০৪:১৩ পি.এম
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দা’র কোপে দুজন পুলিশ অফিসার আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ অফিসারদের মধ্যে একজন হচ্ছেন হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এবং অন্যজন হলেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ। স্থানীয় পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গন্দুকুড়ি গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, যিনি রাশেদ নামেও পরিচিত, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়েছেন আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাশেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই আব্দুল লতিফ তার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আসামি রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তার করতে এড়াতে এসে দুই পুলিশ অফিসারকে লক্ষ্য করে দেশি ধারালো দা দিয়ে বেশ কয়েকটি এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে তাদের রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যান। এই হামলায় এসআই রুহুল আমীনের হাতের কব্জিসহ শরীরের একাধিক স্থানে রক্তাক্ত ক্ষত সৃষ্টি হয়। একইভাবে আঘাত পান এএসআই আব্দুল লতিফও। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে থানার অতিরিক্ত পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসআই রুহুল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় তাকে সেখান থেকে শনিবার সকালে বেসরকারি হাসপাতাল রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ডক্টরস ক্লিনিক) ভর্তি করা হয়েছে। হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত হামলার শিকার হন দুই পুলিশ অফিসার। উন্নত চিকিৎসার জন্য এসআই রুহুল আমিনকে রংপুর ডক্টরস ক্লিনিকে অপারেশনের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন