ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

২ দিনের রিমান্ডে বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান


২ দিনের রিমান্ডে বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান

 

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার করা হওয়া বহিষ্কৃত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধানের দুই দিনের রিমান্ড দিয়ে দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২১ জুন) দুপুর সোয়া ২টার দিকে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এই আদেশটি দেন।

আরও পড়ুন: সুপারি পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ৭০ বছরের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল বাশারের

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসাইন পাটোয়ারী কালের কণ্ঠকে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুন বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান আহমেদ প্রধান নিখোঁজ হন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরদিন এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করার কাজটি করা হয়। ওইদিন রাতে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

একই রাতে দাউদকান্দি থানায় ২৫ বছর বয়সী একটি বিধবা নারী তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে ১৬ জুন বিকেলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা আদালতে হাজির করে। পরে বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অ্যাডভোকেট মনির হোসাইন পাটোয়ারী জানান, বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের শামছুল আলম শাহ।

আরও পড়ুন: তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে হাজী মাজার বস্তিতে নতুন আলোচনা

পরে বিচারক তৈয়ব উদ্দিন দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ জানান, জিসান মিয়া প্রধানকে রিমান্ডে এনে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। আশা করছি, এ জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারল না টাইগাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারল না টাইগাররা

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর উদ্দেশ্যে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় টি-টোয়ান্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা ১১০ রানের একটি মামুলি লক্ষ্য বাংলাদেশকে দিয়েছে, যা তারা ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে কোন রকম শতক পার করে।

জবাবে, মারকুটে মিশেল মার্শের ঝোড়ো অর্ধশতকের সাহায্যে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটের বড় জয় ছিনিয়ে নেয়।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে, টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। তবে, দলের হয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫১ বলে ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বিস্তারিত আসছে.................!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যামেরার লেন্সে ‘মাফিয়া’ সাম্রাজ্য: পিভিএ গডফাদার জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের কোটি টাকার জালিয়াতি ও টর্চার সেলের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


ক্যামেরার লেন্সে ‘মাফিয়া’ সাম্রাজ্য: পিভিএ গডফাদার জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের কোটি টাকার জালিয়াতি ও টর্চার সেলের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

ঢাকা ২১ জুন, ২০২৬: ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর গ্ল্যামারাস লাইটের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক অন্ধকার অপরাধ জগৎ। কমার্শিয়াল ফটোগ্রাফির খোলস ব্যবহার করে গত দুই দশক ধরে গড়ে তোলা হয়েছিল এক ভয়ংকর মাফিয়া চক্র। পুরান ঢাকাভিত্তিক কথিত ও অনুমোদনহীন সংগঠন ‘ফটোগ্রাফার অ্যান্ড ভিডিওগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পিভিএ)’-কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ সদস্যদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক লোমহর্ষক কেলেঙ্কারি উন্মোচিত হয়েছে। আর এই পুরো অপরাধ সাম্রাজ্যের মূল হোতা ও ‘গডফাদার’ হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে নাম এসেছে আরইসি গ্রুপ বিডি (REC GROUP BD)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও **এমডি জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের।

সরকারি কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পরিচালিত এই সংগঠনের আড়ালে জমি জালিয়াতি, ভুয়া নির্বাচন, অর্থ পাচার এবং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলা সদস্যদের ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় মানসিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের নথিপত্র এখন সাংবাদিকদের হাতে।


নিমতলি আবাসন কেলেঙ্কারি: চটকদার ফাঁদে কোটি কোটি টাকা লোপাট:
অনুসন্ধানে জানা যায়, জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বল তার দীর্ঘ ২১ বছরের তথাকথিত ‘পেশাদার ইমেজ’কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ ও তরুণ ফটোগ্রাফারদের মাঝে এক চতুর ফাঁদ পাতেন। মুন্সিগঞ্জের নিমতলি এলাকায় একটি কথিত ‘লাক্সারিয়াস হাউজিং প্রজেক্ট’-এর স্বপ্ন দেখিয়ে সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে বিগত কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকা চাঁদা ও বিনিয়োগের নামে হাতিয়ে নেন তিনি।

অনুসন্ধানী সূত্র নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ সালের বর্তমান বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে উক্ত জমিটি চরম আইনি জটিলতা, ভুয়া খতিয়ান এবং একাধিক মালিকানা সংক্রান্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধে জর্জরিত। মূলত সাধারণ সদস্যদের পকেট কাটার জন্যই এই ডামি প্রজেক্টের নীল নকশা সাজিয়েছিলেন উজ্জ্বল। বিনিয়োগ করা সদস্যরা এখন তাদের আসল টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাদের কপালে জুটছে চরম লাঞ্ছনা ও ক্যাডার বাহিনীর হুমকি।


৭১ ভোটারের বিপরীতে ২৮ নেতা! অভিনব স্বৈরাচারী ‘পকেট নির্বাচন’

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মুখে ছাই দিয়ে পিভিএ-তে কায়েম করা হয়েছে এক অভিনব স্বৈরাচারী শাসন। মাত্র ৭১ জন সাধারণ ভোটারের বিপরীতে জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের একক ইশারায় গঠন করা হয় ২৮ সদস্যের এক বিশাল ‘পকেট প্যানেল’।

ভুক্তভোগী সদস্যরা জানান, সংগঠনের ভেতরে যেন কোনো সাধারণ সদস্য বা সৎ ব্যক্তি আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য নির্বাচনের নাটক করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজেদের পছন্দের লোকদের পদায়ন করা হতো। এই ২৮ জনের সিন্ডিকেট মূলত জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের ব্যক্তিগত লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করে, যাদের মূল কাজই হলো বার্ষিক অডিট ও আর্থিক অনিয়মের হিসাব ধামাচাপা দেওয়া।

পিভিএ সিন্ডিকেটের অপরাধের চালচিত্র (জুন ২০২৬):
┌────────────────────────────────────────────────────────┐
│ ১. নিমতলি প্রজেক্টের নামে কোটি টাকার ভুয়া আবাসন ফাঁদ │
├────────────────────────────────────────────────────────┤
│ ২. ৭১ ভোটারের বিপরীতে ২৮ জনের পকেট স্বৈরাচারী কমিটি │
├────────────────────────────────────────────────────────┤
│ ৩. জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের নেতৃত্বে ভিন্নমত দমন ও হুমকি │
└────────────────────────────────────────────────────────┘
ভিন্নমত দমনে ‘মাফিয়া স্টাইল’: নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচিত প্রতিনিধিরা

সংগঠনের অভ্যন্তরে কোনো সদস্য যদি আর্থিক স্বচ্ছতা বা হিসাবের খাতা দেখার দাবি তোলেন, তবে তার ওপর নেমে আসে জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের সিন্ডিকেটের নির্মম খড়্গ। গঠনতন্ত্রের মনগড়া ধারা ব্যবহার করে সদস্যদের কণ্ঠরোধ করা হতো। অতীতে এই সিন্ডিকেটের তীব্র মানসিক নির্যাতন, সামাজিক হেনস্তা এবং ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে সংগঠনের একাধিক সম্মানিত ও প্রবীণ কর্মকর্তা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।

সবচেয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সংগঠনটিরই এক বর্তমান নির্বাচিত প্রতিনিধি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি সাংবাদিকদের জানান, জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ শীর্ষ নেতাদের প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তাকে সাংগঠনিকভাবে সম্পূর্ণ একঘরে ও কোণঠাসা করা হয়েছে। এমনকি তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই প্রতিনিধি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


আড়ালে আরইসি গ্রুপ: গণমাধ্যম দেখে পালাচ্ছেন গডফাদার উজ্জ্বল:

পেশাদারিত্বের আড়ালে জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান 'আরইসি গ্রুপ বিডি'-কে এই অবৈধ অর্থ লেনদেনের অন্যতম নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো কিনা, তা নিয়ে গভীর সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

এই চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি, কোটি টাকার কেলেঙ্কারি এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিকে হুমকির বিষয়ে বক্তব্য নিতে আরইসি গ্রুপের কাওরান বাজার ও পুরান ঢাকার কার্যালয় এবং পিভিএ-এর মূল হোতা জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অপরাধের খবর ফাঁস হওয়ার পর থেকেই জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ চক্রের শীর্ষ নেতারা মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে গেছেন। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হতে ভয় পেয়ে তারা মূলত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় সূত্র।


উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও দুদকের হস্তক্ষেপের দাবি:
দেশের ফটোগ্রাফি ও সৃজনশীল শিল্পের সাধারণ মানুষ এই ভয়ংকর মাফিয়া চক্রের হাত থেকে মুক্তি চান। সংশ্লিষ্ট মহলের জোর দাবি-অনতিবিলম্বে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সিআইডি (CID) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন এই নামসর্বস্ব ‘পিভিএ’র সমস্ত ব্যাংকিং লেনদেন জব্দ করে। একই সাথে জাহারুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ এই কোটি টাকার প্রতারক চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও ভয়ংকর সব তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। চলমান থাকবে.................

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে শুরু সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে শুরু সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

স্থানীয় জনগণকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় তিন মাসব্যাপী সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। দীঘিনালা জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী।

রবিবার (২১ জুন) বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন দীঘিনালা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন, এসইউপি, পিএসসি।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন বলেন,
আজকের প্রশিক্ষণই আগামী দিনের আত্মবিশ্বাস। একজন ব্যক্তি যখন কোনো কারিগরি দক্ষতা অর্জন করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবারের জন্যও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন পথ তৈরি করেন। আমরা চাই প্রশিক্ষণার্থীরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠুক এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশীদার হোক।

তিনি আরও বলেন,
মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতিতে শিক্ষা এবং দক্ষতার বিকল্প নেই। দীঘিনালা জোন ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের পাশে থাকবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদিবাসী অধিকার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


আদিবাসী অধিকার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগের আহ্বান

সাম্প্রতিক সময়ে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে আদিবাসীদের ভূমির ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন।

রবিবার (২১ জুন) ঢাকায় কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (সিডিআই) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইকোলজি প্ল্যাটফর্ম (বিএপি) প্রকল্পের আয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ভূমি ও আদিবাসী অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর এই অ্যাডভোকেসি সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে কারিতাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক দাউদ জীবন দাশ বলেন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভূমি অধিকার এবং জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তিনি উল্লেখ করেন, সেমিনারে ওঠানো সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।

সেমিনারে আদিবাসীদের নিপীড়ন এবং হয়রানির ঘটনাবলী তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি জানান, আদিবাসীদের অনেক কিছুর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে, যা তিনি একটি “জেনোসাইড” (গণহত্যা) হিসেবে অভিহিত করেন। এটি বন্ধ হওয়া দরকার বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, যত্রতত্র ইকোপার্ক স্থাপন বন্ধ করতে হবে, কারণ তার মতে, ইকোপার্ক মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস করে। বর্তমান সরকার আদিবাসীদের ভূমির অধিকারসহ সুরক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সাদরুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে আদিবাসীরা একাধিক ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বারসিকের পরিচালক ও গবেষক পাভেল পার্থ বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে আদিবাসীরা নির্যাতিত ও বিতাড়িত হচ্ছে। তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তকে যখন আদিবাসীদের সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য উল্লেখ করা হয়, তখন তা রাষ্ট্রীয় সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। তাই আদিবাসীদের সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিজেনাস পিপলস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (আইপিডিএস)-এর সভাপতি সঞ্জীব দ্রং। তিনি ১৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ভূমি কমিশন গঠন। এছাড়াও তিনি প্রথাগতভাবে অধিকারিত ভূমির ম্যাপিং এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে আইনি মালিকানা নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। বন বিভাগের গেজেট, জরিপ বা ফরেস্ট ল্যান্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া ভূমি প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আদিবাসীদের জীবন এবং জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো প্রকল্পের আগে তাদের অবহিত সম্মতি গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। এবং জাতীয় উদ্যান, ইকো-পার্ক বা অনুরূপ প্রকল্প বাস্তবায়নে আদিবাসীদের অংশীদারিত্ব এবং মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এই ক্ষেত্রগুলিতে হারানো ভূমি পুনরুদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে এবং ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ, খাজনা প্রদান এবং ভূমি জরিপ বিষয়ে আদিবাসীদের প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার কথাও বলেন।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কারিতাস বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মেথিন প্রমিলা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিল্পী কুন্ডু, বাংলাদেশ কৃষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. বদরুল আলম, এবং কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম) অপূর্ব ম্রং ও ব্যবস্থাপক সুবাস এ. গোমেজও বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%