সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪১ পি.এম
চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন।
আজ সোমবার সকালে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালত এ তারিখ নির্ধারণ করেন। আইনজীবী সুমন জানান, আজ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিরা আত্মপক্ষ সমর্থনে সাফাই সাক্ষ্য প্রদানের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যের জন্য উক্ত তারিখ নির্ধারণ করেন।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছেন আদালত। মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এবং কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজের ৩০০ গজ উত্তরে পাকা রাস্তাসংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত (বয়স আনুমানিক ৩২ বছর) এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের জন্য আঙুলের ছাপ নেওয়া হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
তদন্তে জানা যায়, মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর। দাম্পত্য কলহের কারণে ওই বছরের ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময় শিমুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একই বছরের ২৯ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) শহিদুল ইসলাম দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। পরবর্তীতে ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সার্বিয়ার আগাম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী স্টুডেন্ট লিস্টের কারণে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুসিচ। তাঁর মতে, ইউরোপের কিছু দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেট’ এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলগ্রেডে সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির সদর দপ্তরে ভুসিচ এসব মন্তব্য করেন। রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে ‘বিপ্লব’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভুসিচ দাবি করেছেন, এই পরিবর্তনের পেছনে ইউরোপের কিছু দেশের এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী মহলের সমর্থন ছিল।
ভুসিচ আরো বলেন, রাশিয়ার ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আগামী বছরের মার্চ বা এপ্রিলের মধ্যে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তের তথ্য দেননি।
অন্যদিকে, স্টুডেন্ট লিস্ট পূর্বে জানিয়েছে যে, তারা রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরুদ্ধে। ফলে ভুসিচের উদ্বেগ এবং দলটির প্রকাশিত অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মো. ওয়াসিম হোসেন (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।
সোমবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি চণ্ডীপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের পুত্র।
ওয়াসিমের বড় ভাই ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন ধরে ওয়াসিম প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন এবং তার জ্বর কমছিল না। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওয়াসিমকে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি মারা যান।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় ২১৫ কেজি ওজনের একটি কালো কষ্টিপাথর উদ্ধার করেছে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত পাথরের সিজার মূল্য ১ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টায় কুসুম্বা ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে বিজিবি, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়।
আটককৃত ব্যক্তি খামারপাড়া গ্রামের শ্রী ভবেন্দ্র কৃষ্ণের পুত্র শ্রী কৃষ্ণ (৩৪) হিসেবে চিহ্নিত হয়। তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালসহ মোট সিজার মূল্য ১ কোটি ৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা হয়েছে।
২০ বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত পাথরটি পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আটক আসামিকে পাঁচবিবি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি ভর্তুকির অধীনে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ৭৭৭ টাকা। কিন্তু সাধারণ জনগণ কেন এই দামে সিলিন্ডার পাচ্ছেন না, এই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সরকারি এলপিজি বিতরণ ব্যবস্থায় অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের কার্যক্রম চলছে এবং এর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে, তিনি তার যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই দাবি জানান।
পোস্টে হামিদুর রহমান আযাদ উল্লেখ করেন, ১২ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭৭৭ টাকা। অন্যদিকে, বেসরকারি কোম্পানির ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারনির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। দুই ধরনের সিলিন্ডারের মধ্যে দামগত বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও, সরকারি ভর্তুকির সুবিধা সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছাচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তার পোস্টে উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর বাজারে ১৮ থেকে ২০ লাখ সরকারি এলপিজি সিলিন্ডার ছাড়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর পরিবর্তে কথিত ‘কাগুজে ডিলার’ ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির গুদামে চলে যায়। পরে সেগুলো আবার রিফিল করে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়।
এভাবে প্রতি বছর সরকারের অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তিনি তুলে ধরেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের এই নেতা।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অর্থে ভর্তুকি দেওয়া হলেও সেই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছানো এবং কোনো অসাধু চক্রের মুনাফার উৎসে পরিণত হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষের ব্যয় কমানো। তাই প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এই সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি সরকারি এলপিজি বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা এবং ভর্তুকিমূল্যের সিলিন্ডার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ