০৩:৫২ পি.এম
রবিবার মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে একটি বিস্ফোরণে অন্তত ১১৬ জন হতাহত হয়েছে। দুই জন উদ্ধারকর্মী এ তথ্যটি জানিয়েছেন।
বিদ্রোহীরা, যারা এলাকাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তারা জানিয়েছেন, খনি উত্তোলণের কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরকের বিস্ফোরণের ফলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনাস্থল শান রাজ্যের নামকাম জেলার এক উদ্ধারকর্মী জানান, দুর্ঘটনায় ছয় শিশুসহ মোট ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭০ জনেরও বেশি।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
ইয়াঙ্গুন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ ঘটনার খবর জানিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত বাসস্থানগুলোর নিচে আরো লাশ থাকতে পারে।’
অপর এক উদ্ধারকর্মী নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। তার তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় ৫৯ জন মারা গেছেন। জরুরি সেবা কর্মীরা মৃতদেহগুলো সংগ্রহ করে যথাযথভাবে সৎকারের জন্য নিয়ে গেছে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা ওই জরুরি কর্মী জানিয়েছেন, ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
এক বিবৃতিতে টিএনএলএ জানিয়েছে, ‘এই বিস্ফোরণের কারণে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন। তাদের ঘরবাড়িগুলোতেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তথাকথিত ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের’ সদস্য হিসেবে টিএনএলএ, আরাকান আর্মি (এএ) এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) গঠিত হয়েছে। এমএনডিএএ ২০২৪ সালের শুরুতে চীনের মধ্যস্থতায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে।
তবে ওই বছরের জুন মাসে টিএনএলএ শান রাজ্য এবং পার্শ্ববর্তী মান্দালয় অঞ্চলের উপর নতুন করে হামলা চালাতে শুরু করে।
সেই গ্রীষ্মে বিদ্রোহীরা উত্তরের রুবি-খনির শহর মোগোক দখল করে নেয়, যেখানে টিএনএলএ বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
পরে, গত বছরের অক্টোবরে টিএনএলএ জানিয়েছে, চীনের মধ্যস্থতায় তারা মোগোক থেকে সরে যেতে সম্মত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন