ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রূপগঞ্জের মাসুম মাহিম এখন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট: আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা


রূপগঞ্জের মাসুম মাহিম এখন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট: আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

স্বপ্ন ছিল দেশসেবার, আর সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিলেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কৃতি সন্তান মাসুম মাহিম। দীর্ঘ সাধনা, অদম্য অধ্যবসায় এবং সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য প্রেসিডেন্ট প্যারেডে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনপ্রাপ্ত হন তিনি। এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত থেকে কমিশন গ্রহণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ নেন এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা।

মাসুম মাহিমের পিতা মকবুল হোসেন এবং মাতা গোলেজান্নাত। ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার আদর্শে বেড়ে ওঠা মাহিম ২০১৬ সালে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের ৩৭তম ব্যাচে ভর্তি হন। সেখান থেকে সফলতার সঙ্গে শিক্ষা সম্পন্ন করে ২০২৩ সালে আইএসএসবি পরীক্ষায় ‘গ্রীন কার্ড’ অর্জন করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেন।

আরও পড়ুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যেমন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পাশে ছিলেন, তেমনি ২০২৪ সালের আন্দোলনেও তাঁরা পাশে ছিলেন : প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর

এরপর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে টানা তিন বছর কঠোর শৃঙ্খলা ও চ্যালেঞ্জিং সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন তিনি। অবশেষে অধ্যবসায় ও মেধার স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন কাঙ্খিত কমিশন।

লেফটেন্যান্ট মাসুম মাহিম বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দায়িত্ব পালন করাই আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”

ছেলের এ গৌরবময় অর্জনে আবেগাপ্লুত বাবা-মা। বাবা-মায়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আনন্দিত তাদের পরিবার। ঘরে এখন আনন্দ-উচ্ছ্বাস। আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা।

এলাকাবাসীর মতে, মাসুম মাহিমের এই সাফল্য শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং পুরো রূপগঞ্জের। তার এই সাফল্য রূপগঞ্জের তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে অনুপ্রাণিত করবে। আগামী প্রজন্মের জন্য স্বপ্ন জয় করার এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে মাসুম মাহিমের অর্জন।

আরও পড়ুন: মেহেরপুরে শীতকালীন সবজি চাষে কৃষকদের ব্যস্ততা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু: জেডি ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু: জেডি ভ্যান্স

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি নেতাদের মধ্যে অনুমোদিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) উল্লেখিত ৬০ দিনের সময়সীমা বৃহস্পতিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স আরও বলেন, ‘৬০ দিনের সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকেই শুরু হয়েছে।’

তবে এই ৬০ দিনের সময়সীমার মধ্যে উভয় পক্ষের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভ্যান্স বিস্তারিত কিছু জানাননি।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, নির্ধারিত সময়সীমা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে এবং এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার

বৃহস্পতিবার, জাতীয় সংসদ ভবনে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার ছবিটি পিএমও কর্তৃক লক্করড।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে সরকার ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

আজ ১৮ জুন জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় আইনটির খসড়া উপস্থাপন করে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তার এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটানোর ফলে, অনলাইন এবং অফলাইন বিভিন্ন ধরনের জুয়া কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক এবং মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য এই সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর মনোযোগ দিতে হবে। যথাযথ তত্ত্বাবধান এবং আইনগত কাঠামো গঠনের জন্য রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। এজন্য ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭' প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ করে, ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নীচে উল্লেখ করা হলো:

(ক) জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত নানা বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

(খ) অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সাজার বিধান রাখা হয়েছে, যেমন অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া লেজিসলেটিভ এবং সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

সভায়, ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদনেও বিষয়টি উঠে এসেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়াটি উপস্থাপন করা হয়।

দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায়, বিদ্যমান আইনের অনেক ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহের সুষ্ঠু এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য, ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধগুলোর দণ্ড আইনগত কাঠায় এনে আনয়নের জন্য এই আইনের সংশোধন করা হয়েছে।

ছবি : পিএমও

প্রস্তাবিত ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

(ক) পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ নামে নতুন অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

(খ) ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

(গ) পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানা সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিন সভায় ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার উদ্যোক্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

এই আইনটির খসড়ায় জানানো হয় যে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ গত ১৫ জুলাই ২০০১ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগ এবং শিক্ষাও কার্যক্রম চালু অবস্থায় রয়েছে। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে 'বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সভায় 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনটি উল্লেখ করে যে, মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার এবং চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)' প্রণয়ন করা হয়েছিল। বর্তমানে, মাদক পাচার এবং অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ, মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহের সমাধানের জন্য আইনটির কিছু ধারা সংযোজন এবং সংশোধন করে 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:

(ক) বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(খ) মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে, বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(গ) সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক পাচার প্রতিরোধে এবং অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

(ঘ) মাদকদ্রব্য সহজে শনাক্তকরণের জন্য ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০০ এম


পাবনায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

আজমিরা খাতুন (২২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ পাবনা পৌরসভার গোপালপুর আইবি রোড এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনা বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে ঘটেছে, যখন পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দরজা ভেঙে তার মরদেহটি উদ্ধার করেন।

নিহত গৃহবধূ আজমিরা খাতুন, পাবনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর আইবি রোড এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসেনের স্ত্রী ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার চর বাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের আক্কাস প্রামানিকের মেয়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের কারণে বুধবার (১৭ জুন) রাতে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে আজমিরা ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। ডাকাডাকির দীর্ঘ সময় পরও দরজা না খুললে তার স্বামী অন্য একটি কক্ষে রাত কাটান।

বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। প্রবেশের পর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করেন।

সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তবে এই ঘটনাটি নিয়ে এলাকার মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের সময় গৃহবধূর পা মাটির সঙ্গে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল। এ ছাড়া বাসার জানালার কাঠামো নিয়েও তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তারা বিশ্বাস করেন, বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন হতে পারে।

নিহতের স্বামী আরিফ হোসেন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। আমি এ বিষয়ে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।’

নিহতের বাবা আক্কাস প্রামানিক জানিয়েছেন, রাতে মেয়ে ও জামাইয়ের মধ্যে ঝগড়ার বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন। সকালে জামাই ফোন করে জানান, আজমিরা দরজা খুলছেন না। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে তিনি মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় সাহা বলেছেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক ঝটকায় অনেকটা ওজন কমে গিয়েছিল! খাওয়াদাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন সমান্থা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৫ এম


এক ঝটকায় অনেকটা ওজন কমে গিয়েছিল! খাওয়াদাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন সমান্থা?

দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি অ-অটোইমিউন রোগ 'মায়োসাইটিস' সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। এই অসুস্থতার প্রভাব সম্পর্কে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে সমান্থা বিস্তারিত বলেছেন।

দক্ষিণের এক ঐতিহ্যবাহী অভিনেত্রী সমান্থা রুথ প্রভু দীর্ঘকাল ধরে অসুস্থতা ভোগ করছেন। তিনি তাঁর অসুস্থতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। সমান্থা সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি এই অ-অটোইমিউন রোগ 'মায়োসাইটিস' নিয়ে অনেক সময় ধরে কথা বলছেন। এই অসুস্থতার প্রভাব নিয়ে তিনি সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেছেন।

দক্ষিণী অভিনেত্রী জানাচ্ছেন, অসুস্থতার কারণে তিনি প্রায় দুই বছর অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। এসবের মধ্যেই তিনি ওজন কমানোর কারণে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে সমান্থা উল্লিখিত করেছেন, এর সঙ্গে তার পোষ্য বিড়াল জেলাটোর নামক একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সমান্থাকে প্রশ্ন করা হয়, কেন তিনি তাঁর পোষ্যের নাম জেলাটো রেখেছেন। এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, এর পিছনে তাঁর ওজন বৃদ্ধির একটি বিষয় জড়িত কি না। তিনি বলেন, “যে দুই বছর আমি কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলাম, সেই সময়ে খাওয়া নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। কিছু খেলে আমার পেটের সমস্যা বেড়ে যেত। অ-অটোইমিউন সমস্যাও বৃদ্ধি পেত। তাই আমার খাবারের তালিকা খুব সীমিত হয়ে গিয়েছিল এবং খাবারও বেশ সাদামাটাই ছিল।”

নিজের খাওয়াদাও নিয়ে সমান্থা মন্তব্য করেন, “টানা দুই বছর আমি একই খাবার প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ ও নৈশভোজে খেতাম। এর পর প্রথম যে পদটি আমার খাবারে যুক্ত করার অনুমতি পাওয়া গিয়েছিল, সেটি ছিল চিনি ও দুধ ছাড়া জেলাটো। আমি ওই জেলাটোর জন্য অপেক্ষা করে থাকতাম। সেই হিসেবে যখন আমি একটি বিড়াল পোষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তার নাম রাখলাম জেলাটো।”

সমান্থা জানিয়েছেন, এখন তিনি স্বাভাবিকভাবে খাওয়াদাওয়া করেন। কিন্তু অতিরিক্ত কিছু খান না। নিজের ওজন কমার বিষয়ে মানুষের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এখন আমি এমন এক অবস্থানে আছি, যেখানে আমি স্বাভাবিক ভাবে খাই। তবে অতিরিক্ত কিছু খাই না। সবসময় আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, কেন এত ওজন কমে গেল? মানুষ কখনও জানে না, কার জীবনে কী ঘটছে। এটা এমন নয় যে আমি খেতে চাই না, আসলে আমি খেতে পারতাম না।”

নাগ চৈতন্যের সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পর ২০২২ সালে প্রথমবার তিনি তাঁর ছবি ‘যশোদা’র প্রচারের সময় জানান যে তিনি মায়োসাইটিসে আক্রান্ত। তিনি একটি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, “কয়েক মাস আগে আমার একটি অ-অটোইমিউন রোগ ধরা পড়েছে, যার নাম মায়োসাইটিস। আমি ভেবেছিলাম, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠার পরে এ কথা জানাব। কিন্তু সুস্থ হতে কিছুটা বেশি সময় লাগছে।”

সমান্থাকে পরবর্তী সময়ে দক্ষিণী ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এ অভিনয় করার জন্য দেখা যাবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নন্দিনী রেড্ডী। ছবিতে সমান্থার সঙ্গে অভিনয় করছেন গৌতমী, শ্রীমুখী, দিগন্ত এবং গুলশন দেবাইয়া-সহ আরও অনেকে। ছবিটি শীঘ্রই মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%