ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাতারাতি ঢাকাকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল


রাতারাতি ঢাকাকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

বিশ্বের তৃতীয় বসবাস অযোগ্য শহর হিসেবে পরিচিত ঢাকাকে রাতারাতে বদলানো সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নগরের মেয়র বা প্রশাসক অনেক ক্ষেত্রেই অসহায় অবস্থায় থাকেন।

আরও পড়ুন: তেলের দাম কমবে কবে: রুশ উপপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

কারণ, ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

এই সমন্বয়হীনতার কারণেই, নগরবাসীকে নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

তিনি আরো বলেন, বর্ষা মৌসুম এলেই রাজধানীতে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বেড়ে যায়।

এর অন্যতম কারণ হলো, এই সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেটের অর্থ ছাড় হয়।

আরও পড়ুন: অরেগনের স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, আহত ২; শোকে স্তব্ধ শহর

ফলে, একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হওয়ার আগেই অন্য প্রতিষ্ঠান একই সড়কে কাজ শুরু করে, যা জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে জলাবন্ধতা নিরসনসহ সব ধরনের নাগরিক সেবায় গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

এজন্য, সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির বাধা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। ১৫ জুলাই বুধবার বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পুনরায় এই অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার ভাঙনে বিধ্বস্ত নতুন বাঁধ, পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


তিস্তার ভাঙনে বিধ্বস্ত নতুন বাঁধ, পানিবন্দি দুই হাজার পরিবার

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার নতুন তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় দুই হাজার পরিবার এবং বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে গিয়েছে।

ভেঙে গেছে কিছু বসতবাড়ি, নতুন করে ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি হারানোর আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ।

স্থানীয় সূত্রগুলোর থেকে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের নরশিং ও তালপট্টি এবং লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের উত্তর হাজীপাড়া, পশ্চিম হাজীপাড়া, পূর্ব হাজীপাড়া ও হরিণচড়া এলাকার হাজার হাজার মানুষ তাঁদের বসতভিটা, ফসলি জমি এবং জীবিকার শেষ সম্বল হারিয়ে ফেলেছেন। দীর্ঘদিনের দাবির পর চলতি বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর উদ্যোগে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করেছিল। নতুন বাঁধ নির্মাণ হওয়াতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলে, সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে যখন ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছিল, তখন নদীর তীব্র স্রোতে নতুন নির্মিত তীর সংরক্ষণ কাজের প্রায় ১৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একযোগে, কয়েকটি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে, এবং এক হাজারের বেশি বাড়িতে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ে পড়ে, সেই সঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে যায়।

বুধবার (১৫ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, লালমনিরহাটের আদর্শপাড়া থেকে গঙ্গাচড়ার তালপট্টি হয়ে নরশিং পর্যন্ত নির্মিত তীর সংরক্ষণ বাঁধের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল এবং ধস দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি দ্রুত ওঠানামা করছে। আকস্মিক বন্যা, তীব্র স্রোত এবং হঠাৎ পানি নেমে যাওয়ার কারণে নদীর তীরজুড়ে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় প্রায় দুই হাজার পরিবারের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

তালপট্টি গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক আশা নিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম এবার আর ভাঙন হবে না। কিন্তু কয়েক মাসও টিকল না। চোখের সামনে নতুন বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এখন আবার আগের মতো ঘরবাড়ি হারানোর ভয় ফিরে এসেছে।’

নরশিং এলাকার কৃষক খয়বর আলী বলেন, ‘আগে বাঁধ ছিল না, তখনও ভয় ছিল। এখন বাঁধ থাকার পরেও ভয় হচ্ছে। সরকারের এত টাকার বাঁধ যদি স্বল্প মেয়াদের বন্যাতেই ভেঙে যায়, তাহলে আমাদের কী লাভ হলো? শুধুমাত্র জিও ব্যাগ ফেললে হবে না, আমাদের স্থায়ী এবং টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

হরিণচড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিনের ভাঙনে এখন দেখি বাঁধও বিলীন হতে চলেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। মনে হয় কখন ঘরটাও নদীতে চলে যাবে। শুরুতেই দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো এত ক্ষতি হতো না। এখন জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ এবং কংক্রিট ব্লক না ফেললে পুরো বাঁধ নদীতে চলে যাবে।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘নদীতে পানির ওঠানামার কারণে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরো জিও ব্যাগ এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ০৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে। একই সময়ে কাউনিয়ার তিস্তা সেতু পয়েন্টে পানিপ্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে। তবে পানি কিছুটা কমলেও তীব্র স্রোত এবং অব্যাহত ভাঙনের কারণে নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ তথা উৎকণ্ঠা কাটেনি। স্থানীয়দের দাবি হলো, শুধুমাত্র জিও ব্যাগের সাময়িক ব্যবস্থা নয়, তিস্তার তীর রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত, যাতে প্রতি বর্ষায় ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় তাদের জীবন কাটাতে না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিমদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান পাওয়া তায়েফের ঐতিহাসিক মসজিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


মুসলিমদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান পাওয়া তায়েফের ঐতিহাসিক মসজিদ

ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলো শুধু স্থাপত্যের কারণে নয়, বরং ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর রহমতের অবিস্মরণীয় স্মৃতির জন্য যুগে যুগে মুসলমানদের হৃদয়ে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। সৌদি আরবের তাইফ শহরে অবস্থিত মসজিদ আদ্দাস তেমন একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন।

প্রচলিত বর্ণনা অনুসারে, এখানেই নবী মুহাম্মদ (সা.) তাইফবাসীর নির্মম নির্যাতন ও প্রত্যাখ্যানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছিলেন। এখানে ঘটে যায় একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা—যা একজন খ্রিস্টান ক্রীতদাসের হৃদয়ে ইসলামের আলো প্রজ্বলিত করে।

নবুওয়তের দশম বছরে, মহানবী (সা.) প্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং চাচা আবু তালিবের ইন্তেকালের পর ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তাইফে যান। সেখানে তিনি প্রত্যাশিত সাড়া পাননি, বরং শহরের প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করে।

উসকানি দিয়ে শিশু ও দুর্বৃত্তদের তাঁকে পেছনে লেলিয়ে দেওয়া হয়। তারা পাথর নিক্ষেপ করতে করতে তাঁকে শহরের বাইরে বের করে দেয়। ফলে তাঁর পবিত্র শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায় এবং জুতা পর্যন্ত রক্তে ভিজে যায়।

মহানবী (সা.) রক্তাক্ত ও ক্লান্ত শরীর নিয়ে শহরের অদূরে একটি আঙুরবাগানে আশ্রয় নেন।

দূর থেকে তাঁর অবস্থা দেখে বাগানের মালিকরা তাদের খ্রিস্টান ক্রীতদাস আদ্দাসকে একটি থোকা আঙুর নিয়ে তাঁর কাছে পাঠান। আদ্দাস যখন আঙুরের পাত্র নবীজির সামনে রাখে, তখন তিনি খাওয়ার আগে বলেন, 'বিসমিল্লাহ্' (আল্লাহর নামে শুরু করছি)। এটি শুনে আদ্দাস থমকে যান। তায়েফ বা মক্কার পৌত্তলিকরা এভাবে কথা বলে না। তিনি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, 'এই উপত্যকার মানুষ তো এমন কথা বলে না। আপনি কে?' মহানবী (সা.) পাল্টা প্রশ্ন করেন, 'তোমার আদি বাড়ি কোথায়, তোমার ধর্ম কী?' আদ্দাস উত্তর দেন, 'আমি ইরাকের নিনেভা শহরের এক খ্রিষ্টান।' নিনেভার নাম শুনে নবীজির রক্তাক্ত মুখে একটি চিলতে হাসি ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, 'তুমি তবে সেই পুণ্যবান নবী ইউনুস ইবনে মাত্তার শহরের লোক!' আদ্দাস আরও অবাক, কারণ এই মরুভূমির মানুষ ইউনুসের নাম জানার কথা নয়। মহানবী (সা.) বলেন, 'ইউনুস ছিলেন আমার ভাই। তিনি ছিলেন আল্লাহর নবী, আমিও আল্লাহর নবী।'

এই একটি বাক্য জাগিয়ে তুলেছিল আদ্দাসের ভিতরের ঘুমিয়ে থাকা বিশ্বাস। সে বুঝে যায় যে, সামনে বসা মানুষটি মক্কার সাধারণ নেতা নন, বরং তিনি সেই শেষ নবী, যাঁর কথা তার নিজ কিতাবেও লেখা আছে। সে নবীজির হাতে, পায়ে ও কপালে চুমু খেতে লাগলে দূর থেকে সেই দৃশ্য দেখে উতবা-শাইবা আফসোস করে বলেন, 'সর্বনাশ, লোকটা আমাদের দাসকেও নষ্ট করে দিয়েছে!' ফিরে আসার পর তারা আদ্দাসকে জিজ্ঞেস করে কেন সে ওভাবে চুমু খাচ্ছিল। আদ্দাস দৃঢ়ভাবে জবাব দেন, 'এই পৃথিবীতে এই মানুষটির চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই। তিনি আমাকে এমন এক সত্য বলেছেন, যা একজন নবী ছাড়া কেউ জানতে পারে না।'

এই তাৎক্ষণিক ইসলাম গ্রহণ ছিল তায়েফের সেই অন্ধকার দিনে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা এক টুকরো সান্ত্বনা। ওই আঙুর বাগানের জায়গাতেই পরে গড়ে ওঠে একটি মসজিদ—মসজিদে আদ্দাস। বাহ্যিক ব্যর্থতার আড়ালে আসলে সফলতা লুকিয়ে রয়েছে। পুরো তায়েফ শহর নবীজিকে তাড়িয়ে দেয়, অথচ আল্লাহ ঠিক তখনই একজন সাধারণ দাসের অন্তর খুলে দেন। তাই আজও তায়েফে যারা বেড়াতে যান, তারা মসজিদ আদ্দাসের শান্ত পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হন এবং অস্থির হৃদয়ে সান্ত্বনা লাভ করেন। তারা বুঝতে পারেন যে, যখন দুনিয়ার সব মানুষ বিপক্ষে চলে যায় এবং চারপাশ তাড়িয়ে দেয়, তখনও আল্লাহর রহমতের একটা আঙুরের থোকা এবং একজন বিশ্বস্ত আদ্দাস কোথাও না কোথাও অপেক্ষা করে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব মাদ্রাসায় ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


সব মাদ্রাসায় ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের নির্দেশ

 বাংলাদেশের সব স্তরের মাদ্রাসায় আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’-এর কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে।

আজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে বোর্ডের আওতাধীন সমস্ত স্তরের মাদ্রাসায় আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং পরিচালনা কমিটিকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বর্তমান মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে তদারকি এবং বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%