ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ভারতীয় মালামাল জব্দ


সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ভারতীয় মালামাল জব্দ

সাতক্ষীরা সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, চিংড়ি মাছের রেণু পোনা এবং ওষুধ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সদস্যরা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার পদ্মশাখরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে এসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

জব্দকৃত এসব মালামালের বাজার মূল্য ১২ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ টাকা।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী-সন্তানসহ ছয় স্বজন হারালেন নূর আলম

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পদ্মশাখরা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাজিরপাড়া মোড় নামক স্থান থেকে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণু পোনা জব্দ করে। একই সময়ে, কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি নামক স্থান থেকে ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে এবং মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার রাজপুর নামক স্থান থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করতে সক্ষম হয়।

এছাড়া, হিজলদী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার বড়ালি নামক স্থান থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: খুলনার ১১৯ পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল সমর্থক ঊষসীর উন্মাদনা রোনাল্ডোকে ঘিরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ পি.এম


ব্রাজিল সমর্থক ঊষসীর উন্মাদনা রোনাল্ডোকে ঘিরে

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। এই উন্মাদনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাতভর খেলা দেখে সমর্থন জানাচ্ছেন শোবিজের তারকারাও। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। এবারের বিশ্বকাপে যে সমস্ত উন্মাদনা এবং উত্তেজনা রয়েছে, তা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে কেন্দ্র করে রয়েছে, এবং পর্তুগালকে সম্পর্কে একটু বেশি চিন্তিত বলে জানিয়েছেন এই ব্রাজিল সমর্থক অভিনেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিনের একটি প্রতিবেদনে ফুটবল বিশ্বকাপের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঊষসী রায় বলেছেন, “আমার কাছে ফুটবল বিশ্বকাপ একটা উৎসবের মতো। কারণ, ফুটবল নিয়ে আমাদের বাড়িতে উন্মাদনা একটু বেশিই আছে। এই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার প্রচুর স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রথম বড় কালার টিভি এসেছিল ২০০২ সালের বিশ্বকাপের সময়। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ স্পেশাল। এটা মিস করা যাবে না, এটা কালার টিভিতেই দেখতে হবে। আমেজ অনুভব করতে হবে। টিভি নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয় আর কী! তার আগে আমাদের সাদা-কালো টিভিই ছিল। পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের জন্যই আমাদের বাড়িতে কালার টিভি এবং কেবল লাইন এসেছে। এইরকম অনেক ঘটনা রয়েছে।

বড় টিভিতে এবারের বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন জানিয়ে আরো বলেছেন, “মাঠে গিয়ে তো আর খেলা দেখার উপায় নেই, তাই দুধের সাধ ঘোলেই মেটাতে হয়! তবে, ওই যে আজকাল সবাই বলে ‘মেনিফস্টেশন’। একদিন অবশ্যই সশরীরে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হবে। আশা করি সেইরকম অবস্থার উন্নতি একদিন হবেই।

আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু এবার তো সমস্ত উন্মাদনা এবং উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরেই চলেছে। এটা তার শেষ বিশ্বকাপ। পর্তুগাল কী করবে? আর্জেন্টিনা কী করবে? আমি পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত। সিআর সেভেনের এটা শেষ বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ন কে হবে? এটা এখন আর বলছি না। মনে মনে থাকুক।”

রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখা আমার বাড়িতে চাপের নয় উল্লেখ করে ঊষসী বলেন, “কারণ আমাদের বাড়িতে ফুটবল নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে। ফলে রাত জাগা নিয়ে আমাদের বাড়িতে কোনো ঝামেলা হয়নি। আমার কাছে কোনো জার্সি নেই এখনও অবধি। টিকিটের দাম খুবই আকাশ ছোঁয়া। সেটা চারদিকে যুদ্ধের জন্য কী না, জানি না। অন্যবারের তুলনায় টিকিটের দাম এবারে খুব বেশি। একটা নর্মাল টিকিটের দামও বেশি। এমনকী, স্টেডিয়ামের মধ্যে জলের বোতল, খাবার যাই হোক দাম বেশি।

তবে, মনে হচ্ছে কিছু কিছু ভেন্যুতে তুলনামূলকভাবে টিকিটের দাম কম। স্টেডিয়ামের ভিতরে যা যা পাওয়া যায় তার দাম তুলনামূলকভাবে কম। এটা আমি কোনো একটা কাগজে পড়েছি। যুদ্ধের আবহে থাকলেও ইরান এই বিশ্বকাপে খেলে যাচ্ছে। তাদের ইতোমধ্যে একটি ম্যাচও খেলা হয়ে গিয়েছে। তবে আমি এখানে একটি বিতর্কিত কথা বলতে পারি। একদম নিউট্র্যালভাবে। কাউকে কিছু বলছি না। গত বছর বিশ্বকাপের উদ্বোধনে এবারের তুলনায় উন্মাদনা বেশি ছিল। সেলিব্রেশনটা বিশাল ছিল। এবারের উদ্বোধনটা আমার মনে হয়েছে একটু কম। যাই হোক, দেখা যাক। যতদিন বিশ্বকাপ চলবে একটি আনন্দ উৎসব তো চলবেই। আমি খুবই এক্সাইটেড।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপগঞ্জের মাসুম মাহিম এখন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট: আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


রূপগঞ্জের মাসুম মাহিম এখন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট: আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

স্বপ্ন ছিল দেশসেবার, আর সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিলেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কৃতি সন্তান মাসুম মাহিম। দীর্ঘ সাধনা, অদম্য অধ্যবসায় এবং সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য প্রেসিডেন্ট প্যারেডে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনপ্রাপ্ত হন তিনি। এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত থেকে কমিশন গ্রহণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নেন এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা।

মাসুম মাহিমের পিতা মকবুল হোসেন এবং মাতা গোলেজান্নাত। ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার আদর্শে বেড়ে ওঠা মাহিম ২০১৬ সালে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের ৩৭তম ব্যাচে ভর্তি হন। সেখান থেকে সফলতার সঙ্গে শিক্ষা সম্পন্ন করে ২০২৩ সালে আইএসএসবি পরীক্ষায় ‘গ্রীন কার্ড’ অর্জন করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেন।

এরপর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে টানা তিন বছর কঠোর শৃঙ্খলা ও চ্যালেঞ্জিং সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন তিনি। অবশেষে অধ্যবসায় ও মেধার স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন কাঙ্খিত কমিশন।

লেফটেন্যান্ট মাসুম মাহিম বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দায়িত্ব পালন করাই আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”

ছেলের এ গৌরবময় অর্জনে আবেগাপ্লুত বাবা-মা। বাবা-মায়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আনন্দিত তাদের পরিবার। ঘরে এখন আনন্দ-উচ্ছ্বাস। আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা।

এলাকাবাসীর মতে, মাসুম মাহিমের এই সাফল্য শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং পুরো রূপগঞ্জের। তার এই সাফল্য রূপগঞ্জের তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে অনুপ্রাণিত করবে। আগামী প্রজন্মের জন্য স্বপ্ন জয় করার এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে মাসুম মাহিমের অর্জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু: জেডি ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু: জেডি ভ্যান্স

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি নেতাদের মধ্যে অনুমোদিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) উল্লেখিত ৬০ দিনের সময়সীমা বৃহস্পতিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স আরও বলেন, ‘৬০ দিনের সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকেই শুরু হয়েছে।’

তবে এই ৬০ দিনের সময়সীমার মধ্যে উভয় পক্ষের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভ্যান্স বিস্তারিত কিছু জানাননি।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, নির্ধারিত সময়সীমা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে এবং এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

বৃহস্পতিবার, জাতীয় সংসদ ভবনে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার ছবিটি পিএমও কর্তৃক লক্করড।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে সরকার ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

আজ ১৮ জুন জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় আইনটির খসড়া উপস্থাপন করে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তার এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটানোর ফলে, অনলাইন এবং অফলাইন বিভিন্ন ধরনের জুয়া কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক এবং মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য এই সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর মনোযোগ দিতে হবে। যথাযথ তত্ত্বাবধান এবং আইনগত কাঠামো গঠনের জন্য রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। এজন্য ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭' প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করে, ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নীচে উল্লেখ করা হলো:

(ক) জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত নানা বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

(খ) অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে, যেমন অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া লেজিসলেটিভ এবং সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

সভায়, ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়াটি উপস্থাপন করা হয়।

দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায়, বিদ্যমান আইনের অনেক ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহের সুষ্ঠু এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য, ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধগুলোর দণ্ড আইনগত কাঠায় এনে আনয়নের জন্য এই আইনের সংশোধন করা হয়েছে।

ছবি : পিএমও

প্রস্তাবিত ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

(ক) পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ নামে নতুন অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

(খ) ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

(গ) পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানা সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিন সভায় ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার উদ্যোক্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

এই আইনটির খসড়ায় জানানো হয় যে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ গত ১৫ জুলাই ২০০১ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগ এবং শিক্ষাও কার্যক্রম চালু অবস্থায় রয়েছে। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে 'বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সভায় 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনটি উল্লেখ করে যে, মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার এবং চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)' প্রণয়ন করা হয়েছিল। বর্তমানে, মাদক পাচার এবং অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ, মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহের সমাধানের জন্য আইনটির কিছু ধারা সংযোজন এবং সংশোধন করে 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

(ক) বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(খ) মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে, বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(গ) সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক পাচার প্রতিরোধে এবং অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(ঘ) মাদকদ্রব্য সহজে শনাক্তকরণের জন্য ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%