ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লন্ডনের আকাশে রহস্যময় চাকতি, পাইলটের চোখে ধরা পড়ল


লন্ডনের আকাশে রহস্যময় চাকতি, পাইলটের চোখে ধরা পড়ল

লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের প্রস্তুতির সময়, একটি বাণিজ্যিক বিমানের পাইলট একটি রহস্যময় চাকতির মতো বস্তু দেখার দাবি করেছেন। মেট্রো ইউকে এই খবরটি জানিয়েছে।

একটি সরকারি নিরাপত্তা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে এয়ারবাস এ৩১৯ যাত্রীবাহী বিমানে। বিমানটি নিচে নামছিল এবং রানওয়ের দিকে যাওয়ার জন্য বাঁ দিকে ঘুরছিল। এমন সময় পাইলট ডান ডানার খুব কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বস্তু দেখতে পান। পাইলটের মতে, বস্তুটি দেখতে 'উড়ন্ত চাকতির' মতো ছিল।

বস্তুটির পরিচয় নিয়ে ধারণা করা হয়েছিল এটি একটি বিশেষ ধরনের ড্রোন হতে পারে। রহস্যময় বস্তুটি বিমানের সমান উচ্চতায় বিপরীত দিকে যাচ্ছিল এবং ধারণা করা হয়, এটি বিমান থেকে মাত্র ১০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরে ছিল। ঘটনাটি তদন্তের জন্য যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডে রিপোর্ট করা হয়েছে। এই বোর্ড একটি স্বাধীন সংস্থা, যা বিমান চলাচলের সময় কাছাকাছি সংঘর্ষের ঝুঁকির ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে।

আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় দুই ‘এনকাউন্টার’, বিজেপি সরকারের বার্তা কী?

জুনে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “এ৩১৯ বিমানের পাইলট বলেছেন, বিমান নিচে নামার সময় এবং বাঁ দিকে ঘোরার সময় তিনি একটি চাকতি বা ‘উড়ন্ত চাকতি’ ধরনের সন্দেহজনক ড্রোন দেখতে পান। সেটি একই উচ্চতার বিপরীত দিক থেকে এসে তাদের ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে চলে যায়।” পাইলট জানান, বস্তুটি সাসেক্স গ্রামের ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়। সেটি হ্যাংক্রসের কাছে, গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাত মাইল দক্ষিণে অবস্থিত।

পাইলট জানান, বস্তুটি স্পষ্টভাবে একটি চাকতির মতো ছিল এবং এর বাইরের অংশে গাঢ় রঙের দাগ ছিল। বিমানকর্মীরা ধারণা করেছিলেন, এটি হয়তো উন্নত বা অস্বাভাবিক কোনো ড্রোন হতে পারে। তবে তারা এর আসল পরিচয় বা কোথা থেকে এসেছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি।

এত কাছ দিয়ে গেলেও পাইলটকে জরুরি কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়নি। কারণ বিমানটি তখন আগে থেকেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁক নিচ্ছিল। এলাকা থেকে অন্য কোনো পাইলট এই অজানা বস্তুটি দেখতে পারেননি। তবে বিমান নিয়ন্ত্রণকারীরা সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন। প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়, ‘বোর্ডের মতে, বস্তুটির বলা উচ্চতা এবং বর্ণনা এমন ছিল যে তারা অজানা বস্তুটির প্রকৃতি নিশ্চিত করতে পারেননি।’ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ‘বোর্ড মনে করেছে, নিরাপত্তা কিছুটা কমে গেলেও সেখানে কোনো সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।’

আরও পড়ুন: কোরিয়ায় বাংলাদেশিসহ বিদেশি কর্মীদের ওপর জরিমানা বন্ধে নজরদারির তাগিদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানুষের ক্ষোভ ও গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


মানুষের ক্ষোভ ও গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, দেশপ্রেম এবং গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষার সম্মিলিত বহিঃপ্রকাশ। ১৭ বছরের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন দেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (২ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হলের কিশোরী লাল রায় চৌধুরী অডিটরিয়ামে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

উপাচার্য বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতিকে বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন সুযোগ এনে দিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশে যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’।

বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও তিনি জোর দেন।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. দেবাশীষ পালের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য দেন আবাসিক শিক্ষক ড. প্রমথ মিস্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মেঘমল্লার বসু, হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মধুসূদন কুণ্ডু হৃষীকেশ, সদস্যসচিব প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নিত্যানন্দ পাল এবং হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণু পণ্ডিত।

আবাসিক শিক্ষক সঞ্জয় দে রিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী গুরু ত্রিপুরা, নয়ন দাস ও প্রিয়রঞ্জন দাস প্রান্তকে পুরস্কৃত করা হয়।

এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটুট এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে পৃথক সেমিনার ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এ ছাড়া ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং গণিত বিভাগের পৃথক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এর মধ্যে গণিত বিভাগের অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুলাই শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা। অন্যদিকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। একই দিনে সমাজবিজ্ঞান বিভাগেও একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আলোচনা করেন লেখক ফিরোজ আহমেদ।

এদিকে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ফলিত গণিত বিভাগের উদ্যোগে ‘জুলাই টাইম লাইন ২০২৪ : আকাঙ্ক্ষা, প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভা ও ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগুনে রাঙামাটিতে কারখানা ও ঘর পুড়ে ছাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


আগুনে রাঙামাটিতে কারখানা ও ঘর পুড়ে ছাই

রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গাঁথাছড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি বসতঘর পুড়ে যায়।ইতিহাসের এক সোমবার, ৩ আগস্ট, ভোর বেলায় রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের গাঁথাছড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে একটি কাঠমিস্ত্রির কারখানায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে।মুহূর্তের মধ্যে আগুন তার পার্শ্ববর্তী আরও কয়েকটি স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে তিনটি কারখানা এবং একটি ঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়।

তবে, সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তাই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো যায়।গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে, লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তিনটি বি-টাইপ টহল দল প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসও আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।

লংগদু জোন সূত্রে জানা যায়, সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের সময় লংগদু জোনের মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে চিকিৎসা সহায়তা দিতে প্রস্তুত ছিল।

লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ জানান, আগুনের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা আগুন নেভানোর কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে ফায়ার সার্ভিসও আসায় দ্রুততার সাথে আগুন নেভানোর কার্যক্রমে যোগদান করে। আগুনকে আর ছড়াতে দেয়া হয়নি। তবে এই ঘটনায় তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিয়মের অভিযোগে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


অনিয়মের অভিযোগে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বরখাস্তের কারণ হলো অদক্ষতা ও বহিরাগত লোক দ্বারা দাপ্তরিক কাজ করানো। গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এই বরখাস্তের নির্দেশ দেন।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. ওয়াজেদ আলী খান, অফিস সহায়ক মো. শফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল এবং তাপস চন্দ্র শীল। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার নানা অভিযোগ উঠছিল। জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি আকস্মিকভাবে বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে তিনি কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান।

এছাড়া, পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক দেখতে পান যে, সরকারি দাপ্তরিক কাজ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা না করে বাইরের লোকজন বা দালালদের মাধ্যমে করানো হচ্ছে। পাশাপাশি দায়িত্বে চরম অবহেলা ও সেবাগ্রহীতাদের সেবা না দিয়ে হয়রানির প্রাথমিক প্রমাণ মেলে। অভিযোগগুলোর সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অফিসের ওই চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেন এবং টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ভূমি অফিস পরিদর্শনে বের হন।

কাশিমপুর ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, কর্মরত কেউই কাজের উপযুক্ত নয় এবং সরকারি নিয়ম মেনে কোনো কাজই সেখানে হচ্ছিল না। জেলা প্রশাসক বলেন, সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কাগজপত্র ও নামজারীর সফটওয়্যার দেখতে চাইলে তারা কোনো সদুত্তর বা নথি দেখাতে পারেননি। এই কারণে ওই অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালগাছ লাগাই, বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাই” স্লোগানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে তালের বিচি রোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

(পটুয়াখালী) রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি:“মোঃআসাদ মিয়া

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


তালগাছ লাগাই, বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাই” স্লোগানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে তালের বিচি রোপণ কর্মসূচি

"তালগাছ লাগাই, বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাই"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর ৫৮ নং নয়াভাঙ্গনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তালের বিচি রোপণের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার আনসারীর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় অভিভাবকরাও অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বজ্রপাতের ঝুঁকি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বেশি বেশি গাছ ও তালের বিচি লাগানোর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার আনসারী বলেন, "তালগাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন করে তুলতে এবং বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।"

শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এবং ফাঁকা রাস্তার পাশে তালগাছের চারা রোপণ করে, এছাড়াও ভবিষ্যতে আরও গাছ লাগানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও দুর্যোগ সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।

পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে এবং বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছ রোপণের মতো উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%