০১:৪২ পি.এম
সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে তিনি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য সম্মিলিতভাবে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ জানান।
এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে দাখিল হওয়া কোনো অভিযোগ যাতে প্রতিহিংসামূলক বা ভুয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) ঢাকাস্থ ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় আসনের ভাষণে তারা এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী
দুপুরের দিকে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর, আইন বিটের সাংবাদিক এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, রামিসা হত্যা মামলাটির আপিল শুনানি দ্রুততম সময়ে করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ উদ্যোগ নিয়েছে। একই সাথে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে সম্মিলিতভাবে অনুরোধ করার কথাও বলেন তিনি।
এ সময় তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের সাংবাদিকতা একটি পেশাদারিত্বের জায়গা ধরে রেখেছে এবং এ অবস্থান ধরে রাখার আহ্বান করেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে দাখিল হওয়া একটিও অভিযোগ যাতে প্রতিহিংসামূলক ও ভুয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রসিকিউশন কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছে। তবে তিনি জানালেন, মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রমে চাপ তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
এ সময় মামলাজট নিরসনে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণে বিচার বিভাগের সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে জুলাই এবং আগস্টের বিচার কার্যক্রম ধীরগতি হয়ে গেছে। এর ফলে আলামতগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তিনি রামিসার বিচারের তথ্য তুলে ধরে বলেন, যদি মামলাটি দ্রুত সম্পন্ন হয়, তাহলে রাষ্ট্রের দ্রুত বিচার করার সক্ষমতা রয়েছে প্রমাণিত হবে। সাড়ে বারোশো মৃত্যুদণ্ডের মামলা দ্রুত শেষ করতে স্পেশাল কোর্ট চালু করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় বিচার অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন না হলে মানুষের মধ্যে হতাশা কাজ করবে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন