবৈধ দখলদার শনাক্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলদারদের তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কমিশনের উদ্যোগে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি অ্যাসিওরেন্স টিম পদে জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
যারা আগ্রহী, তারা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
আবেদন শুরু হয়েছে ২৪ জুন থেকে এবং এটি চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।
নিয়োগের পর প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী আরও বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি।
পদের নাম: অ্যাসিওরেন্স টিম।
বিভাগ: আইসিসিডি (এফভিপি টু ভিপি)।
পদসংখ্যা: ০৪টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিং, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, ম্যানেজমেন্ট, অর্থনীতি বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি/এমবিএ।
অন্যান্য যোগ্যতা: আর্থিক খাতে অভ্যন্তরীণ/বাহ্যিক নিরীক্ষা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বা কমপ্লায়েন্সে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: ১৫ বছর।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)।
বয়সসীমা: ৪২ থেকে ৫২ বছর।
কর্মস্থল: ঢাকা।
বেতন: আকর্ষণীয় বেতন।
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী।
আবেদন কীভাবে করতে হবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৫ জুলাই ২০২৬।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়, দেশের বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি সেবা খাতে এক বছরে মোট ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা ঘুস লেনদেন হয়েছে, এই তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঘুস হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে 'সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫' শীর্ষক প্রতিবেদনের ফলাফল প্রকাশকালে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। টিআইবি'র মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালীন সেবা খাতের দুর্নীতির চিত্র বিশ্লেষণ করে পরিচালিত খানা জরিপ থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নমুনাকাঠামো ব্যবহার করে দেশের আটটি বিভাগের গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে দুই ধাপে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ১ হাজার ১৪৯টি এলাকা নির্বাচন করে এই জরিপ করেছে টিআইবি। জরিপে সুনির্দিষ্ট ১৮টি সেবা খাতের দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।
এর আগে ২০২৩ সালে টিআইবি এই জরিপটি সম্পন্ন করেছিল।
বর্তমান জরিপের ফলাফল বলছে, ২০২৩ সালের মতো ২০২৫ সালেও পাসপোর্ট (৭৬.৬ শতাংশ) ও বিআরটিএ (৬৩.৫) থেকে সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ ঘুস ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, কৃষি, ভূমি ও বিচার সংশ্লিষ্ট সেবা। এসব খাতে পরিবার প্রতি গড় ঘুসের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।
তবে সার্বিকভাবে পরিবার প্রতি গড় ঘুসের পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। গত বছরে খানাপ্রতি গড় ঘুসের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ১২৪ টাকা।
জরিপে অংশ নেওয়া ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার মনে করে, ঘুস ছাড়া সেবা পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বিচারিক সেবায় ঘুস ও দুর্নীতির উচ্চ হার মানুষের ন্যায় বিচারের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। কৃষি, স্থানীয় সরকার, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পাসপোর্ট ও বিআরটিএ খাতেও দুর্নীতির প্রবণতা বেড়েছে বা আগের মতোই রয়ে গেছে।
দুর্নীতির শিকার হওয়ার পরও ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি। তাদের মতে, পুরো ব্যবস্থাটিই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। আবার প্রায় অর্ধেক পরিবারেরই দুর্নীতির অভিযোগ কোথায় ও কীভাবে করতে হয়, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।
দুদক সম্পর্কে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সরকারি অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সম্পর্কে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার জানলেও অভিযোগ করার হার অত্যন্ত কম। অভিযোগ করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা হয়নি বা কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
জরিপে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুর্নীতির অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে বিচারহীনতা, সচেতনতাহীনতা এবং দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির বদলে সুবিধা পাওয়া।
জরিপে আরো দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলের পরিবারের সদস্যরা শহরের তুলনায় বেশি ঘুসের শিকার হয় (৬৬ শতাংশ বনাম ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ)। তবে ঘুসের পরিমাণের দিক থেকে শহরের পরিবারগুলো বেশি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছে। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো তাদের আয়ের তুলনায় বেশি ঘুস দিতে বাধ্য হয়।
টিআইবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নারী, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী’ ব্যক্তিদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন খাতে ডিজিটাল সেবা চালু হওয়ার পরেও তা দুর্নীতি কমাতে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই সেবাগ্রহীতাদের এখনও দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, ফলে ঘুস ও দুর্নীতির সুযোগ বিদ্যমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ