বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০৯ এম
মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেফতার করা হয়েছে সাতজনকে। গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি হিসেবে তাদের হাতে ছিল চাপাতি, সামুরাই এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র। ডাকাতি এবং পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু, তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ‘কুত্তা ফারুক’সহ এই ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেফতার করে। এই অভিযানে পুলিশ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করেছে।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদাবর থানা পুলিশ এই গ্রেফতারকর্মকাণ্ডটি সম্পন্ন করে।পুলিশের জানিয়েছে, মধ্যরাতে একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি। পাশাপাশি, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল এবং মউরা সোহেলকে গ্রেফতারের প্রতিশোধ নিতে তারা পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার পরিকল্পনাও করছিল। এজন্য, স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকে ভারাটে সন্ত্রাসীও এনেছিল তারা।
এই অভিযানে ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেয়া হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা ভিড় করতে থাকেন। তারা নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা করেন। তবে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেও আসামিরা কিছুদিন পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো একই অপরাধে জড়িয়ে পরে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আক্ষেপ দেখা দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এটি বুধবার (৮ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কমিটিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভিন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নবগঠিত এই কমিটিতে দেশের বিভিন্ন পদমর্যাদা ও ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী ১৫১ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কারা আছেন, দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের নেতৃত্ব শক্তিশালী করা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতিসংঘের প্রকল্প সেবা বিষয়ক দপ্তর (ইউএনওপিএস) বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বিল্ডিং এ মডেল ফর এসডিজি লোকালাইজেশন: এসডিজি-৫ অ্যান্ড এসডিজি-১৬’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, শক্তিশালী স্থানীয় নেতৃত্ব এবং নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অপরিহার্য হলে এসডিজি অর্জন সম্ভব। বর্তমানে তরুণ নারীদের ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগগুলো আগামী দিনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি করছে।
ইউএনওপিএস এবং ইউএন উইমেন-এর সমন্বয়ে যৌথ এসডিজি ফান্ডের সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘এনহ্যান্সিং উইমেনস পলিটিক্যাল লিডারশিপ থ্রু এসডিজি-৫ অ্যান্ড এসডিজি-১৬ লোকালাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অধীনে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীতে বাস্তবায়িত এসডিজি স্থানীয়করণ মডেলের অভিজ্ঞতা, অর্জন, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি তরুণ নারী নেত্রী, শিক্ষার্থী, পরামর্শক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা নারীর নেতৃত্ব বিকাশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তাদের অভিজ্ঞতা বিলি করেন।
অনুষ্ঠানে ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অন্যদিকে, ইউএন উইমেন বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ নবনীতা সিনহা এসডিজি ৫ এবং ১৬ এর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে অংশীদারিত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, জাতীয় অঙ্গীকারগুলোকে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত। এসডিজির স্থানীয়করণ জাতীয় অগ্রাধিকারকে কমিউনিটি পর্যায়ে কার্যক্রমে প্রতিফলিত করতে সহায়তা করে। নারীর নেতৃত্বে বিনিয়োগ জরুরি।
কর্মশালায় এসডিজি স্থানীয়করণ মডেলটি উপস্থাপন করেন নারীপক্ষের নির্বাহী সদস্য মাহীন সুলতান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেল ওয়াহাব সাইদানি ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
কর্মশালায় বলা হয় যে, ‘কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে’ তা নিশ্চিত করতে যৌথ অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সমাধানের মাধ্যমে এসডিজি স্থানীয়করণকে এগিয়ে নিতে গঠনমূলক প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর এলাকায় একটি মুসলিম পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের উপস্থিতিতে এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে একটি হিন্দু পরিবারের পক্ষ থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক সেনা সদস্য জনাব আফছার আলীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল ও মারধরের অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হয়। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের আশঙ্কা তৈরি হয়।
উক্ত অপপ্রচারের সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসাধারণ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ। সরেজমিন পরিদর্শনের পর স্থানীয়রা নিশ্চিত করেন যে, জমি দখল বা মারধরের কোনো ঘটনাই সেখানে ঘটেনি। উপস্থিত সকলেই একমত পোষণ করেন যে, এটি একটি উদ্দেশ্যমূলক ও সাজানো অভিযোগ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তাদের বক্তব্য রয়েছে যে, সাবেক সেনা সদস্য আফছার আলীকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। এটি কেবল একটি পরিবারের সম্মানহানিই করেনি, বরং দয়ারামপুরসহ পুরো দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নষ্ট করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। এই ধরনের কর্মকাণ্ড শান্তিপ্রিয় মানুষের মনে ভীতি ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয় যে, যেকোনো চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশের আগে যেন তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয়। এছাড়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যারা এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
বুধবার, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন রকমের অপরাধে জড়িত ছিল।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে তেজগাঁও থানা থেকে ৫ জন, শেরেবাংলা নগর থানা থেকে ৯ জন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে ১৬ জন, আদাবর থানা থেকে ১১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে ১ জন এবং হাতিরঝিল থানা থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ