ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কামড় দেওয়া সাপ নিয়ে হাসপাতালে যুবক


কামড় দেওয়া সাপ নিয়ে হাসপাতালে যুবক

রাজবাড়ীর পাংশার মাছপাড়ায় খরের পালায় কাজ করার সময় মো. শহমান নামে এক যুবককে গোখরো সাপে কামড় দিয়েছে। এরপর স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য পাংশা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেই কামড়ানো সাপটিকেও প্লাস্টিকের বয়ামে বন্দি করে সঙ্গে নিয়ে যান ওই যুবক।

এ ঘটনা ঘটে সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের রামকোল এলাকায়।

জানা গেছে, দুপুরের সময় খড়ের পালায় কাজ করার সময় একটি বিষাক্ত গোখরা সাপ শহমানের ডান হাতে ছোবল দেয়। এ সময় শহমান চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এসে সাপটিকে একটি প্লাস্টিকের বয়ামে আটক করে আহত শহমানকে সাপসহ পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ৫ শতাধিক চারা বিতরণ ও রোপণ

পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত যুবককে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং তার শরীরে প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম প্রয়োগ করেন। তবে তার অবস্থা অবনতি হওয়ার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের শিক্ষক পদায়ন ও বদলিতে ৪ স্তরের বিশেষ কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


প্রাথমিকের শিক্ষক পদায়ন ও বদলিতে ৪ স্তরের বিশেষ কমিটি গঠন

সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন ও কর্মরত সকল শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম সুশৃঙ্খল এবং স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে সরকার বড় ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষক পদায়ন ও বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই, পর্যালোচনা এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে চার স্তরের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার (২১ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ অধিশাখা থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা এই প্রজ্ঞাপনে সব কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষক বদলির আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত ‘জাতীয় কমিটি’-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব। এই কমিটি সদস্য হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নথি অনুসারে বিদ্যালয় অনুবিভাগ)। কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা আহ্বান করে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করবে এবং সভার কার্যবিবরণীসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। আন্তঃবিভাগ অথবা আন্তঃসিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন এই কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) বদলির আদেশ জারির ব্যবস্থা করবেন।

অন্যদিকে, আন্তঃবিভাগ প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গঠিত ‘বিভাগীয় কমিটি’-এর সভাপতি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারকে। এই পাঁচ সদস্যের কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবে বিভাগীয় উপপরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা) এবং সভাপতির মনোনীত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা)। এই কমিটিও প্রতি মাসে অন্তত একবার সভার মাধ্যমে শিক্ষকদের বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাবে। একই বিভাগের মধ্যে সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন এই বিভাগীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক জারির ব্যবস্থা করবেন।

জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়ন এবং কর্মরত শিক্ষকদের বদলির আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ‘জেলা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসককে (ডিসি) সভাপতি করে গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সভাপতি কর্তৃক মনোনীত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। কমিটির সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এই কমিটি প্রতি মাসে ন্যূনতম একবার সভা করে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করবে এবং বিস্তারিত প্রতিবেদন বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়ে পাঠাবে। নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লটারির মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন নিশ্চিত করা এই কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হবে। একই জেলার মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন এই জেলা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জারির ব্যবস্থা করবেন।

তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষকদের বদলি আবেদন নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উপজেলা বা থানা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) সভাপতি করে ‘উপজেলা বা থানা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং সভাপতি কর্তৃক মনোনীত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে থাকবেন উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এই কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভার মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠাবে। একই উপজেলা বা থানার মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদনের জন্য এই কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জারির ব্যবস্থা করবেন।

প্রজ্ঞাপনে চার স্তরের সকল কমিটির জন্য বিশেষ সাধারণ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যেসকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা পূর্বে ‘প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে’ বদলির আদেশ পেয়েছেন, সেসকল বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে। জনস্বার্থে এই নতুন নিয়ম অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


রংপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

রংপুর নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ অভিযানে রেজিস্ট্রেশন এবং লাইসেন্স নবায়ন না করা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক অনিয়মের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে যে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার উপপরিচালক ডা. মো. ইব্রাহীম টিটনের নেতৃত্বে এ অভিযান চলছিল। রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত আরা জরিমানার আদেশ কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভূমিকা রাখেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর মাধ্যমে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মান, বৈধতা এবং রোগী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছিল উদ্দেশ্য। অভিযানের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পাশাপাশি ওষুধ সংরক্ষণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ধাপ এলাকার ‘আমার দেশ হাসপাতাল’-এ রেজিস্ট্রেশন নবায়ন না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের প্রমাণ মেলে। এই কারণে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর ‘ফার্স্ট কিওর স্পেশালাইজড অ্যান্ড ট্রমা সেন্টার’-এ লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা, অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যানেসথেসিয়া ওষুধ সংরক্ষণ করা এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের কারণে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ‘ল্যাবএইড ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিংহোম’-এ রেজিস্ট্রেশন না থাকার এবং অন্যান্য অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার ফলে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এর সঙ্গে এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ এবং কার্যক্রম নিয়মের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযানের খবর পেয়ে নগরীর ‘হাবিব ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের পর ডা. মো. ইব্রাহীম টিটন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। যেসব প্রতিষ্ঠান নিয়মনীতি অনুসরণ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত আরা বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা খাতে সামান্য অনিয়মও রোগীদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বলেন, ‘বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তদারকির প্রয়োজনীয়তাও বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগীদের নিরাপত্তা এবং সেবার মান নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম চালাতে হবে।’ স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি থেকে পিয়ন, সবার কাছে বিরোধীদলীয় নেতার ‘১০ কেজির সারপ্রাইজ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


এমপি থেকে পিয়ন, সবার কাছে বিরোধীদলীয় নেতার ‘১০ কেজির সারপ্রাইজ’

রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক বা আইন পাসের ব্যস্ততার মধ্যে কোনো কিছু না হওয়ার অবস্থানের পরিবর্তে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের একটি ‘সারপ্রাইজ’ উপহার পেয়ে পুরো সংসদ সচিবালয় ছিল মুখরিত।

জাতীয় সংসদ ভবনে সোমবার (২২ জুন) এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়।

স্পিকার, মন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সকল সংসদ সদস্য (এমপি) সহ, সংসদ সচিবালয়ের সকল শ্রেণির কর্মকর্তা এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরাও পেয়েছেন এই বিশেষ উপহার। প্রত্যেকের হাতে বা ডেস্কে পৌঁছে গেছে ১০ কেজি ওজনের একটি করে উপহারের আমের প্যাকেট।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সকাল থেকেই সংসদ ভবনের করিডোরগুলোতে ছিল কৌতূহল, কী আছে এ ১০ কেজির প্যাকেটে? সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পাঠানো এই সুদৃশ্য প্যাকেটে ছিল মৌসুমী সুস্বাদু ফল (প্রিমিয়াম কোয়ালিটির আম)। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা সংসদের প্রতিটি দফতরে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেন।

বিরোধীদলীয় নেতার অফিসের সংশ্লিষ্টরা জানান, কোনো পক্ষ বাদ পড়ে যায়নি। এই উপহার বিতরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল এর সমবণ্টন। সাধারণত ভিআইপিরা বিভিন্ন উপহার পেয়ে থাকেন, কিন্তু ডা. শফিকুর রহমানের এই উপহারের তালিকায় সংসদের ঝাড়ুদার, পিয়ন, লিফটম্যান এবং গাড়িচালকরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

উপহার পেয়ে সংসদ সচিবালয়ের একজন অফিস সহায়ক বলেন, "আমরা তো ছোট চাকরি করি, বড় বড় নেতাদের উপহার শুধু দূর থেকেই দেখি। আজ বিরোধীদলীয় নেতা নিজে আমাদের কথা মনে করে ১০ কেজির এ উপহার পাঠিয়েছেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সম্মানের।"

বাংলাদেশের পরিচিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি ও বিরোধীদলের সম্পর্কের বরফ যেখানে সহজে গলে না, সেখানে তার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্যও।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে ভিন্নধর্মী ও মানবিক নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন। আজকের এই উপহার বিতরণ কেবল কোনো বস্তুগত লেনদেন নয় বরং এর মাধ্যমে তিনি সব পক্ষকে সাথে নিয়ে চলার এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে মূল্যায়নের একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

চলমান বাজেট অধিবেশনে সংসদ কক্ষে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীদের আসন খালি থাকা নিয়ে।

জবাবে চিফ হুইপ সাফাই গেয়ে বলেন, বাজেটসংক্রান্ত সব বিষয়ে শেষকথা অর্থমন্ত্রীই বলবেন।

সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সাইফুল ইসলাম খান মিলন এই সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক নোট করে এখানে আসি। সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই এখানে বক্তব্য দেয়। কিন্তু এখানে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, অনেক মন্ত্রী নেই। মন্ত্রীদের চেয়ার সব খালি।’

এ বিষয়ে তিনি অধিবেশন কক্ষে মন্ত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন। সংসদ সদস্যের এই আপত্তির পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অধিবেশনে আমরা মাননীয় মন্ত্রীদের আরো উপস্থিতি দেখতে চাই। অর্থমন্ত্রী অন্তত এখানে আছেন। তবে অন্য মন্ত্রীদেরও অনুরোধ জানাচ্ছি সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে। বাজেট সেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেশন, তারা থাকলে আমরা বাধিত হবো।’

এর পরই ফ্লোর নেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, ‘অনেকে রাষ্ট্রীয় কাজে বা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন, এটা ঠিক। তবে সংসদে তাদের আসা উচিত, এলে ভালো হয়। তবে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আগাগোড়া এখানে উপস্থিত আছেন। কারণ বাজেটসংক্রান্ত সব বিষয়ে যে কথা বলা হয়, সব কথার শেষকথা গিয়ে অর্থমন্ত্রীই বলবেন। তিনি স্বাস্থ্য খাতেও বলবেন, বিদ্যুৎ খাতের কথাও বলবেন, পুলিশের কথাও বলবেন, আইনের কথাও বলবেন। সব কথাই অর্থমন্ত্রী বলবেন, সে কারণে তিনি প্রেজেন্ট থাকেন।’

চিফ হুইপ আরো উল্লেখ করে বলেন, অর্থমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকার (এলজিআরডি) মন্ত্রী সব সময় উপস্থিত থাকেন। আমি আশা করব অন্যান্য যেসব মন্ত্রী এখানে উপস্থিত হন না, তারা যেন উপস্থিত হন এবং উপভোগ করেন। বিরোধী দল ও সরকারি দলের যেসব সদস্য কথা বলেন, সেগুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%