ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধার না পেয়ে গৃহশিক্ষিকার মাথায় ১০ কোপ, আটক ছাত্রীর মা


ধার না পেয়ে গৃহশিক্ষিকার মাথায় ১০ কোপ, আটক ছাত্রীর মা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে টাকা ধার না পাওয়ার কারণে এক গৃহশিক্ষিকাকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত প্রিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লাহচর এলাকায়। বর্তমানে আহত গৃহশিক্ষিকা সিঁথি সীমিতা চিকিৎসাধীন আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিঁথি সীমিতা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ান এবং বাড়িতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান। সোমবার সকালে তিনি নিয়মিতের মতো বায়েজিদ মিয়ার বাড়িতে তার মেয়েকে পড়াতে যান। তিনি পড়ানো শেষ করে বাড়িতে ফেরার সময় ভুলবশত তার ছাতা সেখানে ফেলে চলে আসেন। পরে ছাতা আনতে আবার যখন বাড়িতে প্রবেশ করেন, তখন শিক্ষার্থীর মা প্রিয়া বেগম দা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষিকার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং অভিযুক্ত প্রিয়া বেগমকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেন।

আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে দোকানিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ: দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি বিদ্যুতের

আহত শিক্ষিকার পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগে প্রিয়া বেগম সিঁথি সীমিতার কাছে ২০ হাজার টাকা ধার চেয়েছিলেন। কিন্তু টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত শিক্ষিকার শ্বশুর মো. শিশু মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় প্রিয়া বেগমকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, "টাকা ধার না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে আমার পুত্রবধূকে দা দিয়ে কুপিয়ে মাথা ও হাতে গুরুতর জখম করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

মামলার এজাহারে ধার চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ না থাকার বিষয়ে শিশু মিয়া বলেন, "ঘটনার পরপরই মামলা দায়ের করায় তখন আহত শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে তার কাছ থেকেই ধার চাওয়ার বিষয়টি জানতে পারি।"

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, ঘটনার পর মামলা হয়েছে। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে: তিনজন গ্রেফতার, উদ্ধার ৫২ পিস ইয়াবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​বরিশাল প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


কাউনিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে: তিনজন গ্রেফতার, উদ্ধার ৫২ পিস ইয়াবা

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে, যেখানে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসি ১ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়া কবর পাসপোর্ট গলি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন:

রাব্বি বেপারী (২৯): পিতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মাতা মোসাঃ রিনা বেগম। থাকেন পাসপোর্ট গলি, জোড়া কবর (বিসিসি ১নং ওয়ার্ড)।

মোঃ গোলাম রাব্বি (২২): পিতা মোঃ আনিস কবিরাজ, মাতা মোসাঃ রানী বেগম। থাকেন কাউনিয়া হাউজিং, কাউনিয়া সরকারি কলেজের উত্তর পাশে মোস্তফা মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া (বিসিসি ৩নং ওয়ার্ড)।

শারমীন আক্তার (২৭): স্বামী রাব্বি বেপারী। থাকেন পাসপোর্ট গলি, জোড়া কবর (বিসিসি ১নং ওয়ার্ড)।

কাউনিয়া থানা পুলিশ জানাচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জোড়া কবর পাসপোর্ট গলি এলাকায় রাব্বি বেপারীর ভাড়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। এই সময় তাদের হেফাজত থেকে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কারণে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান যে, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতারাতি ঢাকাকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


রাতারাতি ঢাকাকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

বিশ্বের তৃতীয় বসবাস অযোগ্য শহর হিসেবে পরিচিত ঢাকাকে রাতারাতে বদলানো সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নগরের মেয়র বা প্রশাসক অনেক ক্ষেত্রেই অসহায় অবস্থায় থাকেন।

কারণ, ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

এই সমন্বয়হীনতার কারণেই, নগরবাসীকে নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তিনি আরো বলেন, বর্ষা মৌসুম এলেই রাজধানীতে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বেড়ে যায়।

এর অন্যতম কারণ হলো, এই সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেটের অর্থ ছাড় হয়।

ফলে, একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হওয়ার আগেই অন্য প্রতিষ্ঠান একই সড়কে কাজ শুরু করে, যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে জলাবন্ধতা নিরসনসহ সব ধরনের নাগরিক সেবায় গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

এজন্য, সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। ১৫ জুলাই বুধবার বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পুনরায় এই অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার ভাঙনে বিধ্বস্ত নতুন বাঁধ, পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


তিস্তার ভাঙনে বিধ্বস্ত নতুন বাঁধ, পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার নতুন তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় দুই হাজার পরিবার এবং বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে গিয়েছে।

ভেঙে গেছে কিছু বসতবাড়ি, নতুন করে ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি হারানোর আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ।

স্থানীয় সূত্রগুলোর থেকে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং ও তালপট্টি এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের উত্তর হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজীপাড়া, পূর্ব হাজীপাড়া ও হরিণচড়া এলাকার হাজার হাজার মানুষ তাঁদের বসতভিটা, ফসলি জমি এবং জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়ে ফেলেছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পর চলতি বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করেছিল। নতুন বাঁধ নির্মাণ হওয়াতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলে, সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে যখন ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছিল, তখন নদীর তীব্র স্রোতে নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একযোগে, কয়েকটি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে, এবং এক হাজারের বেশি বাড়িতে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ে পড়ে, সেই সঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

বুধবার (১৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত নির্মিত তীর সংরক্ষণ বাঁধের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল এবং ধস দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি দ্রুত ওঠানামা করছে। আকস্মিক বন্যা, তীব্র স্রোত এবং হঠাৎ পানি নেমে যাওয়ার কারণে নদীর তীরজুড়ে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রায় দুই হাজার পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

তালপট্টি গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার আর ভাঙন হবে না। কিন্তু কয়েক মাসও টিকল না। চোখের সামনে নতুন বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আবার আগের মতো ঘরবাড়ি হারানোর ভয় ফিরে এসেছে।’

নরশিং এলাকার কৃষক খয়বর আলী বলেন, ‘আগে বাঁধ ছিল না, তখনও ভয় ছিল। এখন বাঁধ থাকার পরেও ভয় হচ্ছে। সরকারের এত টাকার বাঁধ যদি স্বল্প মেয়াদের বন্যাতেই ভেঙে যায়, তাহলে আমাদের কী লাভ হলো? শুধুমাত্র জিও ব্যাগ ফেললে হবে না, আমাদের স্থায়ী এবং টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

হরিণচড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিনের ভাঙনে এখন দেখি বাঁধও বিলীন হতে চলেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন ঘরটাও নদীতে চলে যাবে। শুরুতেই দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো এত ক্ষতি হতো না। এখন জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ এবং কংক্রিট ব্লক না ফেললে পুরো বাঁধ নদীতে চলে যাবে।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘নদীতে পানির ওঠানামার কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো জিও ব্যাগ এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে। একই সময়ে কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে। তবে পানি কিছুটা কমলেও তীব্র স্রোত এবং অব্যাহত ভাঙনের কারণে নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ তথা উৎকণ্ঠা কাটেনি। স্থানীয়দের দাবি হলো, শুধুমাত্র জিও ব্যাগের সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার তীর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত, যাতে প্রতি বর্ষায় ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় তাদের জীবন কাটাতে না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%