ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ


মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

চলমান বাজেট অধিবেশনে সংসদ কক্ষে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীদের আসন খালি থাকা নিয়ে।

জবাবে চিফ হুইপ সাফাই গেয়ে বলেন, বাজেটসংক্রান্ত সব বিষয়ে শেষকথা অর্থমন্ত্রীই বলবেন।

সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সাইফুল ইসলাম খান মিলন এই সমালোচনা করেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক নোট করে এখানে আসি। সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই এখানে বক্তব্য দেয়। কিন্তু এখানে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, অনেক মন্ত্রী নেই। মন্ত্রীদের চেয়ার সব খালি।’

এ বিষয়ে তিনি অধিবেশন কক্ষে মন্ত্রীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্পিকারের সহযোগিতা কামনা করেন। সংসদ সদস্যের এই আপত্তির পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অধিবেশনে আমরা মাননীয় মন্ত্রীদের আরো উপস্থিতি দেখতে চাই। অর্থমন্ত্রী অন্তত এখানে আছেন। তবে অন্য মন্ত্রীদেরও অনুরোধ জানাচ্ছি সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে। বাজেট সেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেশন, তারা থাকলে আমরা বাধিত হবো।’

এর পরই ফ্লোর নেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, ‘অনেকে রাষ্ট্রীয় কাজে বা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন, এটা ঠিক। তবে সংসদে তাদের আসা উচিত, এলে ভালো হয়। তবে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আগাগোড়া এখানে উপস্থিত আছেন। কারণ বাজেটসংক্রান্ত সব বিষয়ে যে কথা বলা হয়, সব কথার শেষকথা গিয়ে অর্থমন্ত্রীই বলবেন। তিনি স্বাস্থ্য খাতেও বলবেন, বিদ্যুৎ খাতের কথাও বলবেন, পুলিশের কথাও বলবেন, আইনের কথাও বলবেন। সব কথাই অর্থমন্ত্রী বলবেন, সে কারণে তিনি প্রেজেন্ট থাকেন।’

চিফ হুইপ আরো উল্লেখ করে বলেন, অর্থমন্ত্রী ছাড়াও স্থানীয় সরকার (এলজিআরডি) মন্ত্রী সব সময় উপস্থিত থাকেন। আমি আশা করব অন্যান্য যেসব মন্ত্রী এখানে উপস্থিত হন না, তারা যেন উপস্থিত হন এবং উপভোগ করেন। বিরোধী দল ও সরকারি দলের যেসব সদস্য কথা বলেন, সেগুলো মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকে বৃত্তির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানাল অধিদফতর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


প্রাথমিকে বৃত্তির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানাল অধিদফতর

দীর্ঘ জটিলতা কাটানোর পর, অবশেষে চলতি জুন মাসের শেষের দিকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আইপিইএমআইএস লাইভ সার্ভারে ফল দেখার লিংক উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য-ব্যবস্থাপনা-বিভাগের সিস্টেম অ্যানালিস্ট দিলীপ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ফলাফল প্রায় প্রস্তুত হয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র সামান্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ বাকি আছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই এই ফলাফল প্রশাসন বিভাগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এরপর প্রশাসন বিভাগ ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, চলতি মাসেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

২০০৯ সালে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রচলিত বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু করা হয়েছিল। তখন এই পাবলিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সালে পিইসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং শিক্ষার্থীদের ওপর পড়াশোনার বাড়তি চাপ কমাতে সমাপনী পরীক্ষাটি স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়।

এই পদ্ধতি বন্ধ হওয়ার পর, দীর্ঘ ১৩ বছর পরে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ফের পরীক্ষামূলকভাবে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত ৮২ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর থেকে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় এবং ওই বছরের শেষেই পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইনি ও মামলা জটিলতার কারণে পরীক্ষাটি আটকে যায়। পরে সব সংকট কাটানোর পর চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ, এই দুই ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে নির্বাচিত করা হবে। পাশাপাশি, মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট বিতর্কে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


বাজেট বিতর্কে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

চলমান বাজেট অধিবেশনে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন প্রশ্ন তুলেছেন। এই সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও সংসদে মন্ত্রীদের আরও বেশি উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা বলেন। তিনি আরও বলেন যে অর্থমন্ত্রী উপস্থিত থাকায় সংসদ সদস্যদের শুকুর করতে হবে। পরে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা এবং উপনেতা সংসদে উপস্থিত না থাকায় সরকার দলের একজন এমপি বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

সোমবার স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা চলাকালে ঢাকা-১২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, তিনি লক্ষ্য করেছেন যে বাজেট অধিবেশনে অধিকাংশ সময় নিজেদের অধিকাংশ মন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন না। তিনি বলেন, "এটা তো আমরা আসলে এত নোট করে নিয়ে আসি। আমাদের সরকারি দল, বিভিন্ন দল, সকলেই বক্তব্য দেন।"

তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "এইখানে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তারপরে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অনেক মন্ত্রী নেই। মন্ত্রীদের চেয়ার সব খালি। এ ব্যাপারে আপনার সহযোগিতা চাচ্ছি মাননীয় স্পিকার।"

জবাবে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "বাজেট অধিবেশনে মন্ত্রীদের আরও উপস্থিতি দেখতে চাই। শুকর করেন যে অর্থমন্ত্রী অন্তত আছেন এখানে। কিন্তু অন্যান্য মন্ত্রীদেরকেও অনুরোধ জানাবেন সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে। বাজেট সেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন। তারা থাকলে আমরা বাধিত হব।"

এরপর চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, "অনেকে রাষ্ট্রীয় কাজের কারণে ব্যস্ত থাকেন, তবে সংসদে তাদের উপস্থিত থাকা উচিত।" তিনি জানান, "বাস্তবতাটা হলো এই যে অনেকে রাষ্ট্রীয় কাজে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে, তবে সংসদে তাদের আসা উচিত। বাস্তবে, অর্থমন্ত্রী সর্বদা এখানে উপস্থিত আছেন। বাজেট সংক্রান্ত বিষয়ে যদি কথা বলা হয়, সকল কথা শেষে অর্থমন্ত্রীই বলবেন। স্বাস্থ্য খাত, বিদ্যুৎ খাত, পুলিশের কথা, আইনের কথাও অর্থমন্ত্রী বলবেন। সার্বিকভাবে অর্থমন্ত্রী থাকার কারণে আলোচনা সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।"

চিফ হুইপ আরও বলেন, "আমাদের মহাসচিব এবং এলজিআরডি মহোদয় সবসময় উপস্থিত থাকেন। অন্যান্য মন্ত্রীও থাকেন। তবে আমি আশা করব অন্যান্য যারা, যেসব মন্ত্রী এখানে উপস্থিত থাকেন না তারা যেন উপস্থিত হন এবং সংসদে উপভোগ করেন। কেবল বিরোধী দল নয়, সরকারি দলের সদস্যদেরও উচিত, যেসব কথা বলেন সেগুলো মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।"

এ সময় টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে বলেন, "বিরোধী দলের সংসদ সদস্য বললেন আমাদের মন্ত্রীরা নেই, ঠিক আছে। বলার আগে যদি নিজের দিকে তাকিয়ে বলতেন, সংসদে বিরোধী দলের নেতা এবং উপনেতা দুইজনের কেউই নাই। তাদেরও ঠিকমতো থাকতে হবে।"

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার বলেন, "বিরোধী দলের নেতা না থাকলে অসুবিধা নাই, কিন্তু মন্ত্রীদের থাকা প্রয়োজন। তাদের সমস্যা তো মন্ত্রীদের পক্ষেই তারা বলবেন। তবুও সংসদের সৌন্দর্য রক্ষার্থে সকলেরই উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয়।"

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সফর সঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বর্তমানে মালয়েশিয়া রয়েছেন।

এদিকে সংসদের বৈঠক বিকাল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সোমবার তা মিনিট পাঁচেক পরে শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। সোয়া ৩টার দিকে দেখা যায় সরকারি দলের প্রথম সারিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ ৪ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত রয়েছেন। এ সময়ে প্রথম তিন সারিতে চিফ হুইপ, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ ৬৪টি আসনের মধ্যে ২১ জন উপস্থিত ছিলেন। তিনটার কিছু পরে সংসদের বৈঠকে যোগ দেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় বিরোধী দলের প্রথম সারিতে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং উপনেতা ডা. আবদুল্লাহ মো. তাহের অনুপস্থিত ছিলেন। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সংসদের বৈঠকের শুরুর দিকে সরকারি দলের তুলনায় বিরোধী দলের সদস্যদের উপস্থিতি কিছুটা বেশি ছিল, তবে সরকারি দলের সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপিদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুস্তাফা মনোয়ারকে দেখতে হাসপাতালে সংস্কৃতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


মুস্তাফা মনোয়ারকে দেখতে হাসপাতালে সংস্কৃতিমন্ত্রী

দেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী এবং পাপেট শিল্পের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ারের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন। নিউমোনিয়াজনিত জটিলতার কারণে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তার অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর সংস্কৃতিক্রমণের পক্ষ থেকে পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। শিল্পীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার একটি চেক পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মুস্তাফা মনোয়ারকে দেখতে যান সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। এ সময় তারা শিল্পীর শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে শিল্পীর সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার খোঁজও নেন।

সাক্ষাৎ শেষে, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিল্পীর পরিবারের হাতে আরও একটি আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে যেসব গুণীজন অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাদের যেকোনো সংকটে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব এবং অঙ্গীকার। তারা বরেণ্য এই শিল্পীর দ্রুত আরোগ্য কামনাও করেন।

গত সপ্তাহে মুস্তাফা মনোয়ারের স্ত্রী মেরী মনোয়ার গণমাধ্যমকে জানান, নিউমোনিয়ার ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে তার স্বামীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে মুস্তাফা মনোয়ার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সে সময় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে উঠলেও সাম্প্রতিক নিউমোনিয়ার সংক্রমণ আবারও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটিয়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি: কর অঞ্চলে যোগ দিতে এসে গ্রেফতার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি: কর অঞ্চলে যোগ দিতে এসে গ্রেফতার ৩

কর অঞ্চল নোয়াখালীর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রবেশপত্রে ছবি জালিয়াতি সন্দেহে আরও এক জালিয়াতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে এক নতুন দুই কর্মচারীকে জালিয়াতির কারণে চিহ্নিত করা হয়। তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে, গত রোববার (২১ জুন) রাতের প্রথম দফায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সোমবার সকালে অফিস সহায়ক পদে যোগদান করতে আসা সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশে দেয়া হয়। সুজন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তৈয়ব উল্যাহর ছেলে (রোল: ১৬০০১৭৮৯)। তবে একই পদে আসা নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তারেক উদ্দিনের ছেলে রাশেদ উদ্দিন (রোল: ১৬০০৩৫৩১) পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কার্যালয় থেকে পালিয়ে যান।

রোববার রাতে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তারা হলেন: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুর গ্রামের নাসফুর উল্যাহ হুমায়ুন (রোল: ১৫০০২৩১৯) এবং অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাওয়া হাতিয়ার গুল্যাখালীর বাসিন্দা কামাল উদ্দিন। কামাল উদ্দিনের বাবা মো. আনছারুল হক। তারা দুজনেই লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে প্রথম স্থান অর্জন করে চাকরিতে যোগদান করতে এসেছিলেন। গ্রেফতার হওয়া নাসফুর উল্যাহ হুমায়ুনের মামা নূরনবী আয়কর বিভাগেই কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, অফিস সহায়ক পদে নিয়োগপত্র পাওয়া কামাল উদ্দিনের সঙ্গে মো. জুলফিকার আলী রায়হানের ১২ লাখ টাকার চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত মোতাবেক আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক হাতিয়া শাখা থেকে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) ঢাকার বনশ্রী শাখায় টাকা পরিশোধ করা হয়। কামালের পক্ষে আব্দুল হান্নান নামের এক যুবক লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আয়কর দফতরের সূত্র জানায়, গত ১১ জুন কর অঞ্চল নোয়াখালীর অধীনে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা শেষে ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে ১১২ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিতদের মেডিকেল রিপোর্ট ও প্রয়োজনীয় সনদসহ রোববার (২১ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী যখন তারা যোগদান করতে আসলে প্রথম স্থান অধিকার করা প্রার্থীদের দেখে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রক্সি দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

পরবর্তীতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ও সিআইডিকে খবর দেয়া হলে তারা কর অফিসে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রক্সির বিষয়টি নিশ্চিত হন। বর্তমানে আটকরা সুধারাম মডেল থানা হেফাজতে রয়েছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের একটি জালিয়াতি চক্রের সাথে ১২ থেকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের চুক্তি হয়েছিল। চক্রটি বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি দিয়ে থাকে। চাকরির আবেদন করার সময়ই তারা চুক্তি করা পরীক্ষার্থীর ছবি পরিবর্তন করে আবেদন করত, যাতে পরীক্ষার সময় কোনো অমিল ধরা না পড়ে। তবে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ব্যক্তি আর যোগদান করতে আসা ব্যক্তি এক না হওয়ায় চৌকস কর কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে হাতের লেখা যাচাই-বাছাই করতেই তারা অপরাধ স্বীকার করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর দুইজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি এই চক্রে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%