ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
শায়রুল কবির

মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন


মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি এসব তথ্য জানান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ।

আরও পড়ুন: কানে হেডফোন দিয়ে রেললাইনে হাঁটছিলেন তরুণ, নিমিষেই শেষ

তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। সেখানের চিকিৎসকরাও তার সুস্থতাকে বিস্ময়কর হিসেবে দেখেছিলেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সাবেক এই মন্ত্রীকে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ে। এতে ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেলিকপ্টার থেকে কবিতা ছড়িয়ে অনন্য নজির স্পেনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


হেলিকপ্টার থেকে কবিতা ছড়িয়ে অনন্য নজির স্পেনে

সম্প্রতি স্পেনের বার্সেলোনায় নজিরবিহীন এক দৃশ্যের উন্মোচন ঘটেছে। গত ২০ জুন রাত সাড়ে ৮টায় শহরের একটি চমৎকার শৈল্পিক পরিবেশনায় একদল শিল্পী প্রদর্শনী আয়োজন করেছে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে প্রকৃত অর্থে কবিতার বোমাবর্ষণ করা হয়েছে; এক লাখের বেশি কবিতা বাতাসে উড়ানো হয়েছে। কবিতাগুলোতে মানুষ স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে।

অন্য দিনের মতোই ওই সময় বার্সেলোনা ক্যাথেড্রাল এলাকা লোকে লোকারণ্য ছিল। হঠাৎ একটি কালো হেলিকপ্টার মাথার ওপর চক্কর দিতে শুরু করে। এরপর আকাশ থেকে পড়তে থাকে অসংখ্য লম্বা সাদা কাগজ। আকাশের দিক থেকে সেগুলো পড়ে যাচ্ছে, এটা দেখতে মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। কেউ রাস্তা থেকে কাগজগুলো কুড়িয়ে নেয়, আবার কেউ লাফ দিয়ে কাগজ ধরার চেষ্টা করে। অনেকে এই অদ্ভুত ঘটনার ভিডিও ক্যামেরায় বন্দী করে, এবং পরবর্তীতে সেই ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়।

মূলত চিলির শিল্পগোষ্ঠী কাসাগ্রান্ডে এই প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীর নাম রাখা হয়েছে ‘বম্বিং অব পোয়েমস’, অর্থাৎ ‘কবিতার বোমাবর্ষণ’। এই দলটি এর আগে পৃথিবীর আরও ৯টি শহরে এরূপ করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য হলো অতীতের যুদ্ধের ভয়াবহতাকে স্মরণ করা ও বোমার বদলে কবিতা দিয়ে আকাশটাকে শান্তি ও ভালোবাসায় নতুন করে সাজানো।

এই আয়োজনের অনুপ্রেরণা মূলত স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় বার্সেলোনা শহরের ওপর হওয়া ঐতিহাসিক বোমাবর্ষণ। শিল্পগোষ্ঠী কাসাগ্রান্ডে সেই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের স্মরণ করতে কবিতার বোমাবর্ষণের আইডিয়া কাজে লাগিয়েছে। তাদের বিশ্বাস, ইতিহাসের স্মৃতি ভুলে যাওয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। সংস্কৃতি মানুষের মনের ক্ষত দূর করতে পারে এবং শিল্পে যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত স্থানগুলোকে ভালোবাসায় ভরিয়ে তোলা যায়।

প্রদর্শনীর জন্য কাসাগ্রান্ডে শিল্পগোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বার্সেলোনা ক্যাথেড্রাল এলাকাটিকে নির্বাচন করেছে। কারণ, ১৯৩০ সালে গৃহযুদ্ধে এই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল। স্পেনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারা এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেয়। এক সময়ের যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরকে আজ নতুন করে শান্তি ও সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

শহরের অনেক লোক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এই আয়োজন স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত আবেগের। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশাল। ৯ দশক আগে, ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় বার্সেলোনা শহরে ১ হাজার ৯০৩ বার বোমা হামলা হয়েছিল। সেই মারাত্মক হামলায় ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান এবং প্রায় ৭ হাজার জন আহত হন। ১৯৩৮ সালে এই এলাকায় দুবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। প্রথম হামলায় ২০ জন শিশুসহ ৪২ জন মানুষ মারা যান। তার মাত্র কয়েক মাস পরে আবার একই অঞ্চলে হামলা হয়, যা শত শত মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়।

এত বছর পর সেই শহরের আকাশ থেকে কবিতার মাধ্যমে বোমাকে বদলে ফেলা হয়েছে। মানুষের স্বাধীনতা এবং পুরোনো স্মৃতি, ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের নানা ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে স্প্যানিশ ও কাতালান ভাষায় লেখা কবিতাগুলোর মধ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফেলোশিপ পেলেন কালের কণ্ঠের ২ প্রতিবেদক

সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় আহ্বান

সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন।

রবিবার (২৮ জুন) পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা’ শীর্ষক সম্মিলনে প্রধান অতিথির হিসেবে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন।

দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মিলনে বাংলাদেশের ১০ জেলার ৩৩টি স্থানীয় নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব সংগঠন প্রান্তিক নারী, লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের মানুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, আদিবাসী এবং দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে।

এছাড়া, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারবিষয়ক সাংবাদিকতা ফেলোশিপ সম্পন্ন করায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ১৬ জন সাংবাদিককে সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও অধিকারভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ঘটে।

ফেলোশিপ পাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক নিশাত বিজয় ও অনির্বাণ বিশ্বাস, দৈনিক আগামীর সময়ের মেহেরিন আশফিয়া জাহান, দৈনিক কালবেলার মুক্তা মনোয়ারসহ জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ের ১৬ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান এমসিসি, ক্রিশ্চিয়ান এইডের পার্টনারশিপ অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি লিড নুজহাত জাবিন। স্বাগত বক্তব্য দেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। সঞ্চালনা করেন ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ’ জোটের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক।

এ সময় বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়কে আরো কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

দ্বিতীয় পর্বে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র সম্পাদক মীর মনসুর জামান, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সহকারী কমিশনার মনোয়ারা আক্তার রিফাত, এশিয়া এমসিসি, ক্রিশ্চিয়ান এইডের প্রোগ্রাম অ্যান্ড পার্টনারশিপ লিড প্রিন্স সুমন বাড়ই, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী এবং আমরাই পারির প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও দাবি জানাতে সক্ষম হন। আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন দিপ্তী পাহান ও শেফালী বৈরাগী। লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের মানুষ এবং দলিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন অনিন্দিতা আফরা বাবুনি ও সংকর সরকার।

আয়োজকরা জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় ক্রিশ্চিয়ান এইড, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট এবং স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলো যৌথভাবে ‘Expanding Civic Space through Active CSO Participation and Strengthened Governance System in Bangladesh (ECSAP)’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই জাদুঘর অবিলম্বে খুলে দিতে হবে: তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


জুলাই জাদুঘর অবিলম্বে খুলে দিতে হবে: তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, "জুলাই জাদুঘর অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।"

রোববার ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, "জুলাই জাদুঘর হাসিনার ফ‍্যাসিবাদী বর্বরতা, পৈশাচিকতা এবং একই সাথে জুলাইয়ের অবিস্মরণীয় বিপ্লবের বাস্তব প্রতিচিত্র। জুলাই জাদুঘর অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।"

উল্লেখ্য: ২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাদুঘরটির চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ পরিদর্শন করেন। তিনি একে "বিশ্বের এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত" হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "এই জাদুঘর জুলাই শহীদদের রক্ত তাজা থাকতেই করা সম্ভব হয়েছে। যদি আমাদের জাতি কখনো দিশাহারা হয়, তবে এই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে।" সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীও বলেন, "রেকর্ড সময়ে এবং অনেকের স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ এ পর্যায়ে এসেছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল

রাজধানীর বেঙ্গল শিল্পালয়ে ‘সহাবস্থানের স্থাপত্য: বঙ্গীয় বদ্বীপে জনপরিসরের স্থানিক আখ্যান’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

আজ রবিবার (২৮ জুন) প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৫ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

শিল্প ও স্থাপত্যের সমন্বয়ে আয়োজিত এ আন্ত বিষয়ক প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে নারীবাদী নৈতিকতা, জলবায়ু-সংবেদনশীল পরিকল্পনা এবং জনসম্পৃক্ততা বঙ্গীয় বদ্বীপে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক জনপরিসর গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রদর্শনীতে স্থানীয় উপকরণ, কারুশিল্পের ঐতিহ্য এবং পরিবেশ-সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপত্যকর্ম স্থান পেয়েছে। এর মাধ্যমে স্থাপত্যকর্মের সঙ্গে মানুষ, স্থান ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়গুলো নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) বাংলাদেশ গ্র্যান্টস প্রোগ্রামের সহায়তায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থপতি সাইকা ইকবাল মেঘনা ও শুভ্র শোভন চৌধুরী।

প্রদর্শনীটির কিউরেটরিয়াল দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী এবং খ্যাতিমান শিল্পী ও কলা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াকিলুর রহমান।

প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। উদ্যোগটির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘জনপরিসর, নগর পরিকল্পনা ও স্থাপত্যকে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে। ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর মাস্টার প্ল্যানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

পর্যায়ক্রমে এ পরিকল্পনা জেলা ও উপজেলা শহরেও সম্প্রসারণ করা হবে। প্রতিটি সরকারি প্রকল্পে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং তাদের যথাযথ অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। শহরকে বৃষ্টি, পানি ও জলবায়ুর বাস্তবতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে, এগুলোকে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখলে চলবে না।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান বলেন, ‘সহাবস্থানের স্থাপত্য প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। শিল্প, স্থাপত্য ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী বঙ্গীয় বদ্বীপে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল জনপরিসর গড়ে তোলার নতুন ভাবনা তুলে ধরেছে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) কর্মসূচি এ ধরনের উদ্যোগকে সবসময় সমর্থন করে আসছে যা যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাওয়া খাতগুলোর মধ্যে একটি। পাশাপাশি, এটি বাংলাদেশে জলবায়ু-সংবেদনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার ব্রিটিশ কাউন্সিলের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘এই প্রকল্পের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত। সৃজনশীল অর্থনীতি, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্যে সংযোগ তৈরি করা এ উদ্যোগের লক্ষ্য। শিল্পক্ষেত্রে এই দিকগুলোকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বিশেষ করে নকশা, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে সমাজকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে এবং বিভিন্ন মত ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, শিল্প ও স্থাপত্য কে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সবার জন্য অভিন্ন জনপরিসর তৈরি করা যায় তা নিয়ে নতুনভাবে সবাইকে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে এ প্রদর্শনী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য দেন স্থপতি, শিক্ষাবিদ এবং বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টসের মহাপরিচালক অধ্যাপক কাজী খালিদ আশরাফ। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই ইনস্টলেশনটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর নির্মাণ–প্রক্রিয়া। এটি একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়া। স্থাপত্যও মূলত সম্মিলিতভাবে গড়ে ওঠে। পোড়ামাটির টালি থেকে শুরু করে স্থানীয় উপকরণ, কারুশিল্প এবং এটি নির্মাণে যুক্ত মানুষের অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে এটি উপকরণ ও নির্মাণশৈলী নিয়ে এক ধরনের অনুসন্ধান। একই সঙ্গে এটি বর্ষা, বদ্বীপ ও জনপরিসরের মধ্যে একটি নতুন সংলাপের সূচনা করে। স্থাপনা, ভূদৃশ্য ও মানুষের মধ্যে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলারও সুযোগ তৈরি করে।’

শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে লিঙ্গসমতা এগিয়ে নেওয়া এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের চলমান অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এ উদ্যোগ। একই সঙ্গে এটি নারী-নেতৃত্বাধীন সৃজনশীল উদ্যোগ এবং বিভিন্ন শাখার মধ্যে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করে। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলা এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার বৃহত্তর প্রচেষ্টারও অংশ এ আয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%