প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। এই উন্মাদনা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাতভর খেলা দেখে সমর্থন জানাচ্ছেন শোবিজের তারকারাও। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী ঊষসী রায়। এবারের বিশ্বকাপে যে সমস্ত উন্মাদনা এবং উত্তেজনা রয়েছে, তা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে কেন্দ্র করে রয়েছে, এবং পর্তুগালকে সম্পর্কে একটু বেশি চিন্তিত বলে জানিয়েছেন এই ব্রাজিল সমর্থক অভিনেত্রী।
সংবাদ প্রতিদিনের একটি প্রতিবেদনে ফুটবল বিশ্বকাপের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঊষসী রায় বলেছেন, “আমার কাছে ফুটবল বিশ্বকাপ একটা উৎসবের মতো। কারণ, ফুটবল নিয়ে আমাদের বাড়িতে উন্মাদনা একটু বেশিই আছে। এই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার প্রচুর স্মৃতি রয়েছে। আমাদের বাড়িতে প্রথম বড় কালার টিভি এসেছিল ২০০২ সালের বিশ্বকাপের সময়। শুধুমাত্র বিশ্বকাপ স্পেশাল। এটা মিস করা যাবে না, এটা কালার টিভিতেই দেখতে হবে। আমেজ অনুভব করতে হবে। টিভি নিয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয় আর কী! তার আগে আমাদের সাদা-কালো টিভিই ছিল। পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিশ্বকাপের জন্যই আমাদের বাড়িতে কালার টিভি এবং কেবল লাইন এসেছে। এইরকম অনেক ঘটনা রয়েছে।
বড় টিভিতে এবারের বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন জানিয়ে আরো বলেছেন, “মাঠে গিয়ে তো আর খেলা দেখার উপায় নেই, তাই দুধের সাধ ঘোলেই মেটাতে হয়! তবে, ওই যে আজকাল সবাই বলে ‘মেনিফস্টেশন’। একদিন অবশ্যই সশরীরে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ হবে। আশা করি সেইরকম অবস্থার উন্নতি একদিন হবেই।
আমি বরাবরই ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু এবার তো সমস্ত উন্মাদনা এবং উত্তেজনা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে ঘিরেই চলেছে। এটা তার শেষ বিশ্বকাপ। পর্তুগাল কী করবে? আর্জেন্টিনা কী করবে? আমি পর্তুগালকে নিয়েই একটু বেশি চিন্তিত। সিআর সেভেনের এটা শেষ বিশ্বকাপ। চ্যাম্পিয়ন কে হবে? এটা এখন আর বলছি না। মনে মনে থাকুক।”
রাত জেগে ফুটবল ম্যাচ দেখা আমার বাড়িতে চাপের নয় উল্লেখ করে ঊষসী বলেন, “কারণ আমাদের বাড়িতে ফুটবল নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে। ফলে রাত জাগা নিয়ে আমাদের বাড়িতে কোনো ঝামেলা হয়নি। আমার কাছে কোনো জার্সি নেই এখনও অবধি। টিকিটের দাম খুবই আকাশ ছোঁয়া। সেটা চারদিকে যুদ্ধের জন্য কী না, জানি না। অন্যবারের তুলনায় টিকিটের দাম এবারে খুব বেশি। একটা নর্মাল টিকিটের দামও বেশি। এমনকী, স্টেডিয়ামের মধ্যে জলের বোতল, খাবার যাই হোক দাম বেশি।
তবে, মনে হচ্ছে কিছু কিছু ভেন্যুতে তুলনামূলকভাবে টিকিটের দাম কম। স্টেডিয়ামের ভিতরে যা যা পাওয়া যায় তার দাম তুলনামূলকভাবে কম। এটা আমি কোনো একটা কাগজে পড়েছি। যুদ্ধের আবহে থাকলেও ইরান এই বিশ্বকাপে খেলে যাচ্ছে। তাদের ইতোমধ্যে একটি ম্যাচও খেলা হয়ে গিয়েছে। তবে আমি এখানে একটি বিতর্কিত কথা বলতে পারি। একদম নিউট্র্যালভাবে। কাউকে কিছু বলছি না। গত বছর বিশ্বকাপের উদ্বোধনে এবারের তুলনায় উন্মাদনা বেশি ছিল। সেলিব্রেশনটা বিশাল ছিল। এবারের উদ্বোধনটা আমার মনে হয়েছে একটু কম। যাই হোক, দেখা যাক। যতদিন বিশ্বকাপ চলবে একটি আনন্দ উৎসব তো চলবেই। আমি খুবই এক্সাইটেড।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন