বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:১৬ এম
জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে একটি ফেরি ডুবে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশ।
বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হ্রদের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটির ৯০ জন যাত্রী বহনের সক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ১২০ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১২টি শিশু উপস্থিত ছিল। ফেরিটি ডুবে যাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পানিতে একাধিক মরদেহ ভাসতে দেখা যায়, এমনটি জানিয়েছেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী।
জিম্বাবুয়ে সিভিল প্রোটেকশন ইউনিট (সিপিইউ) জানিয়েছে, নিবন্ধিত টিকিট বিক্রির উপর ভিত্তি করে ফেরিটিতে ১১৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ছিলেন। এটির বাইরেও টিকিট কেনার জন্য নির্ধারিত বয়সসীমার নিচে থাকা শিশুরাও ফেরিটিতে উপস্থিত থাকতে পারে। তবে তাদের সঠিক সংখ্যা নিয়ে সংগঠনটি নিশ্চিত হতে পারেনি।
দেশটির রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (রিডা) মালিকাধীন ফেরিটি বিভিন্ন দ্বীপ ও মাছ ধরার গ্রামের মধ্যে যাত্রী পারাপারে ব্যবহৃত হতো উত্তরাঞ্চলের কারিবা শহর থেকে।
দুর্ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সেখানে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছিল। তবে, ফেরিটি কেন ডুবে গেছে, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তথ্য সূত্র- বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন যে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রাশিয়ার ওপর দিয়ে যাওয়া উত্তর সমুদ্রপথে ভারত ও চীনের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইসঙ্গে রাশিয়ার তেলবাহী কোনো জাহাজ যদি ইউরোপীয় দেশগুলো আটক করে, তাহলে সেটির বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও তিনি দিয়েছেন।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার ‘ভারিয়াগ’-এর কর্মীদের সঙ্গে এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময়, পুতিন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে পশ্চিমা দেশগুলোর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও, মস্কোর অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে উত্তর সমুদ্রপথ নিয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
পুতিন বলেন, চীন ও ভারতসহ রাশিয়ার বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলো এই সমুদ্রপথ ব্যবহারে খুবই আগ্রহী। উক্ত বিষয়ে তাদের সঙ্গে সক্রিয় আলোচনা চলছে। তিনি ভারতকে রাশিয়ার বাণিজ্য ও মেরু অঞ্চলের নৌপরিবহনের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট আরও জানান, উত্তর সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন মেনে চলা হচ্ছে। তবে, আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পুতিন অভিযোগ করেছেন যে, উত্তর আটলান্টিক জোটের সম্প্রসারণ এবং বহিরাগত শক্তিগুলোর কার্যক্রমের কারণে ওই অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে।
এর পাশাপাশি, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বিক্রির ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চলতে ব্যবহৃত জাহাজগুলোকে পশ্চিমা দেশগুলো ‘ছায়া বহর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব জাহাজের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
পুতিন এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো রুশ জাহাজ ইউরোপীয় দেশ আটক করে, তাহলে মস্কো সেটিকে জলদস্যুতার কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করবে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়াও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে বলে তিনি জানান।
প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে পুতিন বলেন, রুশ জাহাজ আটক হওয়ার ঘটনা বাস্তবে ঘটলে মস্কোর প্রতিক্রিয়া সামুদ্রিক এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং রাশিয়া যেখানে প্রয়োজন ও উপযুক্ত মনে করবে, সেখানেই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
ফলে, একদিকে উত্তর সমুদ্রপথে ভারত ও চীনের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সামুদ্রিক উত্তেজনা- এই দুই দিক থেকে নতুন করে আলোচনায় এসেছে আর্কটিক অঞ্চল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে, যা থাইল্যান্ডের। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই সময় বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৪তম বার্ষিকী উদযাপন সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কর্মী নিয়োগের সম্ভাব্য এবং কার্যকর পথ উন্মোচনের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের দূরদর্শী উদ্যোগকে বাংলাদেশ গভীরভাবে প্রশংসা করে।
এছাড়া, মন্ত্রী একটি নৈতিক ও দায়িত্বশীল শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "আমরা এমন একটি ব্যবস্থা চাই, যেখানে নিয়োগের প্রাথমিক ব্যয় নিয়োগকর্তা বহন করবেন, স্থানীয় ভাষায় প্রমিত কর্মসংস্থান চুক্তি নিশ্চিত করা হবে এবং কর্মীদের কল্যাণ, ন্যায্য মজুরি, আবাসন ও চিকিৎসা বীমার জন্য কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকবে।"
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, "থাইল্যান্ডের দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন এবং বাংলাদেশের রয়েছে জনশক্তির অফুরন্ত ভান্ডার।" তিনি এ সময় সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার জন্য থাই প্রতিনিধি দলকে আহ্বান জানান।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ উল্লেখ করেন, "থাইল্যান্ডে ‘ব্লু কলার’ জবের পাশাপাশি ‘হোয়াইট কলার’ জবের জন্যও বাংলাদেশে উপযুক্ত কর্মী রয়েছে।" তিনি জানান, সাংস্কৃতিক এবং আবহাওয়াগত দিক বিবেচনায় থাইল্যান্ড বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য একটি উৎকৃষ্ট স্থান। তবে তিনি স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, কম খরচে কর্মী প্রেরণ এবং কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন।
থাইল্যান্ডের শ্রম বিষয়ক সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নিতরুত্তি সুথিনন জানান, থাইল্যান্ড বর্তমানে কর্মী নিয়োগের জন্য চারটি দেশের সাথে চুক্তিবদ্ধ। তবে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার কারণে দেশটির নির্মাণ, হালাল ফ্যাক্টরি ও কৃষি খাতে কর্মী নেওয়া বন্ধ রয়েছে। ফলে সৃষ্টি হওয়া কর্মী সংকট কাটাতে পঞ্চম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড বাংলাদেশের সাথে চুক্তি করতে আগ্রহী। তবে, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে ভিসা মেয়াদ শেষের পর অবস্থান, থাইল্যান্ডকে অন্য দেশে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার এবং মানবপাচারের মতো বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী থাই প্রতিনিধি দলের প্রস্তাব সানন্দে গ্রহণ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, থাইল্যান্ডের চিহ্নিত উদ্বেগের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করে অচিরেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা সম্ভব হবে।
প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: শ্রম বিষয়ক সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান চিনাচট সেনস্যাঙ্ক ও শ্রম বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ড. পিরাসিথ কুনলার্তারিপন। এছাড়া, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, যুগ্মসচিব দেবজিৎ সিংহসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে এবং পেমেন্ট ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কারপিন।
বুধবার (১৩ আগস্ট) গভর্নরের সঙ্গে স্টিফেন কারপিনের নেতৃত্বে ভিসার একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকটি করে। বৈঠকে বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং লেনদেনের নিরাপত্তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, ডেপুটি গভর্নর মো. সরওয়ার হোসেন এবং পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, তিন দিনের সফরে মঙ্গলবার ঢাকায় আসে ভিসার প্রতিনিধিদল। সফরের প্রথম দিনেই তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাতে কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসা।
বৈঠকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সহজতর করতে সরকারি এবং জনসেবামূলক বিভিন্ন খাতে ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা এবং এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সেবায় কার্ডভিত্তিক লেনদেন সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে নারী কেবিন ক্রুদের দায়ের করা এক দশকের পুরোনো একটি মামলা ৪.৫ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারে নিষ্পত্তি করতে রাজি হয়েছে কানাডার বিমান পরিবহন সংস্থা ওয়েস্টজেট। বাংলাদেশের মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
সোমবার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার একটি আদালত সমঝোতার শর্ত অনুমোদন করেছে। ২০১৬ সালে সাবেক কেবিন ক্রু ম্যান্ডালেনা লুইস ওয়েস্টজেটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তার অভিযোগ ছিল, ২০১০ সালে হাওয়াইয়ে একটি লে-ওভারের সময় ওয়েস্টজেটের একজন পাইলট তাকে যৌন নির্যাতন করেন। তার দাবি, একই পাইলট এর আগে ২০০৮ সালে আরেক নারী ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টকেও যৌন নির্যাতন করেছিলেন।
লুইস অভিযোগ করেন, তিনি যখন ঘটনাটি ওয়েস্টজেটকে জানান, তখন সংশ্লিষ্ট পাইলটকে কাজে বহাল রাখা হয়। এমনকি তিনি দাবি করেন, পুলিশ যেন হাওয়াইয়ে ওই পাইলটকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে না পারে, সে জন্য তাকে অন্য রুটে পাঠানো হয়েছিল।
পরে ২০১৬ সালে লুইসকে 'চরম অবাধ্যতার' অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তবে লুইস ও তার আইনজীবীরা দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহি চাওয়ার কারণে তাকে প্রতিশোধমূলকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
২০১৮ সালে ইউএস অ্যাসোসিয়েশন অব ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টস ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি কেবিন ক্রুর ওপর একটি জরিপ চালায়। জরিপে দেখা যায়, ৬৮ শতাংশ কর্মী তাদের কর্মজীবনে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এদিকে, সাবেক কেবিন ক্রু লুইসের নিপীড়নের অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থতা কিংবা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সঠিকভাবে তদন্ত না করার বিষয়ে ওয়েস্টজেট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, কানাডার বিমান পরিবহন সংস্থা ওয়েস্টজেট এক বিবৃতিতে বলেছে, 'উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে এই সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা ওয়েস্টজেটের প্রতিটি কর্মীর সুরক্ষা ও সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ