মোঃ উজ্জল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৫ পি.এম
শনিবারের সকাল। ছুটির দিনের অলসতা তখনও কাটেনি অনেকের। অথচ নেত্রকোনা শহরের রাজপথে তখন ব্যস্ত একদল মানুষ। কারও হাতে ঝাড়ু, কারও হাতে কোদাল। কেউ সরাচ্ছেন জমে থাকা ময়লা, কেউ আবার পরিষ্কার করছেন পানি জমে থাকা স্থান।
সবচেয়ে নজরকাড়া দৃশ্য—পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজ হাতে ময়লা পরিষ্কার করছেন নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
তার পাশে হলুদ টি-শার্ট পরা একদল তরুণ। তাদের টি-শার্টে লেখা—‘লেটস রিবিল্ড আওয়ার নেশন’। প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষের এই সম্মিলিত উদ্যোগ যেন পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার নতুন এক বার্তা ছড়িয়ে দিল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নেত্রকোনা পৌরসভা আয়োজিত ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর দ্বিতীয় সপ্তাহের কার্যক্রমে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশজুড়ে চলমান তিন মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে নেত্রকোনা পৌরসভা। তবে এ আয়োজন কেবল মশক নিধন কিংবা ময়লা পরিষ্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বাড়ানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে অংশ নিয়ে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা পৌরসভার ওপর নির্ভর করলে হবে না। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।
তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি শনিবার পর্যায়ক্রমে শহরের বিভিন্ন স্পটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও পৌরসভা যৌথভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে এ উদ্যোগকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে চান তারা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা।
তিনি জানান, ডেঙ্গুর ‘হট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি যেখানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণই পারে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে।
দিনের কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়াহিদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিজা খাতুনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, পৌরসভার সংশ্লিষ্টরা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা অপসারণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।
ছুটির দিনের সকালে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এভাবে সরাসরি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের মধ্যেও সাড়া ফেলেছে। হাতে হাত মিলিয়ে শহর পরিষ্কারের এ উদ্যোগে যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে একটি বার্তা—ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার দায়িত্বও সবার।
নেত্রকোনার রাজপথে ঝাড়ু-কোদালের এই দৃশ্য তাই নিছক একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; বরং নাগরিক অংশগ্রহণে একটি পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ার সম্মিলিত অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া এলাকায় একটি বাস এবং প্রাইভেট কারের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে, উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ডের কাছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : কোস্টগার্ড মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীসহ ১০ জন পাচারকারীকে আটক করেছে।
শনিবার এই তথ্য জানান কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি উল্লেখ করেন, কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন ছেঁড়া দ্বীপ সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব গভীর সমুদ্র এলাকায় গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাচালান বিরোধী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন সেন্টমার্টিন। অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে, বোটটি সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে। পরে, আভিযানিক দল ধাওয়া করে বোটটিকে গভীর সমুদ্র থেকে আটক করতে সক্ষম হয়।
তল্লাশি চালানোর সময় বোটে প্রায় ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ২৪০ বস্তা ইউরিয়া সার, ১৯০ বস্তা রসুন ও ৯০ বস্তা পেঁয়াজ পাওয়া যায়। বোটে থাকা একজন রোহিঙ্গাসহ মোট ১০ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। জব্দকৃত আলামত এবং আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয়লেন উন্নীতকরণ কাজ সম্পন্ন হবে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয়লেন প্রকল্পটি অনেক আগে শুরু হয়েছিল, তবে সাড়ে ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত ৬ মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ প্রায় ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে। ভৌত কাজের অগ্রগতি বর্তমানে প্রায় ২৭ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের যেসব জায়গায় বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে সড়কটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। অন্যদিকে, বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। মন্ত্রী জানান, তারা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে দরপত্র অনুযায়ী মহাসড়কটি নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চান।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, কারণ ৪ বছর ধরে কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার এই প্রকল্পের প্রতি খুব বেশি মনোযোগী ছিল না। ভূমি অধিগ্রহণ একটি বড় সমস্যা ছিল, তবে তারা এখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হচ্ছেন। ভৌত কাজের সন্তোষজনক না হওয়া নিয়ে তারা আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছেন। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সম্ভাবনাময় স্থানীয় উদ্যোক্তা ও পণ্যকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে ব্যাংক, উদ্যোক্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’
শনিবার রংপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।
রংপুর অঞ্চলের অংশীজনদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মো. সালাহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাংকার, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অন্যান্য অংশীজন এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীরা বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়ে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
সভায় ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্য ও উদ্যোক্তা চিহ্নিতকরণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করা হয়।
এছাড়া, ব্যাপকভাবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্যগুলোর ব্র্যান্ডিং ও বিপণন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
বিবি গভর্নর বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি গ্রাহক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের জন্য ১৬২৩৬ হটলাইন নম্বরটি ব্যবহারের পরামর্শও দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা যাতে প্রকৃত ও যোগ্য উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে, তিনি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, অর্থায়নের সুযোগ সহজতর করা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় রংপুর অঞ্চলে হিমাগার স্থাপন, নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়ন, রপ্তানিমুখী কৃষি ও শিল্পপণ্যের প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ