প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গাঁথাছড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি বসতঘর পুড়ে যায়।ইতিহাসের এক সোমবার, ৩ আগস্ট, ভোর বেলায় রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের গাঁথাছড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে একটি কাঠমিস্ত্রির কারখানায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে।মুহূর্তের মধ্যে আগুন তার পার্শ্ববর্তী আরও কয়েকটি স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে তিনটি কারখানা এবং একটি ঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়।
তবে, সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ ও স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তাই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো যায়।গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে, লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তিনটি বি-টাইপ টহল দল প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসও আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
লংগদু জোন সূত্রে জানা যায়, সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডের সময় লংগদু জোনের মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলে চিকিৎসা সহায়তা দিতে প্রস্তুত ছিল।
লংগদু জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ জানান, আগুনের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা আগুন নেভানোর কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে ফায়ার সার্ভিসও আসায় দ্রুততার সাথে আগুন নেভানোর কার্যক্রমে যোগদান করে। আগুনকে আর ছড়াতে দেয়া হয়নি। তবে এই ঘটনায় তিনটি ফার্নিচার কারখানা ও একটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন