বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩৭ এম
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এই ঝড়ের নাম নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন উঠেছে ঘূর্ণিঝড়ের নাম কে রাখে, কীভাবে এই নাম নির্বাচন করা হয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের নামকরণের প্রয়োজনীয়তা কী?
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কোনো ব্যক্তি বা একটি দেশের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। বরং, এটি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে করা হয়।
নাম প্রস্তাব করে ১৩টি দেশ
বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। এই অঞ্চলে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। অন্যান্য দেশগুলো হলো ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
প্রতিটি দেশ আগে থেকেই নির্দিষ্ট কিছু নাম জমা দেয়। পরে, নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী সেই তালিকা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ব্যবহার করা হয়। যখন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কোনো ঘূর্ণিঝড় নামকরণের উপযুক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন ভারতের আবহাওয়া বিভাগের আঞ্চলিক বিশেষায়িত আবহাওয়া কেন্দ্র (আরএসএমসি) সেই নাম নির্ধারণ করে।
বাংলাদেশও এই তালিকার জন্য নাম প্রস্তাব করে। তবে, কোনো দেশ নাম প্রস্তাব করলেই ঘূর্ণিঝড়টি সেই দেশেই আঘাত হানবে, এমন নয়। ঝড়ের নামকরণের সঙ্গে এর সম্ভাব্য গতিপথের কোনো সম্পর্ক নেই।
কেন ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়?
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ঝড়কে সহজে শনাক্ত করা এবং এর বিষয়ে সতর্কবার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধুমাত্র অবস্থানাঙ্ক বা কারিগরি পরিচয় দিয়ে ঝড়ের বিষয়ে তথ্য জানানো হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা মনে রাখা কঠিন হতে পারে। একটি পরিচিত নাম ব্যবহার করলে সংবাদমাধ্যম, আবহাওয়াবিদ, উদ্ধারকর্মী ও সাধারণ মানুষ সহজেই নির্দিষ্ট ঝড়টিকে শনাক্ত করতে পারেন।
একই সময়ে একাধিক সামুদ্রিক ঝড় তৈরি হলে আলাদা নাম ব্যবহার করে প্রতিটির গতিপথ, সম্ভাব্য প্রভাব এবং সতর্কবার্তা সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে তথ্য দেওয়া যায়। এতে যোগাযোগের বিভ্রান্তি কমে এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।
নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী নিয়ম রয়েছে?
ঘূর্ণিঝড়ের নাম সাধারণত সংক্ষিপ্ত, সহজে উচ্চারণযোগ্য এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে বোধগম্য হওয়ার উপযোগী করে নির্বাচন করা হয়। নামটি যেন আপত্তিকর না হয় কিংবা অন্য নামের সঙ্গে সহজে গুলিয়ে না যায়, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নাম নির্ধারিত ক্রমে ব্যবহার করা হয়। কোনো নাম একবার ব্যবহার হয়ে গেলে সাধারণত সেটি আবার এই অঞ্চলের নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। ফলে তালিকা থেকে পরবর্তী নামটি নেওয়া হয়।
নামের উৎসও এক রকম নয়। বিভিন্ন ভাষার শব্দ, প্রকৃতি বা সংশ্লিষ্ট দেশের প্রস্তাবিত অন্য কোনো নাম তালিকায় থাকতে পারে।
নামের সঙ্গে কি ঘূর্ণিঝড়ের শক্তির সম্পর্ক আছে?
না। ঘূর্ণিঝড়ের নামের সঙ্গে এর শক্তি বা ধ্বংসক্ষমতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। নামটি মূলত ঝড়কে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ঝড় কতটা শক্তিশালী, বাতাসের গতি কত, কোথায় আঘাত হানতে পারে এবং কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, এসব নির্ভর করে আবহাওয়াগত পরিস্থিতির ওপর।
তাহলে, কোনো ঝড়ের নাম আকর্ষণীয় বা পরিচিত হলেই সেটি বেশি শক্তিশালী হবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। ঝড়ের নামের চেয়ে এর অবস্থান, তীব্রতা, সম্ভাব্য গতিপথ এবং সরকারি সতর্কবার্তাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ কেবল পরিচিতির জন্য নয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যোগাযোগ সহজ করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। কোনো ঘূর্ণিঝড়ের নাম সংবাদে শোনার পর সেটি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তা অনুসরণ করা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগে এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছে। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে বুধবার, ২৮ অক্টোবর থেকে এবং চলবে আগামী ০৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
এক নজরে স্কয়ার গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম: স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি
পদের নাম: এক্সিকিউটিভ
বিভাগ: গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এম.ফার্ম / বি.ফার্ম
অন্যান্য যোগ্যতা: গ্লোবাল রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বা ফর্মুলেশনস আরঅ্যান্ডডি-তে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল: গাজীপুর (কালিয়াকৈর)
বেতন: আকর্ষণীয় পারিশ্রমিক প্যাকেজ
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।
আবেদনের শেষ সময়: ০৫ নভেম্বর ২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমি এবং ফুটপাত দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। আদালত একইসঙ্গে আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারদের পরিচয় উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
গতকাল বুধবার বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান সই করা আদেশে চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
রাতে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন আহমেদ।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট এলাকায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।
তবে চাঁদপুর-মতলব সড়কের বাবুরহাট বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশে সড়ক বিভাগের জমি ও ফুটপাত দখল করে পুনরায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা বাবুরহাট সড়ক সংকুচিত হয়ে নিয়মিত যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ বাড়ছে।
সরকারি জমি উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল এবং সড়ক-ফুটপাত দখল করে পথচারিদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে যানবাহন এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আদালত।
আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এলাকার অবৈধ স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি দখলদারদের নাম-ঠিকানাসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন দেশের প্রায় ২৫০ জন মুসলিম আলেম, চিন্তাবিদ, গবেষক ও ধর্মীয় প্রচারক। ইসলামের অভিন্ন মূলনীতির ভিত্তিতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য জোরদার করা এবং সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।
বুধবার ‘মধ্যপন্থী উম্মাহর ঐক্য: অভিন্ন মূলনীতি থেকে ঐক্যের সনদ’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। এই সম্মেলনটি মুসলিম স্কলারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্সের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে। সিরিয়ার একটি প্রতিনিধিদলও সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির আওকাফবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সংগঠনের মহাসচিব আলী আল-কারাদাগি সহ বিভিন্ন দেশের আলেম ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানাকে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী শুকরি মুসলিমদের অবস্থান ও প্রচেষ্টায় ঐক্য প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামী বক্তব্যের ঐক্যবিষয়ক সনদ প্রণয়নে সিরিয়ার অভিজ্ঞতা একটি বাস্তবসম্মত মডেল হতে পারে।
মন্ত্রী শুকরি জানান, দেশটির সুপ্রিম ফতোয়া কাউন্সিলের সহযোগিতায় ওই সনদ তৈরি করা হয়েছে এবং এতে সিরিয়ার ১ হাজার ৮০০-এর বেশি আলেম স্বাক্ষর করেছেন। তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন মতপথের মধ্যে দূরত্ব কমাতে এবং ইসলামী বক্তব্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হতে পারে।
শুকরি বলেন, পবিত্র কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহর ভিত্তিতে অভিন্ন নীতিগুলোকে সামনে রেখে বিভিন্ন ইসলামী চিন্তাধারা ও ফিকহি ঐতিহ্যের আলেমদের একত্র করার উপায় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হচ্ছে। সম্মেলনের লক্ষ্য মুসলিম উম্মাহর ঐক্য জোরদার করা এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত সক্ষমতা বাড়ানো।
জিল আল-কোরআন এনডাউমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ মুআজ আবু সালেহ বলেন, মুসলিম উম্মাহর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও বিভক্তি মোকাবিলায় সংলাপ, পারস্পরিক দূরত্ব কমানো এবং অভিন্ন বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
তিনি সম্মেলনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য অনুসরণমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। তার মতে, এসব উদ্যোগ মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে।
এই তিন দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রস্তাবিত ‘উম্মাহর ঐক্যের সনদ’ নিয়ে একাধিক একাডেমিক অধিবেশন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের কার্যক্রম শুক্রবারের জুমার নামাজের পর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সমাপনীতে একটি চূড়ান্ত বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।
সূত্র: সিরিয়িান আরব নিউজ এজেন্সি (সানা)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাগোয়া, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের অংশ হিসেবে নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানার পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টার দিকে এই কারখানাটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি গাড়ি সংযোজন (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া ঘুরে দেখার সুযোগ পান।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন তথ্য প্রদান করেন।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা, টয়োটা সুশো কর্পোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে এ সময় তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ